২২ জ্যৈষ্ঠ  ১৪২৭  শুক্রবার ৫ জুন ২০২০ 

Advertisement

সুকমার জঙ্গলে প্রবল গুলির লড়াই, খতম শীর্ষ মাওবাদী নেতা-সহ ২

Published by: Soumya Mukherjee |    Posted: May 23, 2020 5:37 pm|    Updated: May 23, 2020 5:39 pm

An Images

ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনাতঙ্কের মধ্যেই সুকমার জঙ্গলে প্রবল গুলির লড়াই চলল মাওবাদী ও নিরাপত্তারক্ষীদের মধ্যে। এর ফলে মাওবাদীদের এক শীর্ষ নেতা-সহ দুজন খতম হয়েছে। শনিবার সকালে ঘটনাটি ঘটেছে ছত্তিশগড়ের সুকমা জেলার মানকাপাল গ্রামের কাছে। খতম হওয়া মাওবাদী নেতার নাম গুন্ডাধুর আর অন্যজনের নাম আয়াতু। মালানগির এলাকার এরিয়া কমান্ডারের দায়িত্বে থাকা গুন্ডাধুরের মাথার দাম পাঁচ লক্ষ টাকা ধার্য করেছিল প্রশাসন।

স্থানীয় সূত্রে খবর পেয়ে, শনিবার সকালে বস্তার অঞ্চলের অন্তর্গত সুকমা জেলার জঙ্গলে মাওবাদীদের একটি দল লুকিয়ে রয়েছে বলে জানতে পারে গোয়েন্দারা। এরপর সকাল থেকেই তল্লাশি অভিযান চালাতে শুরু করেন ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ড (DRG)-এর সদস্যরা। তাঁরা যখন মানকাপাল গ্রামের কাছে থাকা জঙ্গলের মধ্যে টহলদারি চালাচ্ছিলেন তখন আচমকা জঙ্গলের মধ্যে থেকে গুলি চালাতে মাওবাদীরা। পালটা জবাব দেন নিরাপত্তারক্ষীরাও। উভয়পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ গুলির লড়াই চলার পর মাওবাদীরা পালিয়ে যায়। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুই মাওবাদীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়। গুন্ডাধুরের পাশাপাশি খতম হওয়া আয়াতু স্থানীয় মাওবাদী নেতা বিনোদের দেহরক্ষী ছিল।

[আরও পড়ুন: জুনের মাঝামাঝি শুরু হতে পারে আন্তর্জাতিক উড়ান, ইঙ্গিত দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী]

এপ্রসঙ্গে ছত্তিশগড়ের ডিজিপি ডিএম অবস্তি বলেন, দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট নাগাদ মানকাপাল গ্রামের কাছে এনকাউন্টারটি হয়। ডিস্ট্রিক্ট রিজার্ভ গার্ডের সদস্যরা টহলদারি চালানোর সময় আচমকা গুলি চালাতে শুরু করে মাওবাদীরা। কিছুক্ষণ বাদে রণে ভঙ্গ দিয়ে জঙ্গলের মধ্যে লুকিয়ে পড়ে। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুই মাওবাদীর মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

[আরও পড়ুন:তেলেঙ্গানার পরিত্যক্ত কুয়ো থেকে উদ্ধার ছয় বাঙালি-সহ ৯ জন পরিযায়ী শ্রমিকের মৃতদেহ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement