Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২০ জুলাই ২০২৬
Second World War

দামোদরের বুকে ‘যুদ্ধের ছায়া’, সোনামুখীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মর্টার সেল উদ্ধার

নদীর বালি সরতেই ভেসে উঠল ইতিহাসের ভয়াল স্মৃতি!

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ২১:৪৯

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ৩, ২০২৬, ২১:৪৯

options
link
দামোদরের বুকে ‘যুদ্ধের ছায়া’, সোনামুখীতে দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের মর্টার সেল উদ্ধার zoom
দামোদর নদীর তীরে উদ্ধার হওয়া মর্টার সেল।
Advertisement

নদীর বালি সরতেই ভেসে উঠল ইতিহাসের ভয়াল স্মৃতি! সোনামুখীতে দামোদর নদীর তীরে উদ্ধার হল দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় ব্যবহৃত দুটি মর্টার সেল। সোনামুখী থানার অন্তর্গত ডিহিপাড়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ১৭ নম্বর বালিঘাটে বালি তুলতে গিয়েই স্থানীয়দের চোখে পড়ে বিশাল লোহার আকৃতির এই বিপজ্জনক বস্তু। মুহূর্তের মধ্যেই এলাকাজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে আতঙ্ক, কৌতূহল ও তীব্র চাঞ্চল্য।

খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সোনামুখী থানার পুলিশ। নিরাপত্তার স্বার্থে সম্পূর্ণ এলাকা ঘিরে ফেলা হয় এবং সাধারণ মানুষের নদী তটে প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়। পাশাপাশি খবর দেওয়া হয় বোম্ব স্কোয়াড ও সেনাবাহিনীকেও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, সাম্প্রতিক সময়ে দামোদর নদীর জলস্তর কমে গিয়েছে। এরপরেই দীর্ঘদিন ধরে নদীর বালির নিচে চাপা থাকা মর্টার সেলগুলি ধীরে ধীরে প্রকাশ্যে আসে। প্রাথমিকভাবে বিশেষজ্ঞদের অনুমান, এগুলি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সমকালীন এবং এখনও বিস্ফোরক অবস্থায় থাকতে পারে। 

উল্লেখযোগ্যভাবে, এই ধরনের মর্টার সেল উদ্ধারের ঘটনা সোনামুখী ও সংলগ্ন এলাকায় নতুন নয়। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ২০২৪ সালেও সোনামুখী এলাকায় একটি মর্টার সেল উদ্ধার হয়। তারও আগে, ২০১০ সালের কাছাকাছি সময়ে পূর্ব বর্ধমানের মসাগ্রাম এলাকায় একসঙ্গে তিনটি মর্টার সেল উদ্ধার হয়েছিল। ২০১৫ সালে পাত্রসায়ের থানার শালখাড়া এলাকায় উদ্ধার হয় চারটি মর্টার সেল। প্রতিবারই বোম্ব স্কোয়াডের বিশেষজ্ঞরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে মর্টার সেলগুলি বালিভর্তি বস্তা দিয়ে ঘিরে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করেন। এরপর রাতের দিকে ডিনামাইট ব্যবহার করে সেগুলি নিয়ন্ত্রিতভাবে ফাটিয়ে নিষ্ক্রিয় করা হয়।

উদ্ধার হওয়া দুটি মর্টার শেল।

ইতিহাসের নিদর্শন হলেও এই মর্টার সেল ঘিরে আতঙ্ক কাটেনি। দামোদর নদীর শান্ত জলের নীচে যে আজও লুকিয়ে থাকতে পারে যুদ্ধের বিস্ফোরক স্মৃতি—এই ঘটনাই নতুন করে সেই আশঙ্কা উসকে দিল সোনামুখীর মানুষের মনে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.