সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে করোনা পরিস্থিতি ভয়াবহ। দেশের মধ্যে সবচেয়ে বেশি আক্রান্ত ও মৃত্যু এই রাজ্যেই। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন কেন্দ্র। চিন্তায় কপালে ভাঁজ পড়েছিল মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেরও। কিন্তু তার চেয়েও বড় চিন্তা ছিল তাঁর মুখ্যমন্ত্রী পদ। কিন্তু করোনা আবহে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেললেন বালাসাহেব ঠাকরের ছেলে। বৃহস্পতিবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় মহারাষ্ট্র বিধান পরিষদে নির্বাচিত হলেন শিব সেনা প্রধান। তাঁর সঙ্গে আরও আটজন বিধান পরিষদে জয়ী হলেন।
উদ্ধব ছাড়াও নির্বাচিতদের তালিকায় রয়েছেন পরিষদের ডেপুটি চেয়ারপারসন নীলম গোরহে (শিব সেনা), বিজেপির চারজন রনজিতসিন মোহিত পাটিল, গোপীচাঁদ পাড়লকর, প্রবীণ ডাটকে, রমেশ কারাড়, এনসিপির শশীকান্ত শিণ্ডে, আমোল মিতকারী এবং কংগ্রেসের রাজেশ রাঠোড়। বিধান পরিষদের নটি খালি আসনে এদিন তাঁরা নির্বাচিত হন। এদিন দুপুর তিনটে পর্যন্ত মনোনয়ন প্রত্যাহারের সময়সীমা ছিল। তারপরেই নজনকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী ঘোষণা করা হয়। এবার আর মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সি নিয়ে দুশ্চিন্তা রইল না উদ্ধবের।
[আরও পড়ুন: সীমান্ত সুরক্ষায় প্রভাব ফেলবে না করোনা, সংঘাতের পরিস্থিতিতে আশ্বাস সেনপ্রধানের]
প্রসঙ্গত, শিব সেনা প্রধান উদ্ধব ঠাকরে বিধানসভা নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেননি। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে হলে তাঁকে হয় বিধানসভা উপনির্বাচনে জিতে আসতে হবে অথবা বিধান পরিষদের সদস্য হতে হবে। গত নভেম্বরের ২৮ তারিখ মুখ্যমন্ত্রী পদে বসেন উদ্ধব। চলতি মাসের ২৭ তারিখের মধ্যে বিধান পরিষদের সদস্য না হতে পারলে তাঁর মুখ্যমন্ত্রী পদ অনিশ্চিত হয়ে পড়ত। করোনা ডামাডোলের মধ্যে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী পদ খোয়াতে হয় তাহলে সমস্যার পরিসীমা থাকত না মহারাষ্ট্রে। বিধান পরিষদে এদিন বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়ে চিন্তামুক্ত হলেন মুখ্যমন্ত্রী।
[আরও পড়ুন: ‘ইদে শর্তসাপেক্ষে জমায়েতের অনুমতি দিন’, কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি কংগ্রেস নেতার]
সর্বশেষ খবর
-
দাউদাউ আগুনে জ্বলে উঠল বৃদ্ধাশ্রম, মৃত্যু ১১ জনের!
-
‘বন্ধ হওয়া সিঙ্গল স্ক্রিনগুলি খুলুক’, বাংলা সিনেমার স্বার্থে বিজেপি সরকারকে আর্জি যিশুর
-
কলকাতা বন্দরে দেশবিরোধীদের মদত তৃণমূল মাফিয়াদের! গোয়েন্দা নজরদারির পথে রাজ্য সরকার
-
পুরনো ফোন বিক্রি করলে তথ্য বেহাত হবে না তো? এই সহজ পদ্ধতিতে থাকুন নিরাপদ
-
পরিবহণ বিপ্লব শুভেন্দুর, কলকাতায় প্রথম ওয়াটার মেট্রো, সাগরমালায় জুড়ল বাংলা