Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
পকসো আইন

শিশুদের যৌন নির্যাতনে মৃত্যুদণ্ড, আইনি সংশোধনের পথে কেন্দ্র

বুধবার পকসো আইনে সংশোধনী বিলকে মঞ্জুরি দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৯, ১৭:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৯, ১৭:২৭

options
link
শিশুদের যৌন নির্যাতনে মৃত্যুদণ্ড, আইনি সংশোধনের পথে কেন্দ্র zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শিশুদের যৌন নির্যাতন রুখতে কড়া পদক্ষেপ করল কেন্দ্র সরকার। বুধবার পকসো আইনে সংশোধনী বিলকে মঞ্জুরি দিল কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা। বিলটি পাশ হলে শিশু নির্যাতনে সর্বোচ্চ সাজা হবে মৃত্যুদণ্ড।

[আরও পড়ুন: রেলের বেসরকারিকরণের কোনও প্রস্তাব নেই, জল্পনা ওড়ালেন পীযূষ গোয়েল]

Advertisement

চলতি বছরের শুরুতেই ‘প্রটেকশন অফ চিলড্রেন ফ্রম সেক্সুয়াল অফেন্সেস (অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল, ২০১৯ বা পকসো সংশোধনী বিল, লোকসভায় পেশ করে প্রথম মোদি সরকার। তবে বিরোধীদের আপত্তিতে সেবার পাশ করানো যায়নি বিলটি। তাই বিপুল জনমত নিয়ে ক্ষমতায় আসার পর ফের বিলটি পাশ করাতে উদ্যোগী হয়েছে সরকার। এদিন দীর্ঘ আলোচনার পর কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভা বিলটিকে মঞ্জুরি দেয়। চলতি লোকসভা অধিবেশনেই বিলটি পেশ করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের বলে জানা গিয়েছে। যদিও ফের আপত্তি তুলবে বিরোধীরা বলেই মনে করছেন রাজনীতিবিদরা। বর্তমানের পকসো আইনে সর্বোচ্চ সাজা হচ্ছে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড। এবার এই আইন সংশোধন করে সর্বোচ্চ সাজা মৃত্যুদণ্ড করতে চাইছে কেন্দ্র।

উল্লেখ্য, বিরোধীদের একপ্রকার ধুলিসাৎ করে ক্ষমতায় ফিরেছে মোদি সরকার। ফলে আপাতত তিন তালাক-সহ একাধিক বিতর্কিত বিল পাশ করাতে উদ্যোগী হয়ছে সরকার। ভোটের মওয়্দানে হেরে বিরোধীরাও প্রায় ছত্রভঙ্গ। তবে রাজ্যসভাই এখনও সংখ্যাগরিষ্ঠ নয় বিজেপি। আগামী বছর বা ২০২০-র মধ্যে রাজ্যসভায় সংখ্যাগরিষ্ঠ দল হয়ে ওঠার সম্ভাবনা রয়েছে মোদি সরকারের। প্রসঙ্গত, সোমবার ডিএনএ টেকনোলজি, ইউএপিএ সংশোধনী-সহ কিছুটা নজিরবিহীনভাবে লোকসভায় প্রায় ৮টি বিল পেশ করে সরকার। আর অধিকাংশ বিলেরই বিরোধিতায় সরব হয় বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি। বিরোধীদের অভিযোগ, আইনের মাধ্যমে আমজনতার উপর নজরদারি চালাতে চাইছে সরকার। পাশাপাশি ‘বিরোধী স্বর’ চাপা দেওয়াই সরকারের উদ্দেশ্য বলেও অভিযোগ করেন বিরোধীরা। যদিও সরকারের দাবি, জাতীয় নিরাপত্তা ও সন্ত্রাসদমনের জন্যই বিলগুলি আনা হয়েছে।             

[আরও পড়ুন: ফের চমক অধীরের, পেতে পারেন লোকসভার আরও গুরুত্বপূর্ণ পদ]

 

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.