Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

বাড়ছে পদত্যাগের সম্ভাবনা! JNU’র উপাচার্যকে জরুরি তলব মানবসম্পদ মন্ত্রকের

উপাচার্যের পদত্যাগের আগে কথা বলতে রাজি নন বিক্ষোভকারী পড়ুয়ারা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২০, ১১:২৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২০, ১১:২৭

options
link
বাড়ছে পদত্যাগের সম্ভাবনা! JNU’র উপাচার্যকে জরুরি তলব মানবসম্পদ মন্ত্রকের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জেএনইউতে মুখোশধারীদের তাণ্ডবের জেরে দেশজুড়ে বিতর্ক হচ্ছে। গতকাল বিকেলেই রাষ্ট্রপতি অভিযান করতে গিয়েছিলেন বিক্ষোভকারী পড়ুয়ারা। সেসময় তাঁদের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় পুলিশের। কোনওভাবেই রাষ্ট্রপতির কাছে যেতে দেওয়া হয়নি পড়ুয়াদের। উভয়পক্ষের গন্ডগোলের সময় এক মহিলা ছাত্রী একজন পুলিশ আধিকারিকের হাত কামড়ে দেন বলেও অভিযোগ ওঠে। এরপরই শুক্রবার সকালে জওহরলাল নেহরু বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম জগদীশ কুমারকে তলব করল কেন্দ্রীয় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক। আজ সকাল সাড়ে ১১টা নাগাদ তাঁকে মন্ত্রকের সচিব অমিত খারের সঙ্গে দেখা করতে বলা হয়েছে। এরপরই অমিত খারে বিক্ষোভকারী পড়ুয়াদের সঙ্গে কথা বলবেন জানা গিয়েছে।

গতকাল JNU ছাত্র সংসদের সভাপতি ঐশী ঘোষের নেতৃত্বে প্রথমে দিল্লির মান্ডি হাউস থেকে মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রকের অফিস পর্যন্ত মিছিল করেন পড়ুয়ারা। তারপর মন্ত্রকের আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা তাঁদের একটি প্রতিনিধি দল। উভয়পক্ষের বৈঠক শেষে ঐশী ঘোষ বলেন, ‘যতক্ষণ পর্যন্ত না উপাচার্যকে সরানো হচ্ছে ততক্ষণ পর্যন্ত কোনও আলোচনায় অংশ নেব না আমরা। ‘ এরপরই রাষ্ট্রপতি ভবনের উদ্দেশে মিছিল করে যান তাঁরা। কিন্তু, মাঝপথেই তাঁদের রাস্তা আটকায় পুলিশ। কোনওভাবেই তাঁদের রাষ্ট্রপতি ভবন পর্যন্ত যেতে দেওয়া হবে না বলে জানায়। বেশ কিছুক্ষণ ধরে এই নিয়ে বচসা ও ধস্তাধস্তি চলার পর ফিরে যান পড়ুয়ারা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: কাশ্মীরে আন্তর্জাতিক প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মধ‌্যাহ্নভোজ, ৯ নেতাকে বহিষ্কার করল পিডিপি ]

 

অন্যদিকে ঠিক এই সময়ই টুইট করে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের পদত্যাগ করা উচিত বলে উল্লেখ করেন বর্ষীয়ান বিজেপি নেতা মুরলী মনোহর যোশী। তিনি বলেন, ‘ফি বৃদ্ধি নিয়ে গন্ডগোলের সময় মানবসম্পদ উন্নয়ন মন্ত্রক দু’বার উপাচার্যকে বর্ধিত ফি সংক্রান্ত সমস্যা সমাধানের জন্য কার্যকরী উপায় বের করতে বলেছিলেন। পড়ুয়া এবং অধ্যাপকদের সঙ্গে আলোচনার পরামর্শ দিয়েছিল বলে রিপোর্ট পাচ্ছি। কিন্তু, তিনি নাকি তা মানেননি। এই বিষয়ে একগুঁয়ে মনোভাবের পরিচয় দিয়েছিলেন। এই আচরণ খুবই দুঃখজনক। তাই ওঁনাকে আর উপাচার্যের পদে না রাখাই উচিত।’

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.