সামনেই বাংলায় বিধানসভা নির্বাচন (West Bengal Assembly Election)। ভোটমুখী বঙ্গে কেবল বিজেপি নেতাদের মঞ্চে থাকলেই হবে না, বদলে পথে নামতে হবে। গেরুয়া নেতা-কর্মীদের পৌঁছে যেতে হবে মানুষের মধ্যে, তাঁদের কাছে। দিল্লিতে মঙ্গলবার রাতে বঙ্গের বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে বৈঠক করেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। প্রথম বৈঠকেই বঙ্গ বিজেপি সাংসদদের দলের রাজনৈতিক কৌশল ও সংগঠনের পারফরম্যান্স নিয়ে কড়া বার্তা দিলেন তিনি।
কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারের সরকারি বাসভবনে রাজ্যের বিজেপি সাংসদদের সঙ্গে প্রায় আড়াই ঘণ্টা ধরে চলে ওই বৈঠক। সেখানে নীতীন একদিকে সাংসদদের কাজকর্মের খোঁজ নেন। অন্যদিকে আগামী দিনের আন্দোলনমুখী রাজনীতির দিশাও স্পষ্ট করে দেন। নীতিন নবীনের স্পষ্ট নির্দেশ—বড় মঞ্চ, বড় সভার রাজনীতি আপাতত গৌণ। মানুষের কাছে পৌঁছতে হলে রাস্তায় নামতেই হবে, সেটাই মুখ্য। বৈঠকে নতুন সভাপতি সাংসদদের বলেন, ছোট ছোট সভা, পাড়ায় পাড়ায় কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে হবে। মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা, সুবিধা-অসুবিধা, ক্ষোভ ও প্রত্যাশার ‘পালস’ বুঝে তবেই রাজনৈতিক লড়াই জোরদার করা সম্ভব। শুধু বক্তব্য নয়, মাঠে নেমে উপস্থিতির মাধ্যমেই বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি করতে হবে বলেও তিনি জোর দেন।
আরও পড়ুন:
বৈঠকে নতুন সভাপতি সাংসদদের বলেন, ছোট ছোট সভা, পাড়ায় পাড়ায় কর্মসূচির মাধ্যমে সাধারণ মানুষের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগ বাড়াতে হবে। মানুষের দৈনন্দিন সমস্যা, সুবিধা-অসুবিধা, ক্ষোভ ও প্রত্যাশার ‘পালস’ বুঝে তবেই রাজনৈতিক লড়াই জোরদার করা সম্ভব।
এছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করার কৌশল দেন নীতিন নবীন। যাঁরা ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন, তাঁদের বাড়িতে গিয়ে কথা বলা, তাঁদের অভিজ্ঞতাকেই মানুষের সামনে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। এতে সরকারের কাজ যেমন তুলে ধরা যাবে, তেমনই বিরোধীদের প্রচারের পাল্টা জবাব দেওয়া সম্ভব হবে বলে মত তাঁর।

সব মিলিয়ে, এই বৈঠক থেকে স্পষ্ট—বাংলায় বিজেপির রাজনীতি এবার আরও আক্রমণাত্মক, জনসংযোগমূলক ও আন্দোলননির্ভর পথে হাঁটতে চলেছে। সংগঠনকে চাঙ্গা করতে সাংসদদের ভূমিকা যে এবার আরও বেশি নজরদারির মধ্যে থাকবে, সেই বার্তাও দিয়ে দিলেন দলের নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি। এছাড়াও কেন্দ্রীয় সরকারের প্রকল্পগুলিকে রাজনৈতিক হাতিয়ার হিসেবে আরও কার্যকরভাবে ব্যবহার করার কৌশল দেন নীতিন নবীন। যাঁরা ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছেন, তাঁদের বাড়িতে গিয়ে কথা বলা, তাঁদের অভিজ্ঞতাকেই মানুষের সামনে তুলে ধরার উদ্যোগ নেওয়ার পরামর্শ দেন তিনি। এতে সরকারের কাজ যেমন তুলে ধরা যাবে, তেমনই বিরোধীদের প্রচারের পাল্টা জবাব দেওয়া সম্ভব হবে বলে মত তাঁর।
সব মিলিয়ে, এই বৈঠক থেকে স্পষ্ট—বাংলায় বিজেপির রাজনীতি এবার আরও আক্রমণাত্মক, জনসংযোগমূলক ও আন্দোলননির্ভর পথে হাঁটতে চলেছে। সংগঠনকে চাঙ্গা করতে সাংসদদের ভূমিকা যে এবার আরও বেশি নজরদারির মধ্যে থাকবে, সেই বার্তাও দিয়ে দিলেন দলের নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
আফগানিস্তানের বিরুদ্ধেও খেলবেন না ‘আনফিট’ বুমরাহ? বিকল্প হিসাবে কাকে তৈরি রাখছে বিসিসিআই
-
রাখে হরি মারে কে! ৯ দিন কাদামাটির স্তূপে চাপা পড়েও জীবিত অবস্থায় উদ্ধার নেপালের ২
-
ডকিং পোলে তীব্র ধাক্কা, শ্রীনগর বিমানবন্দরে দুর্ঘটনাগ্রস্ত ইন্ডিগোর বিমান, কেমন আছেন যাত্রীরা?
-
‘এমন কিছু সৃষ্টি করে যেতে হবে’, উত্তম কুমার ফিল্ম সেন্টারের শিলান্যাস করে আর কী বললেন মুখ্যমন্ত্রী?
-
হিংলো নদীতে ভাঙন, দুবরাজপুরে নদী গর্ভে ১৮টি বাড়ি! প্লাবিত ঘাটালে চলছে নৌকা
নিবেদিত


