Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩
  • বুধবার
  • ১৫ জুলাই ২০২৬

বারবার অমরনাথ, কেন নিশানায় নিরাপরাধ পূণ্যার্থীরা?

প্রকৃতি এবং সন্ত্রাসের সঙ্গে লড়াই।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৭, ০৮:১৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১১, ২০১৭, ০৮:১৩

options
link
বারবার অমরনাথ, কেন নিশানায় নিরাপরাধ পূণ্যার্থীরা? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  বারবার নিশানায় অমরনাথগামী তীর্থযাত্রীরা। ১৯৯৩ থেকে শুরু। ২০১৭-তেও রক্তের স্রোত। নিরাপরাধদের বেঘোরে মৃত্যু। কেন তারা জঙ্গিদের শিকার? এর উত্তরে কারও বক্তব্য, নিরস্ত্র পূণ্যার্থীদের ওপর হামলা চালিয়ে প্রশাসনের আত্মবিশ্বাস টলিয়ে দেওয়াই জঙ্গিদের লক্ষ্য। কারও মতে, দুই ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে অশান্তি পাকিয়ে দেওয়া এর উদ্দেশ্য। যে উদ্দেশ্যসাধনে সোমবার রাতে হামলা। অমরনাথ থেকে বাসে ফিরছিল ৬০-৭০ জনের পূণ্যার্থীদের দলটি। নিরাপত্তার কোনও বালাই ছিল না। সফট টার্গেট পেয়ে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় জঙ্গিরা। তারপর মৃত্যুমিছিল।

[অমরনাথ যাত্রীদের উপর ভয়াবহ জঙ্গি হামলা, নিহত ৭]

সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে ১৩,৫০০ ফুট উঁচুতে। ভৌগলিক কারণে অমরনাথ যাত্রা বরবারই বিপজ্জনক। এর যাত্রাপথও ভয়ঙ্কর। উচ্চ অক্ষাংশের জন্য তীর্থযাত্রায় গিয়ে বহু পূণ্যার্থী অসুস্থ হন। এমনকী মৃত্যুর ঘটনাও ঘটেছে। প্রকৃতির পাশাপাশি নাশকতার সঙ্গেও লড়তে হয় দর্শনার্থীদের। ভারতের অন্যতম উঁচু এই তীর্থস্থানের ভৌগলিক অবস্থানের সুবিধা নিয়ে চোরাগোপ্তা হামলা চালিয়ে সহজেই গা ঢাকা দেয় জঙ্গিরা। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাশ্মীর পণ্ডিতদের উপত্যকা ছাড়ার পর থেকে অমরনাথগামী তীর্থযাত্রীদের ওপর হামলার প্রবণতা আরও বেড়েছে। পূণ্যার্থীদের নিরাপত্তার চাদের মুড়ে দেওয়ার পরও অনেকে ক্ষেত্রে নাশকতা এড়ানো যায়নি। সেই সমস্ত হাড় হিম করা ঘটনার কয়েকটি তথ্য।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

১৯৯৩ – পূণ্যার্থীদের ওপর হামলা চালিয়েছিল পাক জঙ্গি সংগঠন হরকত উল আনসার। দুটি পৃথক ঘটনায় মৃত্যু হয়েছিল ৩ জনের।

১৯৯৪ – ফের হরকতের হানা। নিহত ২ পুণ্যার্থী।

১৯৯৫ – হরকত এবার নাশকাতার চেষ্টা চালালেও, সেনা সক্রিয় থাকায় তারা সফল হয়নি।

২০০০ – অমরনাথের যাত্রাপথে এই শতাব্দীর ভয়ঙ্করতম নাশকতা। পহলগামে জঙ্গি হানায় মৃত্যু হয়েছিল ৩২ পূণ্যার্থী-সহ ৩৫ জনের। ঘটনার জেরে বেশ কয়েক দিন বন্ধ রাখা হয়েছিল অমরনাথ যাত্রা।

২০০১ – অমরনাথ যাওয়ার পথে শেশনাগে জঙ্গি হানায় নিহত হন ১৫ জন পূণ্যার্থী।

২০০২ – অমরনাথে দুটি পৃথক হামলায় মৃত্যু হয়েছিল ১০ তীর্থযাত্রীর।

২০১৭ – তীর্থ সেরে ফেরার পথে পূণ্যার্থীদের বাস লক্ষ করে গুলিবৃষ্টি, নিহত ৭ তীর্থযাত্রী।

২০০২ এর পর বিক্ষিপ্তভাবে অমরনাথ যাত্রায় নাশকতার চেষ্টা হলেও সেনা এবং গোয়েন্দাদের তা আটকানো হয়। তবে সোমবারের ঘটনা দেখিয়ে দিল, সুযোগের অপেক্ষায় ছিল জঙ্গিরা। একটা ভুলেই ফের মৃত্যু হল কয়েকজন নিরীহের।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.