BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  শুক্রবার ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘বিকাশ দুবের এনকাউন্টার ভুয়ো নয়’, সুপ্রিম কোর্টে দাবি উত্তরপ্রদেশের পুলিশের

Published by: Paramita Paul |    Posted: July 17, 2020 5:27 pm|    Updated: July 17, 2020 5:33 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভুয়ো এনকাউন্টারে বিকাশ দুবেকে (Vikash Dubey) মারা হয়নি। সু্প্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনে ও আইন মেনে প্রশাসন কাজ করেছে। শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে এফিডেভিট জমা দিয়ে এমনটাই জানাল উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradesh) পুলিশের ডিজি। যোগীর রাজ্যের পুলিশের দাবি, “বিকাশ দুবের এনকাউন্টারের সঙ্গে তেলেঙ্গানার চার ধর্ষকের হত্যাকে এক করে দেখা ঠিক নয়।” তাঁদের যুক্তি, তেলেঙ্গানা প্রশাসন তো এনকাউন্টারের (Encounter) তদন্ত করতে কমিশন বসায়নি, কিন্তু উত্তরপ্রদেশ সরকার বিশেষ কমিটি গঠন করেছে।

৬৪টি মামলার আসামীকে ধরতে গিয়ে গুলিতে ঝাঁজরা হয়ে গিয়েছিল যোগী রাজ্যের আট পুলিশ কর্মী। এরপর থেকে হন্যে হয়ে তাকে খুঁজছিল পুলিশ। শেষপর্যন্ত মধ্যপ্রদেশের উজ্জয়িনীর মহাকাল মন্দির থেকে গ্রেপ্তার হয় ডন বিকাশ দুবে (Vikash Dubey) । কিন্ত কানপুর এসে পৌঁছয়নি সে। তার আগেই পুলিশের গাড়ির দুর্ঘটনার সুয়োগ নিয়ে পালানোর চেষ্টা করে বিকাশ (Vikash Dubey)। আটকাতে গেলে পুলিশ কর্মীদের লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়তে থাকে সে। পুলিশের ছোঁড়া পালটা পালটা গুলিতে বিকাশ দুবে (Vikash Dubey) খতম হয়। কিন্তু তার এনকাউন্টার নিয়ে বিরোধীদের তোপের মুখে পড়ে যোগী সরকার। সিবিআই বা এনআইএকে এই এনকাউন্টারের তদন্তভার দেওযার দাবিতে সুপ্রিম কোর্টে মামলা হয়। সেই মামলার শুনানি ছিল শুক্রবার। সোমবার ফের শীর্ষ আদালতে এই মামলার শুনানি হবে।

[আরও পড়ুন : নেই পানীয় জল-খাবার, রাস্তায় বিক্ষোভ কোভিড রোগীদের, অসমের মন্ত্রী বললেন, ‘বাড়িতে থাকুন’]

সুপ্রিম কোর্টে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ একটি এফিডেভিট জমা করেন। তাতে বলা হয়েছে, এনকাউন্টার (Encounter) মোটেও ভুয়ো নয়। আইন ও সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ মেনেই রাজ্য প্রশাসন কাজ করেছে। একই সঙ্গে গোটা ঘটনার তদন্তের জন্য এক সদস্যের কমিশন ও বিশেষ তদন্তদল গঠনের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে ওই এফিডেভিটে। উত্তরপ্রদেশ পুলিশের ডিজির দাবি, তেলেঙ্গানার চার অভিযু্ক কুখ্যাত দুষ্কৃতী ছিল না। কিন্তু বিকাশের বিরুদ্ধে ৬৪টি মামলা ছিল।

সেই কুখ্যাত দুষ্কৃতীর হাতে হাতকড়া না থাকা ঘিরেও প্রশ্ন উঠছিল। এদিন জমা দেওয়া এফিডেভিটে পুলিশ দাবি করেছে, সেখানে ১৫ জন পুলিশ কর্মী মজুত ছিলেন, পাশাপাশি তিনটি গাড়ির কনভয় বিকাশকে নিয়ে উত্তরপ্রদেশ যাচ্ছিল। একইসঙ্গে সংবাদমাধ্যমের গাড়ি আটকে দেওয়ার কথা উড়িয়ে দেওয়া হয়েছে ওই এফিডেভিটে। প্রসঙ্গত, তেলেঙ্গানায় এক মহিলা চিকিৎসককে ধর্ষণের অভিযোগ চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ঘটনার পুনর্ণির্মাণের সময় অভিযুক্তরা পালানোর চেষ্টা করায় এনকাউন্টার করা হয়। সেসময়ও তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছিল।

[আরও পড়ুন : আমেরিকার পরই বিশ্বে দ্বিতীয় সর্বাধিক কোভিড টেস্ট হয়েছে ভারতে, দাবি হোয়াইট হাউসের]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement