Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Tinder

৫৮ বছর বয়সে প্রেমের শখ! টিন্ডারে প্রেমিক জোটাতে গিয়ে ৮ লক্ষ টাকা খোয়ালেন প্রৌঢ়া

পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন প্রৌঢ়া।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪, ২০:৩৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: ফেব্রুয়ারি ২৮, ২০২৪, ২০:৩৬

options
link
৫৮ বছর বয়সে প্রেমের শখ! টিন্ডারে প্রেমিক জোটাতে গিয়ে ৮ লক্ষ টাকা খোয়ালেন প্রৌঢ়া zoom
প্রতীকী ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: টিন্ডারে অ্যাকাউন্ট খুলেছিলেন বছর ৫৮-র এক প্রৌঢ়া। সেখানে তাঁর সঙ্গে পরিচয় হয়েছিল সুধীর নামের ব্যাক্তি। ধীরে ধীরে কথোপকথন শুরু হয় দুজনের। প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। ঘনিষ্ঠতা বাড়ে। প্রৌঢ়াকে বিয়ের স্বপ্ন দেখান সুধীর। সেই ফাঁদেই পা দিয়ে প্রায় ৮ লক্ষ টাকা খোয়ালেন মুম্বইয়ের প্রৌঢ়া। অভিযুক্ত সুধীরের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।  

জানা গিয়েছে, কোলাবার বাসিন্দা অবসরপ্রাপ্ত ওই প্রৌঢ়ার সঙ্গে গত বছরের আগস্ট মাসে আলাপ হয়েছিল সুধীরের। পুলিশের কাছে দায়ের করা এফআইআরের অভিযোগ অনুযায়ী, প্রৌঢ়ার সঙ্গে একাধিকবার হোটেলে দেখা করেছেন সুধীর। প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে লিভ-ইনে থাকার কথাও বলেছিলেন অভিযুক্ত। পরিস্থিতি ঠিক থাকলে বিয়ের করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন প্রৌঢ়াকে। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত সুধীর দাবি করেছেন, বাড়ি কাজ চলার হোটেলে এসে থাকছিলেন তিনি। তাঁর নিজের মাছের ব্যবসা রয়েছে। সিঙ্গাপুর ও ভিয়েতনামে মাছ রপ্তানি করেন তিনি। ব্যবসা থেকে ভালো লাভ হয় তাঁর।

Advertisement

[আরও পড়ুন: তামিলনাড়ুর সরকারি বিজ্ঞাপনে চিনা পতাকা, বিতর্কের মধ্যে মোদিকে পালটা খোঁচা কানিমোঝির]

এনিয়ে এক পুলিশ আধিকারিক জানিয়েছেন, প্রৌঢ়াকে এই ব্যবসাতেই বিনিয়োগ করার কথা বলেছিলেন সুধীর। তাঁর কথা রাজি হয়ে প্রথমে ২০ হাজার টাকা দেন প্রৌঢ়া। তার পর থেকে বিভিন্ন কারণে নানা সময় তাঁর কাছ থেকে টাকা চান অভিযুক্ত। এমনকী দুমাসের মধ্যে ওই প্রৌঢ়াকে লাভ-সহ সমস্ত টাকা ফেরত দিয়ে দেওয়ার কথাও দেন সুধীর। সেই মতো ধাপে ধাপে তাঁকে টাকার জোগান দিয়ে যান অভিযোগকারী। গয়নাও বন্দক রাখেন।

কিন্তু সময়মতো টাকা ফেরাতে পারেননি সুধীর। এতেই সন্দেহ হয় ওই প্রৌঢ়ার। বিভিন্ন জায়গা খোঁজ নিয়ে বুঝতে পারেন তিনি প্রতারণার শিকার হয়েছেন। এর পর তাঁকে ১০ লক্ষ টাকার একটি চেক দেওয়া হয়। কিন্তু সেটি বাউন্স হয়ে যায়। তখনই পুলিশের কাছে অভিযোগ জানান প্রৌঢ়া। ভারতীয় দণ্ডবিধির একাধিক ধারায় মামলা রুজু হয় সুধীরের বিরুদ্ধে। ঘটনার তদন্ত করছে পুলিশ।

[আরও পড়ুন: প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিয়ে না করা প্রতারণা নয়, তাৎপর্যপূর্ণ পর্যবেক্ষণ সুপ্রিম কোর্টের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.