Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
টিকিট

ভোট চলাকালীনও ট্রেনের টিকিটে প্রধানমন্ত্রীর ছবি! অভিযোগ তুলে ঘাড় ধাক্কা খেলেন যাত্রী

উঠছে নির্বাচনের বিধিভঙ্গের অভিযোগ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০১৯, ১৪:৪১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২২, ২০১৯, ১৪:৪১

options
link
ভোট চলাকালীনও ট্রেনের টিকিটে প্রধানমন্ত্রীর ছবি! অভিযোগ তুলে ঘাড় ধাক্কা খেলেন যাত্রী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: নির্বাচন শুরু হয়ে যাওয়ার পরও কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বিজ্ঞাপন ও প্রধামন্ত্রী ছবি সম্বলিত টিকিট বিক্রি হচ্ছে উত্তরপ্রদেশে। ‘চৌকিদার’ লেখা চায়ের কাপ আর প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেওয়া বিমানের টিকিট বিক্রিতে অভিযোগ জানানোর পরও টনক নড়েনি প্রশাসনের। ফের প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেওয়া টিকিট বিক্রি হল উত্তরপ্রদেশের একটি রেলস্টেশন থেকে।

তবে এমন ঘটনা নতুন নয়, আগেও ঘটেছিল। নির্বাচনের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়ে যাওয়ার পর ট্রেনের টিকিটে প্রধানমন্ত্রীর ছবি থাকা নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল। দলের তরফে অভিযোগ জানানো হয়েছিল, ভোটের দিন স্থির হয়ে যাওয়ার পর কেন্দ্রীয় প্রকল্পের বিজ্ঞাপন ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছবি দেওয়া রেলের টিকিট বিক্রি করা নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করে। রেলের তরফ থেকে তখন সাফাই দেওয়া হয়েছিল, যে কাগজে রেলের টিকিট ছাপা হয়, তা অনেকদিন আগেই কাউন্টারগুলিতে পৌঁছায়। তাই নির্বাচনের দিন ঘোষণার পরও প্রধানমন্ত্রীর ছবি দেওয়া টিকিট হাতে পাচ্ছেন যাত্রীরা। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে বলে রেলমন্ত্রকের তরফ থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়। এও জানানো হয়, যত তাড়াতাড়ি সম্ভব, ওই কাগজে টিকিট ছাপানো বন্ধ করা হবে।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: পথের সারমেয়কে খাওয়ানোর অপরাধে তিন লক্ষ ৬০ হাজার জরিমানা মহিলার! ]

ঘটনাটি ঘটেছিল গত মাসের মাঝামাঝি সময়ে। কিন্তু তারপর এতদিন কেটে গেলেও রেলের তরফে এখনও প্রধানমন্ত্রীর ছবি ছাপানো টিকিট তুলে নেওয়া হয়নি। তার প্রমাণ মিলল উত্তরপ্রদেশের একটি টিকিট কাউন্টারে।

রবিবার লখনউ থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে বারবাঁকি  থেকে বারাণসী পর্যন্ত টিকিট কেটেছিলেন মহম্মদ শাব্বর রিজভি নামে এক যাত্রী। সেই টিকিটে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার একটি বিজ্ঞাপন মুদ্রিত ছিল। সঙ্গে ছিল প্রধানমন্ত্রীর ছবিও। রিজভি বলেছেন, “যখন টিকিটটা হাতে পেলাম, দেখলাম, তাতে প্রধানমন্ত্রীর ছবি রয়েছে। নির্বাচনের বিধি সম্পর্কে আমি অজ্ঞাত নই। তাই সুপারভাইজারকে কথাটা জানাই। কিন্তু আমাকে সেখান থেকে ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দেওয়া হয়। তাই শেষ অবলম্বন হিসেবে আমি সংবাদমাধ্যমকে ডাকি।” সংবাদমাধ্যম আসার পর ঘটনাটি অন্যদিকে মোড় নেয়। সুপারভাইজার নিজে যান ঘটনাস্থলে। তিনি জানান, ‘ভুলবশত’ প্রধানমন্ত্রীর ছবি প্রিন্ট হয়ে গিয়েছে টিকিটে। তবে বিতর্ক তাতে থেমে রইল না৷

[ আরও পড়ুন: কী আছে মোদির হেলিকপ্টার থেকে নামা কালো বাক্সে? প্রশ্ন তুলে কমিশনে কংগ্রেস ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.