Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬

ত্রিপুরায় সাংবাদিক হত্যার তদন্তভার সিবিআইকে, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই পদক্ষেপ বিপ্লবের

কর্মীদের বেতন বাড়ানোর উদ্যেগ নয়া মুখ্যমন্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ১৫:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০১৯, ১৫:১৪

options
link
ত্রিপুরায় সাংবাদিক হত্যার তদন্তভার সিবিআইকে, মুখ্যমন্ত্রী হয়েই পদক্ষেপ বিপ্লবের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুখ্যমন্ত্রীর কুরসিতে সদ্য বসেছেন। এসেছেন অনেকের প্রত্যাশাপূরণের স্বপ্ন নিয়ে। আর এসেই সে কাজে লেগে পড়লেন ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। দুই সাংবাদিক হত্যার তদন্ত সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। পাশাপাশি আগরতলা বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তনেরও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

[  ‘মানিক সরকারকে শ্রদ্ধা করি’, মুখ্যমন্ত্রী পদে শপথগ্রহণের পর প্রতিক্রিয়া বিপ্লব দেবের ]

Advertisement

দীর্ঘ আড়াই দশকের লাল দুর্গে পতন। ত্রিপুরায় এখন পদ্ম রাজ। গেরুয়া শিবিরের ভরসার পাত্র হয়ে দায়িত্ব সামলাতে এসেছেন বিপ্লব দেব। তরুণ রাজনীতিবিদ। জানেন, এসেই নজর কাড়ার জন্য বেশ কিছু কাজ করতে হবে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের প্রতি মানুষের শ্রদ্ধা হয়তো কমেনি। কিন্তু বাম সরকারের বেশ কিছু কার্যকলাপে অসন্তুষ্ট ছিলেন ত্রিপুরাবাসী। ক্ষোভ ধূমায়িত হয়েছিল। তাকেই সঠিকভাবে ভোটবাক্সে চালনা করেছে পদ্ম শিবির। ফলও মিলেছে হাতেনাতে। এখন সময় এসেছে প্রতিশ্রুতি পূরণ করার। ক্ষমতায় বসেই তাই দুটি সিবিআই তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব। কিছুদিন আগেই খবর সংগ্রহ করতে গিয়ে শিরোনামে উঠে এসেছিলেন দুই সাংবাদিক। শান্তনু ভৌমিক ও সুদীপ দত্ত ভৌমিকের হত্যা প্রশ্নের মুখে ফেলেছিল দেশের গণমাধ্যমের স্বাধীনতাকে। নিহত দুই সাংবাদিকের পরিবারের দাবি ছিল, সিবিআই এ ব্যাপারে তদন্ত করুক। সে চাহিদা পূরণ করেই তদন্তভার সিবিআইয়ের হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিলেন নতুন মুখ্যমন্ত্রী। সেক্ষেত্রে আইনি দিক খতিয়ে দেখার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। প্রথম পদক্ষেপেই কীভাবে মানুষের মন জিতে নিতে হয় তা যে তিনি জানেন, এই পদক্ষেপেই তা প্রমাণ করে দিলেন।

 প্রধানমন্ত্রী হলে নোট বাতিলের ফাইল ফেলে দিতাম, রাহুলের মন্তব্যে ঝড় ]

এখানেই শেষ নয়। আগরতলা বিমানবন্দরের নাম পরিবর্তন নিয়েও সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। এর আগে বাম সরকার বিমানবন্দরটির নাম রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের নামে রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু বাধা দেয় বিজেপি। তাদের দাবি ছিল ত্রিপুরার শেষ রাজার নামে হোক এই বিমানবন্দর। উপজাতি সম্প্রদায়ের কাছে তিনি আইকনও ছিলেন। এবার নির্বাচনে এই উপজাতি সম্প্রদায়ের ভোট জয়ে বড় সহায়ক হয়েছে বিজেপির। এদের সঙ্গে বিচ্ছিন্নতাই মানিক সরকারের পরাজয়ের অন্যতম কারণ। ক্ষমতায় এসে তাই তাঁদের মন রাখতে উদ্যোগী হলেন বিপ্লব। এছাড়া কর্মীদের বেতনবৃদ্ধি নিয়েও উদ্যোগ নিয়েছেন ত্রিপুরার নয়া মুখ্যমন্ত্রী।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.