Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩২ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১৮ আগস্ট ২০২৬
Zomato

Zomato ডেলিভারি বয়কে বেধড়ক মারধর ট্র্যাফিক পুলিশকর্মীর! ভিডিও ভাইরাল

পথচারীদের অনুরোধেও মার থামাননি ওই পুলিশকর্মী।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২২, ১৩:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ৬, ২০২২, ১৩:৪৮

options
link
Zomato ডেলিভারি বয়কে বেধড়ক মারধর ট্র্যাফিক পুলিশকর্মীর! ভিডিও ভাইরাল zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অভিযোগ গাড়ির কাগজপত্র নাকি যথাযথ নয়। আর সেই ‘অপরাধে’ এক জোমাটো (Zomato) ডেলিভারি বয়কে অকথ্য মারধর করার অভিযোগ উঠল তামিলনাড়ুর (Tamil Nadu) এক ট্র্যাফিক পুলিশকর্মীর বিরুদ্ধে। যদিও পুলিশের অভিযোগ, ওই ডেলিভারি বয় নাকি ছুরি হাতে আক্রমণ করতে যাচ্ছিলেন। ঘটনার ভিডিও ভাইরাল (Viral video) হয়ে গিয়েছে। তাতে দেখা গিয়েছে ওই ট্র্যাফিক পুলিশকর্মী বেধড়ক মারধর করছেন ডেলিভারি বয়টিকে। তাঁকে গ্রেপ্তার না করে কেন ওইভাবে মারধর করলেন পুলিশকর্মী, সেই প্রশ্ন তুলে ক্ষোভ উগরে দিয়েছে নেটিজেন।

ঠিক কী হয়েছিল? তামিলনাড়ুর বিরুধুনগর জেলার শ্রীভিল্লিপুথুরে ভেঙ্কটেশ নামের ওই ডেলিভারি বয়ের সঙ্গে রাস্তায় বচসা শুরু হয় ধরমরাজ নামের ট্র্যাফিক সাব ইন্সপেক্টরের। গণ্ডগোল ক্রমেই এমন চরম অবস্থায় পৌঁছয়, চারপাশে ভিড় জমে যায়। পুলিশ ভেঙ্কটেশের বিরুদ্ধে ২৯৪ (বি), ৩৫৩, ৩০৭ ও ৫০৬(২)-এর মতো একাধিক ধারায় অভিযোগ দায়ের করেছে। তারা জানিয়েছে, ভেঙ্কটেশ একটি ছুরি বের করে ধরমরাজকে হুমকি দিচ্ছিলেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: মোদির নিরাপত্তায় গাফিলতির অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টে মামলা, শুনানি শুক্রবারই]

 

কিন্তু কেন বচসা শুরু হল? জানা যাচ্ছে, বচসা শুরু হয় পুলিশ ভেঙ্কটেশকে ৬০০ টাকা জরিমানা করলেন। অভিযোগ, ভেঙ্কটেশের বাইকের কাগজপত্র যথাযথ ছিল না। কিন্তু ভেঙ্কটেশ সেই টাকা দিতে রাজি তো হনইনি, উপরন‌্তু ছুরি বের করে শাসাতে থাকেন। এরপরই তাঁকে মারতে শুরু করেন ধরমরাজ। আশপাশের পথচারীরা তাঁকে নিরস্ত করার চেষ্টাও করেন। কিন্তু ভ্রূক্ষেপ ছিল ওই পুলিশকর্মী। তিনি লাগাতার মারধর চালিয়ে যান।

শেষ পর্যন্ত অন্য কয়েকজন পুলিশকর্মীর কাকুতি মিনতিতে ধরমরাজ ক্ষান্ত দেন। থানায় নিয়ে যাওয়া হয় ভেঙ্কটেশকে। ঘটনার ভিডিও ভাইরাল হয়ে গিয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, পুলিশ কি এভাবে আইন হাতে তুলে নিতে পারে? যদি ভেঙ্কটেশ অপরাধ করে থাকেন, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে আইনত পদক্ষেপ তো নেওয়াই যায়। সেক্ষেত্রে আদালত তাঁকে শাস্তি দেবে। কিন্তু ট্র্যাফিক পুলিশ অফিসারের এভাবে ‘হাতের সুখ’ করে নেওয়াটা কোন আইনে লেখা রয়েছে, প্রশ্ন নেটিজেনদের।

[আরও পড়ুন; বিক্ষোভের খবর থাকলেও ব্যবস্থা নেয়নি পাঞ্জাব পুলিশ, মোদির নিরাপত্তা নিয়ে দাবি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.