Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
INS Khukri

পাক ‘হাঙর’ ডুবিয়েছিল ভারতের রণতরী আইএনএস খুকরি! ইরানি যুদ্ধজাহাজে হামলা মনে করাচ্ছে যে ইতিহাস

প্রাণ হারান ১৯৪ জন ক্রু। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ১৮ জন নৌ সেনা আধিকারিক এবং ১৭৬ জন নাবিক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২৬, ২০:১২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মার্চ ৫, ২০২৬, ২০:১২

options
link
পাক ‘হাঙর’ ডুবিয়েছিল ভারতের রণতরী আইএনএস খুকরি! ইরানি যুদ্ধজাহাজে হামলা মনে করাচ্ছে যে ইতিহাস zoom
১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর ধ্বংস হয় ভারতীয় ওই রণতরী।

বুধবার ভারত মহাসাগরে ইরানি রণতরীর উপর হামলা চালিয়েছে মার্কিন সাবমেরিন। ওই ঘটনায় ৮৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১৪৮ জন নিখোঁজ। এই হামলার ঘটনা মনে করাচ্ছে পাঁচ দশকেরও বেশি সময় পুরনো এক ইতিহাসকে। যেভাবে ভারত মহাসাগরে ইরানি রণতরী ধ্বংস হল, সেভাবেই আরবসাগরে পাকিস্তানি সাবমেরিন ‘পিএনএস হাঙর’-এর হামলায় ধ্বংস হয়ে তলিয়ে গিয়েছিল ভারতীয় রণতরী আইএনএস খুকরি।

দিনটা ছিল ১৯৭১ সালের ৯ ডিসেম্বর। পাক সাবমেরিন গাজি ধ্বংস করে দেওয়ার পর ভারতীয় রণতরী আইএনএস খুকরি খুঁজে বেড়াচ্ছিল অন্য পাক সাবমেরিনকে। কিন্তু পাক ডুবোজাহাজ ‘পিএনএস হাঙর’-এর পালটা হামলায় ডুবে যেতে হয় তাকে। প্রাণ হারান ১৯৪ জন ক্রু। তাঁদের মধ্যে ছিলেন ১৮ জন নৌ সেনা আধিকারিক এবং ১৭৬ জন নাবিক।

Advertisement

যেভাবে ভারত মহাসাগরে ইরানি রণতরী ধ্বংস হল, সেভাবেই আরবসাগরে পাকিস্তানি সাবমেরিন ‘পিএনএস হাঙর’-এর হামলায় ধ্বংস হয়ে তলিয়ে গিয়েছিল ভারতীয় রণতরী আইএনএস খুকরি।

১৯৭১ সালের ২ ডিসেম্বর মুম্বই (তখন বোম্বে) বন্দর থেকে যাত্রা শুরু করেছিল আইএনএস খুকরি। সেই নৌবহরে ছিল আরও দুই যুদ্ধজাহাজ আইএনএস কিরপান ও আইএনএস কুঠার। কিন্তু যাত্রা শুরুর দু’দিনের মধ্যেই বয়লার রুমে বিস্ফোরণের ধাক্কায় অকেজো হয়ে পড়ে আইএনএস কুঠার। ফলে টহলদারির দায়িত্ব বর্তায় কেবলই আইএনএস কিরপান ও আইএনএস খুকরির উপরেই।

খবর ছিল, পিএনএস গাজি ডুবে গেলেও দুই পাক সাবমেরিন কিন্তু সক্রিয় রয়েছে। শেষপর্যন্ত পাকিস্তানি হাঙর শনাক্ত করে খুকরি ও কিরপানকে। শুরু করে ধাওয়া করা। আর এরপরই খুকরির বুকে সে ছুড়ে মারে টর্পেডো। খুকরিকে আক্রান্ত হতে দেখে আইএনএস কিরপান এগিয়ে এলেও রোখা যায়নি খুকরির সলিল সমাধি। ১৯৪ জন মারা গেলেও ৬ জন অফিসার ও ৬১ জন নৌসেনা বেঁচে যান। আইএনএস কিরপানই উদ্ধার করে তাঁদের। সেই অতীতের ঘটনা এবার ফিরে এল ইরানি রণতরীর উপরে হওয়া হামলার ঘটনায়। উল্লেখ্য, সাবমেরিন হাঙরকে ধ্বংস করার প্রবল চেষ্টা করার পরও সফল হয়নি ভারতীয় নৌসেনা। কিন্তু ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় পাক সেনার আত্মসমর্পণে ফিকে হয়ে গিয়েছিল হাঙরকে ঘিরে তৈরি হওয়া গৌরব!

পিএনএস গাজি ডুবে গেলেও দুই পাক সাবমেরিন কিন্তু সক্রিয় রয়েছে। শেষপর্যন্ত পাকিস্তানি হাঙর শনাক্ত করে খুকরি ও কিরপানকে। শুরু করে ধাওয়া করা।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.