Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Delhi murder

দিল্লি হত্যাকাণ্ডে আফতাব নয়, ‘দোষী’ শ্রদ্ধাই! কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবিতে তুঙ্গে বিতর্ক

'প্রধানমন্ত্রী উচিত ওঁকে বহিষ্কার করা', দাবি বিরোধীদের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০২২, ২০:১৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ১৭, ২০২২, ২০:১৭

options
link
দিল্লি হত্যাকাণ্ডে আফতাব নয়, ‘দোষী’ শ্রদ্ধাই! কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর দাবিতে তুঙ্গে বিতর্ক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শ্রদ্ধা ওয়াকারকে ((Shraddha Walkar)) শ্বাসরোধ করে খুনের পর তাঁর দেহ ৩৫ টুকরো করেছিল লিভ-ইন পার্টনার আফতাব (Aftab Amin Poonawala)। এই ঘটনায় স্তম্ভিত দেশ। কিন্তু কেন্দ্রীয় মন্ত্রী কৌশল কিশোরের গলায় একেবারেই উলটো সুর। তাঁর দাবি, এই ঘটনার জন্য আসলে দায়ী শ্রদ্ধাই! স্বাভাবিক ভাবেই বিজেপি নেতার এহেন মন্তব্য ঘিরে তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিরোধীদের দাবি, প্রধানমন্ত্রীর মুখে যে নারীশক্তির জয়গান শোনা যায় তা যদি সত্যি হয় তাহলে তাঁর উচিত অবিলম্বে ওই মন্ত্রীকে বহিষ্কার করা।

ঠিক কী বলেছেন কিশোর? এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেছেন, ”অবশ্যই মেয়েটি দায়ী এই ঘটনার জন্য। ওঁর মা আপত্তি করেছিলেন। বাবা আপত্তি করেছিলেন। একজন শিক্ষিত মেয়ে নিজের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এটা ভুল। যদি সত্য়িই কেউ কাউকে ভালবাসে, তাহলে তাঁদের বিয়ে করে নেওয়া উচিত। বিয়েটা করো। লিভ-ইন আবার কী? এই সবের জন্য়ই সমাজে অপরাধ বাড়ছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: বাড়িতে পোষা যাবে না এই ১১ প্রজাতির কুকুর, জারি নিষেধাজ্ঞা ]

তাঁর এহেন মন্তব্যের তীব্র প্রতিবাদ করেছেন শিব সেনা নেত্রী ও রাজ্যসভার সদস্য প্রিয়াঙ্কা চতুর্বেদী। তিনি এই মন্তব্যকে ”নির্লজ্জ, হৃদয়হীন ও নিষ্ঠুর” বলে তোপ দেগেছেন। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছে, ”তাও ভাল উনি বলেননি এদেশে জন্মানোর জন্য়ই মেয়েরা দায়ী। যদি নরেন্দ্র মোদি সত্য়িই মন থেকে নারীশক্তির জয়গান করে থাকেন, তাহলে ওঁর উচিত অবিলম্বে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে বহিষ্কার করা।”

উল্লেখ্য, শ্রদ্ধা ওয়াকারের মৃত্যুর ঘটনায় স্তম্ভিত দেশ। তাঁর দেহ দিল্লি শহরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়েছিল প্রেমিক আফতাব। ১৮ দিন ধরে এই কাজ করে। শ্রদ্ধার ‘অপরাধ’ ছিল প্রেমিককে বিয়ের জন্য চাপ দেওয়া। অথচ আফতাবকে ভালবেসে পরিবার, চাকরি, শহর ছেড়ে চলে আসেন দিল্লিতে। দু’জনের আলাপ হয়েছিল কল সেন্টারের চাকরি সূত্রে। যদিও বিধর্মীর প্রেমে পড়া পছন্দ ছিল না শ্রদ্ধার পরিবারের। এমন অবস্থায় লিভ-ইন করার সিদ্ধান্ত নেন শ্রদ্ধা-আফতাব। তাঁরা দিল্লির মেহেরৌলিতে ফ্ল্যাট ভাড়া করে থাকছিলেন।

[আরও পড়ুন: ‘ব্রিটিশদের সাহায্য করেছিলেন সাভারকর’, মন্তব্য রাহুলের, FIR আরএসএস প্রতিষ্ঠাতার নাতির]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.