Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ১৩ আগস্ট ২০২৬

‘মোগলি গার্ল’ তাঁদেরই মেয়ে, DNA টেস্টের দাবি এই দম্পতির

জমে উঠেছিল নানা জল্পনা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০১৯, ১২:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৮, ২০১৯, ১২:২৭

options
link
‘মোগলি গার্ল’ তাঁদেরই মেয়ে, DNA টেস্টের দাবি এই দম্পতির zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কয়েকদিন আগেই সংবাদের শিরোনাম দখল করে আবির্ভাব হয়েছিল মোগলি গার্লের। বাঁদরের সঙ্গে বেড়ে উঠা ওই মেয়েটিকে নিয়ে জমে উঠেছিল নানা জল্পনা। এবার সেই মোগলি গার্লকে তাঁদের মেয়ে বলে দাবি করল উত্তরপ্রদেশের এক দম্পতি। লখিমপুর খেরি জেলার বাসিন্দা রাম আধার ও মাখানা দেবী নামের ওই দম্পতির দাবি মোগলি গার্ল আসলে তাঁদের হারিয়ে যাওয়া মেয়ে ‘লক্ষী’।

[আপনার লেবু জলের গেলাসে টুকরো বরফখানা মর্গ থেকে আনা নয়তো!]

Advertisement

জানা গিয়েছে, হারিয়ে যাওয়া মেয়েকে ফিরে পেতে বৃহস্পতিবার সিংহাই থানায় একটি আবেদন জমা করেছেন তাঁরা। ওই দম্পতির দাবি ২০১২ সালের ২৫ নভেম্বর থেকে খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না লক্ষীর। নিজের দাবির সমর্থনে ওই দম্পতি বলেছেন, প্রয়োজনে ডিএনএ টেস্ট করাতেও রাজি আছেন তাঁরা।

উত্তরপ্রদেশের বাহরাইচ নামের জায়গায় একটি বানরের দলের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছিল ৮ বছরের ওই মেয়েটিকে। কাতারনিয়াঘাট অভয়ারণ্যের মোতিপুর রেঞ্জে বানরের দলের সঙ্গে শিশুটিকে দেখেতে পেয়েছিলেন সাব-ইন্সপেক্টর সুরেশ যাদব। অত্যন্ত সাবলীল ভাবে বানরদের সঙ্গে তাদেরই মতো খেলা করছিল সে। হেঁটে বেড়াচ্ছিল ঠিক বানরদের মতোই। হতভম্ব ভাব কাটিয়ে উঠে শিশুটিকে উদ্ধারের চেষ্টা করেন তিনি। তবে এই কাজে প্রবল বাধা দেয় বানরের দলটি। শিশুটিও প্রবল চেঁচামেচি জুড়ে দেয়। বানরের মতই আঁচড়ে কামড়ে দেওয়ার চেষ্টা করে সে। কিছুতেই তার বানর বন্ধুদের ছেড়ে আসতে চাইছিল না ওই বালিকা। অবশেষে বহু চেষ্টার পর শিশুটিকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছিলেন ওই পুলিশকর্মী।

[যুদ্ধের জন্য লাল ফৌজকে তৈরি হওয়ার নির্দেশ চিনা প্রেসিডেন্টের]

উদ্ধারের পর ওই শিশুটিকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। ডাক্তাররা জানিয়েছিলেন, মানুষের ভাষা বুঝতে পারছিল না শিশুটি। বানরের দলে পালিত ওই শিশুটি দু’পায়ে না হেটে বানরদের মতোই হাতে ভর দিয়ে হাঁটা চলা করছিল। মানুষ দেখলেই ভয়ে আঁতকে উঠছে সে। মাঝে মাঝেই হিংস্র হয়ে উঠছিল ওই শিশুটি। অবশেষে বেশ কিছুটা স্বাভাবিক হয়ে উঠার পর শিশুটিকে একটি হোমে পাঠানো হয়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.