BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  সোমবার ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘দিল্লিতে হিংসার পিছনে রয়েছে গভীর ষড়যন্ত্র’, সংসদে অবশেষে মুখ খুললেন অমিত শাহ

Published by: Subhamay Mandal |    Posted: March 11, 2020 7:22 pm|    Updated: March 11, 2020 7:22 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হোলির পরই দিল্লির হিংসা নিয়ে সংসদে আলোচনায় আশ্বাস দিয়েছিল কেন্দ্র। সেইমতো বুধবার তুমুল হই হট্টগোলের মধ্যে লোকসভায় দিল্লির হিংসা নিয়ে বক্তব্য রাখলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি গোটা পরিস্থিতিতে দিল্লি পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করে শাহ এদিন বলেন, পরিস্থিতি শান্ত করতেই দাঙ্গা বিধ্বস্ত এলাকায় জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালকে পাঠান তিনি। একইসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, ২৫ ফেব্রুয়ারির পর আর কোনও নতুন হিংসা হয়নি উত্তর-পূর্ব দিল্লিতে। পুলিশ ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে পরিস্থিতি আয়ত্তে এনেছে।

এদিন অধিবেশনের শুরু থেকেই সরকারপক্ষকে তুলোধোনা করে বিরোধীরা। বেশ কিছুক্ষণ বিরোধীদের হট্টগোলে অধিবেশন মুলতুবি হয়ে যায়। এরপর সন্ধেবেলা দিল্লি হিংসা নিয়ে বলতে ওঠেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি জানান, দিল্লি পুলিশ খুব বুদ্ধিমত্তা ও সাহসিকতার সঙ্গে পরিস্থিতি আয়ত্ত্বে এনেছে। উত্তরপ্রদেশ থেকে ৩০০ দুষ্কৃতী আনা হয়েছিল হিংসা ছড়ানোর জন্য। শাহের অভিযোগ, এই হিংসার পিছনে গভীর ষড়যন্ত্র ছিল। বিরোধীদের প্রশ্ন ছিল, দাঙ্গা বিধ্বস্ত এলাকায় কেন একবারও গেলেন না স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী? কেন অজিত দোভালকে পাঠালেন তিনি? এর উত্তরে শাহ জানান, তিনি নিজে এলাকা পরিদর্শনে গেলে পুলিশ তাঁকে নিয়ে ব্যস্ত থাকত। এতে পুলিশের কাজে ব্যাঘাত ঘটত। এই কারণেই তিনি দোভালকে পাঠিয়েছিলেন। যাতে পুলিশের মনোবল বাড়ে। সেইসময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের তাজমহল সফরেও তিনি না গিয়ে দিল্লির পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রেখেছিলেন।

[আরও পড়ুন: জল্পনার অবসান, জেপি নাড্ডার হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দিলেন সিন্ধিয়া]

হোলির আগে কেন দিল্লির হিংসা নিয়ে সংসদে আলোচনা হয়নি তারও ব্যাখ্যা এদিন দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। হোলির পরে এই কারণে আলোচনা যাতে রঙের উৎসব দেশে শান্তিপূর্ণ হবে সম্পন্ন হয়। সংবেদনশীল ইস্যু বলেই হোলির পর হিংসা নিয়ে আলোচনা করার সিদ্ধান্ত নেয় সরকারপক্ষ। দিল্লির হিংসার পিছনে ষড়যন্ত্রের দাবি তুলে বিশেষ তদন্তকারী দল মামলাও রুজু করেছে বলে জানান শাহ। একইসঙ্গে তিনি বিরোধীদের আশ্বস্ত করেছেন, দাঙ্গাকারীদের কাউকে রেয়াত করা হবে না। কোনও নিরাপরাধকেও গ্রেপ্তার করা হবে না। আইবি কর্মী অঙ্কিত শর্মা ও পুলিশ কনস্টেবল রতন লালের খুনিদের চিহ্নিত করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন। ফেস আইডেন্টিফিকেশন প্রযুক্তির সাহায্যে ভিডিও দেখে দোষীদের গ্রেপ্তার করা হবে।

[আরও পড়ুন: কংগ্রেসের ৭ সাংসদের সাসপেনশন তুলে নিলেন লোকসভার স্পিকার]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement