প্রায় দেড় বছর ধরে ভারতে ‘রাজনৈতিক আশ্রয়ে’ রয়েছেন বাংলাদেশের ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা (Sheikh Hasina)। এদিকে সেদেশে গণহত্যায় দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন তিনি। ‘বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল’ হাসিনাকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে। বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে প্রত্যার্পণের জন্য বারবার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা। এই পরিস্থিতিতে মুখ খুলল নয়াদিল্লি।
সম্প্রতি একটি সাংবাদিক বৈঠকে বিদেশমন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন, “আমরা সব দিক খতিয়ে দেখছি। প্রচলিত যা যা প্রক্রিয়া রয়েছে, সেগুলি পর্যালোচনা করা হচ্ছে। নতুন কোনও তথ্য পাওয়া গেলে তা জানানো হবে।” প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি শীঘ্রই কোনও পদক্ষেপ করবে ভারত?
আরও পড়ুন:
২০২৪ সালে বাংলাদেশে গণ-অভ্যুত্থানের জেরে প্রধানমন্ত্রীর কুর্সি থেকে বিদায় নিতে হয় মুজিবকন্যাকে। তিনি রাতারাতি দেশ থেকে পালিয়ে চলে আসেন নয়াদিল্লির ‘আশ্রয়ে’। সেই থেকে এদেশেই রয়েছেন হাসিনা। তাঁকে বাংলাদেশে প্রত্যর্পণ করা নিয়ে একাধিকবার অনুরোধ জানিয়েছেন ঢাকা। গত বছর বিদেশসচিব বিক্রম মিসরি বলেছিলেন, “এটি বিচারবিভাগীয় এবং আইনি প্রক্রিয়া। এর জন্য দু’দেশের সরকারের মধ্যে আলোচনার প্রয়োজন। আমরা বিষয়টি খতিয়ে দেখছি। এনিয়ে আমরা বাংলাদেশের কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও একসঙ্গে কাজ করতে তৈরি।”
সম্প্রতি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সচিবালয়ে গিয়ে তাঁর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন ঢাকার ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। পরস্পরের হাতে হাত রেখে দু’জনকে হাসিমুখে কথা বলতে দেখা যায়। তবে বৈঠকে দু’জনের কী কী বিষয়ে আলোচনা হয়েছে, তা স্পষ্ট নয়। তবে একটি সূত্রের খবর, আলোচনায় ঢাকা-নয়াদিল্লির দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক মসৃণ এবং হাসিনার প্রসঙ্গ উঠেছে। এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীকে নিয়ে অবস্থান স্পষ্ট করল নয়াদিল্লি।
সর্বশেষ খবর
-
দুই বউকেই থাকতে দিতে হবে ঘরে, আজব দাবিতে ২০০ ফুট উঁচু মোবাইল টাওয়ারে যুবক!
-
বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির তালিকায় ভারত কোথায়? সংসদে লিখিতভাবে জানাল মোদি সরকার
-
‘কারও নামে বদনাম করিনি’, মুখ্যমন্ত্রীর হুঁশিয়ারির পরই নেতাজি নিয়ে সুরবদল অনন্ত মহারাজের
-
ইউক্রেনের ব্যাঙ্কের সঙ্গে বিবাদ! যুদ্ধের মাঝে রাশিয়ায় বড় দায়িত্বে ভারতের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি
-
‘সময় ঠিক করুন, সব প্রশ্নের জবাব দেব’, স্পিকারকে চিঠি দিয়ে বিরোধীদের পালটা চাপ শাহের