Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৫ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ১১ আগস্ট ২০২৬

অর্থের অভাব, অথৈ জলে মোদির স্বপ্নের বুলেট ট্রেন প্রকল্প

স্বপ্ন আর বাস্তবের মধ্যে জমিন আসমান ফারাক।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০১৮, ১৮:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ২৮, ২০১৮, ১৮:৫৩

options
link
অর্থের অভাব, অথৈ জলে মোদির স্বপ্নের বুলেট ট্রেন প্রকল্প zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির স্বপ্ন, ভারতের মাটিতেও চলবে সুপারফাস্ট বুলেট ট্রেন। কিন্তু স্বপ্ন আর বাস্তবের মধ্যে যে জমিন আসমান ফারাক তা হয়তো এবার টের পেতে চলেছে সরকার। শিলান্যাসের পর এক বছর কেটে গিয়েছে কিন্তু এখনও কার্যত একেবারেই এগোয় নিয়ে বুলেট ট্রেন প্রকল্পের কাজ। কারণ, অর্থের অভাব এবং জমি অধিগ্রহণে জটিলতা। পরিস্থিতি এমন যে নির্ধারিত সময়ে তো বটেই, এমনকি বর্ধিত সময়সীমার মধ্যেও এই প্রকল্প শেষ করা নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে।

[ক্ষোভে ফুঁসছে আদিবাসীরা, নিজের রাজ্যেই নজিরবিহীন বিরোধিতার মুখে মোদি]

বুলেট ট্রেন প্রকল্পের জন্য মোট ১ লক্ষ ৬ হাজার কোটি টাকা খরচ হওয়ার কথা। এর মধ্যে প্রায় ৮৬ হাজার কোটি টাকা আসার কথা জাপানের সরকারি সংস্থা জাপান ইন্টারন্যাশনাল কর্পোরেশন এজেন্সির কাছ থেকে। ১০ হাজার কোটি টাকা দেওয়ার কথা ভারতীয় রেলের। বাকি ১০ হাজার কোটি আসার কথা গুজরাট এবং মহারাষ্ট্র দুই রাজ্যের সরকারের কাছ থেকে। কিন্তু কার্যক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে কোনও তরফ থেকেই এখনও উপযুক্ত পরিমাণ টাকা আসেনি। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত খবর অনুযায়ী বুলেট ট্রেন প্রকল্পের জন্য এখনও পর্যন্ত জাপান থেকে এসেছে মোটে সাড়ে ৫ হাজার কোটি টাকা। রেলের তরফে এখনও একটি কড়িও খরচ করা হয়নি। এমনকি দুই রাজ্য সরকারও এখনও টাকা দেয়নি ঠিকাদারি সংস্থাকে। যদিও, সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে এখনও তাঁরা টেন্ডার তৈরির প্রক্রিয়ায় আছেন। পুরোদমে কাজ শুরু হয়নি, তাই অর্থের প্রয়োজনীয়তা এখনও সেভাবে পড়ছে না। কিন্তু ২০১৯-এর জুলাই মাসের পর থেকে পুরদমে কাজ হবে তখন টাকার দরকার হবে।

Advertisement

[ভোটের পর কংগ্রেসের বিরুদ্ধে #MeToo অভিযোগ আনবে জোটসঙ্গীরা!]

টাকার থেকেও বুলেট প্রকল্পের সবচেয়ে বেশি সমস্যার কারণ হচ্ছে জমি অধিগ্রহণ। জানা গিয়েছে পুরো প্রকল্পের জন্য মোট ১ হাজার ৪০০ হেক্টর জমি প্রয়োজন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত অধিগ্রহণ করা গিয়েছে মাত্রা ০.৯ হেক্টর জমি। যা একেবারেই নগণ্য। জমি অধিগ্রহণের জন্য যে সরকারকে বেগ পেতে হতে তা ইতিমধ্যেই বোঝা গিয়েছে মহারাষ্ট্রে কৃষকদের বিক্ষোভে। উপযুক্ত দাম পেলেও কৃষিজমি ছাড়তে নারাজ তারা। মহারাষ্ট্রের মোট ৩০০ টি গ্রামে কৃষকদের জমি অধিগ্রহণ করার দরকার পড়বে প্রধানমন্ত্রীর স্বপ্নের প্রকল্পের জন্য। মাপজোক হয়ে গিয়েছে প্রায় ২৫০ গ্রামে, কিন্তু এখনও একফোটা জমি অধিগ্রহণ করা যায়নি। স্বাভাবিকভাবেই জমি এবং অর্থের জটে এখন বিশ বাঁও জলে বুলেট ট্রেন প্রকল্প।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.