২২ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  সোমবার ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২২ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  সোমবার ৯ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দ্বিতীয় মোদি সরকারের প্রথম বড় জয়৷ দীর্ঘ টানাপোড়েনের পর রাজ্যসভায় পাশ তাৎক্ষণিক তিন তালাক বিল৷ ৯৯-৮৪ ভোটে সংসদের উচ্চকক্ষে পাশ হয়ে গেল বিলটি৷ দীর্ঘকাল পুরুষশাসিত সমাজের বাঁধন ছেড়ে এবার মুক্তির হাওয়া উপভোগ করতে চলেছেন সংখ্যালঘু মহিলারা৷

[আরও পড়ুন:মুখ্যমন্ত্রী হয়েই ‘টিপু জয়ন্তী’ বন্ধের নির্দেশ ইয়েদুরাপ্পার, নিন্দায় সরব বিরোধীরা]

লড়াই ছিল দীর্ঘ, কঠিনও৷ তিন তালাক উচ্চারণের মাধ্যমে স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদ করার অধিকার ছিল মুসলিম সমাজের পুরুষদের একচেটিয়া অধিকার৷ তার বিরোধিতায় আন্দোলনে নামেন একদল সংখ্যালঘু নারী৷ তাঁদেরই তৎপরতায় বিচার্য বিষয় হয়ে দাঁড়ায়, তিন তালাক প্রক্রিয়াকে অপরাধ বলে গণ্য করা৷ নরেন্দ্র মোদি নেতৃত্বাধীন প্রথম এনডিএ-তে এনিয়ে দীর্ঘ তর্কবিতর্ক, সমর্থন-বিরোধিতা চলে৷ বারবার বিলটি পাশের দোরগোড়ায় গিয়েও ফিরে আসে৷ তবে মোদি সরকার বরাবরই সংখ্যালঘু মহিলাদের সুরক্ষা দিতে তৎপর ছিল৷ 

দ্বিতীয় মোদি সরকারের কাছে তাৎক্ষণিক তিন তালাক বিলটি পাশ করানো ছিল কঠিন পরীক্ষা৷ ১৯ মাসের নিরলস পরিশ্রমে  লোকসভায় সসম্মানে সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর রাজ্যসভাতেও সফল৷ মঙ্গলবার ভোটাভুটিতে পাশ হয়ে গেল মুসলিম নারীদের অধিকার সুরক্ষা সংক্রান্ত এই বিলটি৷ যদিও এদিন বিল পাশের বিরোধিতায় যথারীতি সরব ছিল বিরোধী কয়েকটি দল৷ ভোটদানে বিরত ছিল বিএসপি, টিআরএস৷ অনুপস্থিত ছিলেন ওয়াইএসআর কংগ্রেস, এনসিপির বেশ কয়েকজন সাংসদ৷ নবীন পট্টনায়েকের বিজেডি কেন্দ্রকে এই ইস্যুতে পুরোপুরি সমর্থন করেছে৷ যদিও রাজ্যসভায় এনডিএ-র প্রধান শরিক বিজেপি সংখ্যাগরিষ্ঠ না হওয়ায়  এখানে বিলটি পাশ হওয়া যথেষ্ট কঠিন ছিল৷ তবে দিনের শুরু থেকে বিরোধীদের দফায় দফায় ওয়াকআউটই সরকার পক্ষের কাজ কিছুটা সহজ করে দেয় বলে মনে করছে বিশেষজ্ঞদের একাংশ৷

মোদি সরকারের আরও বড় সাফল্য এই যে, ভোটের বিচারে বিলটি সিলেক্ট কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব আটকে যায়৷ সরাসরিই বিলটি পাশ হয়ে যায় রাজ্যসভায়৷ এবার রাষ্ট্রপতির অনুমোদন সাপেক্ষে আইন হওয়ার অপেক্ষায়৷ আর তা হয়ে গেলে শুধুমাত্র মুখে উচ্চারিত ‘তালাক’ শব্দে বিবাহবিচ্ছেদ তো নয়ই, এমনকী এই পথে হাঁটলে ফৌজদারি অপরাধী হিসেবে গণ্য করে বিচার হবে তাঁদের৷ বড়সড় সাজার মুখে পড়বেন মুসলিম পুরুষরা৷ খবর শুনে খুশির হাওয়া সংখ্যালঘু মহিলা মহলে৷ 

[আরও পড়ুন: বেকার সমস্যা মেটাতে ৫ বছর আগে তৈরি হয়েছিল মন্ত্রক, এখনও জোটেনি স্থায়ী অফিস!]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং