সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মুসলিমরা কখনও সহনশীল হন না, সহনশীলতার মুখোশ পরে থাকেন। যাতে করে জনজীবনে টিকে থাকতে পারেন। যাতে করে রাজ্যপাল, উপরাষ্ট্রপতির মতো পদে পৌঁছানো যায়। যেই ওই পদ থেকে অবসর নেন, ওমনি মুখোশ খুলে যায় তাঁদের। সোমবার রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) এক জনসভায় এমনই বিতর্কিত মন্তব্য করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সত্য পাল সিং বাঘেল (Satya Pal Singh Baghel)। তিনি আরও দাবি করেন, হিন্দুরাষ্ট্রের কাঠামোই ভারতীয় রাষ্ট্রের মূল কাঠামো।
সোমবার মহারাষ্ট্র সদনে আরএসএসের জনসভায় কেন্দ্রের আইন মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী বাঘেল বলেন, “সহনশীল মুসলিমের সংখ্যা হাতে গোনা। সংখ্যাটা হাজার খানেকও হবে না। সেটাও জনজীবনে টিকে থাকার ভান। যাতে করে রাজ্যপাল, উপরাষ্ট্রপতি, উপাচার্য ইত্যাদি পদে পৌঁছানো যায়। অবসর নেওয়ার পরেই এরা অন্য রূপ ধারণ করেন এবং মনের কথা বলতে শুরু করেন।” কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা গেরুয়া নেতার সাফ কথা, এদেশের মুসলিম শাসকরা কখনই মনেপ্রাণে ভারতীয় হয়ে উঠতে পারেননি। বাঘেল বলেন, “আমি লোহিয়াজির (রাম মনোহর) সঙ্গে একমত নই। ঘোরির মতো মুসলিম শাসকরা লুটেরা আর আকবর, দারাশুকো, রাজিয়া সুলতানা ছিলেন আমাদের পূর্বপুরুষ, এমনটা নয়। শরিয়ত আইন মেনেই শাসন চালাতেন দিল্লির শাসকরা।
[আরও পড়ুন: মমতার পর এবার নবীন পট্টনায়েকের দ্বারস্থ নীতীশ কুমার, দ্রুত দিল্লিতে মহাজোটের বৈঠক!]
সর্বশেষ খবর
-
চ্যাটে-কলে প্রেম জমে ক্ষীর, সামনাসামনি আসতেই ভাটা পড়ছে কথায়, কেন এমনটা হয় জানেন?
-
চারদিকে গঙ্গার স্রোত, ভূতনিতে বাড়ির ছাদে আশ্রয় বন্যা দুর্গতদের, ত্রাণ নিয়ে ঘুরছেন আধিকারিকরা
-
৯/১১-র দিন ইউএস ক্যাপিটলেও আছড়ে পড়ত বিমান! লাদেনের সঙ্গীদের রুখে দিয়েছিল আমজনতাই
-
নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে ‘শান্তি’তেই আস্থা বামেদের! রেজিনগরে প্রার্থী ঘোষণায় চরমে সিপিএম-আরএসপি কোন্দল
-
গণেশ পুজোয় তুলসী অর্পণ করলে রুষ্ট হন দেবতা! নেপথ্যে কোন পুরাণ কাহিনি?