সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জ্ঞানবাপী (Gyanvapi) মসজিদ-মন্দির বিতর্ক অব্যাহত। বুধবার ‘অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি’র মামলা খারিজ করল এলাহাবাদ হাই কোর্ট (Allahabad High Court)। ২০২১-এর আগস্টে পাঁচ হিন্দু মহিলা জ্ঞানবাপীর ‘মা শৃঙ্গার গৌরী’ (ওজুখানা ও তহখানা নামে পরিচিত) এবং মসজিদের অন্দরের পশ্চিমের দেওয়ালে দেবদেবীর মূর্তির অস্তিত্বের দাবি করে তা পূজার্চনার অনুমতি চেয়েছিলেন বারাণসীর আদালতে। ওই মামলা খারিজের দাবি তুলে পালটা মামলা করেছিল জ্ঞানবাপী মসজিদ কমিটি। এদিন সেই আবেদন খারিজ করে দিল হাই কোর্ট।
উল্লেখ্য, তিন বছর আগেই পাঁচ হিন্দু মহিলার আবেদন গ্রহণ করেছিল বারাণসীর আদালত। যদিও ওই মামলা আইনত গ্রহণযোগ্য নয় বলে দাবি তুলেছিল মসজিদ কমিটি। এর আগে মসজিদ কমিটির একই আবেদন নাকচ করেছিল জেলা আদালত। এরপর একই দাবিতে এলাহাবাদ হাই কোর্টে মামলা করে জ্ঞানবাপীর ‘অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি’। বুধবার সেই আবেদনও খারিজ করলেন বিচারপতি জেজে মুনির। এইসঙ্গে যে পাঁচ মহিলা পিটিশন দাখিল করেছিলেন তাঁদের চৈত্র এবং ভাসান্তিক নবরাত্রির চতুর্থ দিনে মসজিদ চত্বরে পুজোর অনুমতি দিল আদালত।
[আরও পড়ুন: পঞ্চায়েত ভোটের আগে একগুচ্ছ কর্মসূচি, জুনেই রাজ্য সফরে আসছেন নরেন্দ্র মোদি]
প্রসঙ্গত, গত সপ্তাহে বারাণসীর এক নিম্ন আদালতে জ্ঞানবাপীর ‘অঞ্জুমান ইন্তেজামিয়া মসজিদ কমিটি’ দাবি করে, মুঘল সম্রাট ঔরঙ্গজেব আদৌ নিষ্ঠুর ছিলেন না। ১৬৬৯ সালে বারাণসীর কোনও আদি বিশ্বেশ্বর মন্দির ভাঙেননি তিনি। নিজেদের আবেদনে মসজিদ কমিটি নতুন করে দাবি করেছিল, জ্ঞানবাপীতে কোনও শিবলিঙ্গ নেই। শিবলিঙ্গ বলে যেটিকে দাবি করা হচ্ছে, সেটি আসলে একটি ফোয়ারা। যদিও এই বিষয়ে ভারতীয় পুরাতত্ত্ব বিভাগের সমীক্ষাই শেষ কথা বলবে, জানিয়ে দিয়েছে শীর্ষ আদালত।
[আরও পড়ুন: ‘বিদেশে গেলেই জিন্নার আত্মা ভর করে রাহুলের উপরে’, মোদির সমালোচনার পালটা বিজেপির]
সর্বশেষ খবর
-
কলকাতায় বিশ্বকাপারদের হ্যাটট্রিক! ব্রাজিল-উরুগুয়ের পর ফের বিদেশি প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে খেলবে ভারত
-
কলকাতার বধূকে চাকরির লোভ দেখিয়ে বাংলাদেশে পাচার! অবশেষে সীমান্ত পেরিয়ে ফিরলেন মধুমিতা
-
৪ নেতাকে সাসপেন্ড, এক্তিয়ার মনে করিয়ে ডায়মন্ড হারবারের সভানেত্রীকে শোকজ করল বিজেপি!
-
‘বন্ধু’ ইরানের পিঠে ছুরি! নিজেকে বাঁচাতে তেহরানের আস্থা ভেঙে বোমাবর্ষণের পথে পাকিস্তান
-
গঙ্গার গ্রাসে গোটা ভূতনি, বন্যা পরিস্থিতি চাক্ষুস করে আঁতকে উঠলেন আধিকারিকরা