Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
বিজেপি

স্কুলের মধ্যেই সদস্যতা অভিযান! পড়ুয়াদের গলায় দলীয় উত্তরীয় পরালেন বিজেপি বিধায়ক

কোটা পূরণের তাগিদ! বিতর্কে যোগীর রাজ্যের বিধায়ক।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০১৯, ১৫:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৯, ২০১৯, ১৫:০৭

options
link
স্কুলের মধ্যেই সদস্যতা অভিযান! পড়ুয়াদের গলায় দলীয় উত্তরীয় পরালেন বিজেপি বিধায়ক zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিজেপির সদস্য সংগ্রহ অভিযান চলছে। দলীয় নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি সাংসদ এবং বিধায়কদের কোটা বেঁধে দিয়েছেন সর্বভারতীয় সভাপতি! কিন্তু, দেশের কাজ করার পর তাঁদের হাতে সময় কোথায়! তাই কেউ কেউ নিজের আত্মীয় ও বন্ধুদের দিয়ে ফর্ম পূরণ করিয়ে জমা করছেন। দলের কাছে নিজের দক্ষতার পরিচয় দিচ্ছেন! কেউ আবার নিচ্ছেন অন্য কোনও পথ। কিন্তু, এরই মাঝে স্কুল পড়ুয়াদের বিজেপির সদস্য বানিয়ে বিতর্ক তৈরি করলেন উত্তরপ্রদেশের এক বিজেপি বিধায়ক। চান্দৌলি জেলার সৈয়দ রাজা বিধানসভা কেন্দ্রের ওই বিধায়কের নাম সুশীল সিং। এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর, যাদের ভোট দেওয়ার বয়স হয়নি তাদের রাজনৈতিক দলের সদস্য বানানোর মানে কী? সেই প্রশ্নই উঠছে।

[আরও পড়ুন- বাবরি ধ্বংস মামলায় ৯ মাসের মধ্যেই ভাগ্য নির্ধারণ আডবানী-উমার ]

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, মাফিয়া ডন থেকে উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে মৌরসিপাট্টা জমানো ব্রিজেশ সিং-র ভাইপো সুশীল সিং বাহুবলী নেতা হিসেবেই খ্যাত! তাঁর নির্দেশে এলাকার বাঘ-গরুও নাকি একঘাটে জল খায়! এমনিতে এলাকার মানুষ বিধায়কের দেখা না পেলেও গত ৬ তারিখ থেকে সৈয়দ রাজা বিধানসভা এলাকায় যাতায়াত বেড়েছে তাঁর। কারণ, বিধানসভাপিছু সদস্য সংগ্রহের কোটা। যা পূরণ করতেই হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে দল। আর তাই গত মঙ্গলবার একটি স্কুলে গিয়ে ছোট ছোট পড়ুয়াদের বিজেপির সদস্য বানান তিনি। ক্লাস বন্ধ করিয়ে পড়ুয়াদের গলায় পদ্মফুলের প্রতীক লাগানো ‘অঙ্গবস্ত্রম’ ঝুলিয়ে রাজনৈতিক মতাদর্শের পাঠ দেন। বিজেপিতে যোগদানের জন্য সবাইকে অভিনন্দনও জানান।

Advertisement

কিন্তু, এই ঘটনার ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পরে বিতর্ক শুরু হয়েছে যোগীরাজ্যে। বিরোধীদের পাশাপাশি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন সমাজের বিশিষ্ট ব্যক্তিরাও। নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক বিজেপির এক নেতা ব্যঙ্গ করে বলছেন, “আসলে এটাই সদস্য কোটা পূরণ করার সবচেয়ে ভাল উপায়। এবার মনে হয়, অন্য নেতারা কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়গুলিতে গিয়ে সদস্য সংগ্রহ অভিযানে নামবেন।”

[আরও পড়ুন- কুলভূষণ মামলায় পাকিস্তান আইসিজে-র রায় অমান্য করলে কী করবে ভারত?]

এপ্রসঙ্গে ওই স্কুলের কিছু পড়ুয়া বলে, “আমাদের স্কুলের কোনও লাইব্রেরি নেই। গত মঙ্গলবার স্থানীয় বিধায়ক আমাদের স্কুলে গিয়ে একঘণ্টা ছিলেন। এরপর স্কুলের প্রধান শিক্ষক জানান, বিধায়ক আমাদের স্কুলে একটি লাইব্রেরি তৈরি করে দেবেন। তাই আমরা সবাই বিজেপির সদস্য হয়েছি।” স্কুলের এক শিক্ষক জানান, “সুশীল সিং এই এলাকার বাহুবলী নেতা। তাঁর নির্দেশ অমান্য করার সাহস এখানেও কেউ দেখাতে পারে না। তাই স্কুলের শিশুরা ছোট না বড় সেটা কোনও বিষয়ই নয়।”

যদিও এই ঘটনার কথা প্রকাশ্যে আসার পরে ব্যবস্থা নিয়ে যোগী প্রশাসন। চান্দৌলির জেলাশাসক নভনীত সিং চাহাল এই ঘটনার রিপোর্ট চেয়েছেন জেলা শিক্ষা দপ্তরের কাছে। বিজেপির তরফেও ঘটনাটির সত্যতা প্রমাণ হলে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। জেলা সভাপতি সর্বেশ কুশওয়া জানান, দলের সমস্ত নেতা-কর্মীদের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের বাইরে সদস্য সংগ্রহ অভিযান করতে বলা হয়েছে। তাই সুশীল সিংয়ের এই আচরণ কখনওই মেনে নেওয়া যায় না। আগামী ২০ জুলাই জেলা কমিটির বৈঠকে এই বিষয় নিয়ে আলোচনা হবে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.