Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
শবরীমালা

শবরীমালা যাওয়ার আগেই আক্রমণ মহিলা দর্শনার্থীকে, চোখে ছোঁড়া হল মরিচ গুঁড়ো

দেখুন ঘটনার ভিডিও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০১৯, ১৪:০০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: নভেম্বর ২৬, ২০১৯, ১৪:০০

options
link
শবরীমালা যাওয়ার আগেই আক্রমণ মহিলা দর্শনার্থীকে, চোখে ছোঁড়া হল মরিচ গুঁড়ো zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ এতদিন নিষিদ্ধ ছিল রজঃস্বলা বয়সের মধ্যে থাকা মহিলাদের। শেষ পর্যন্ত আদালতের নির্দেশে মহিলারা প্রবেশাধিকার পায়। কিন্তু আদালত নির্দেশ দিলেও আয়াপ্পার ভক্তরা যে এখনও আদালতের সঙ্গে সহমত নয়, তা ফের একবার প্রমাণিত হল। মন্দিরে যাত্রার আগে পুলিশ কোচির পুলিশ কমিশনারের অফিসের বাইরে এক মহিলার চোখে ছুঁড়ে মারা হল মরিচ গুঁড়ো। গোটা ঘটনাটি ধরা পড়েছে একটি ভিডিও।

ওই মহিলার নাম বিন্দু আম্মিনি। তিনি কেরলের রাজধানী কোচির বাসিন্দা তিনি। শবরীমালা মন্দিরা যাওয়ার কথা ছিল তাঁর। তার আগেই পুলিশ কমিশনারের অফিসের সামনে তাঁর উপর হামলা হল। আক্রমণকারী সাদা কুর্তা ও গেরুয়া ধুতি। প্রত্যক্ষদর্শীদের মতে, যখন বিন্দু নিজের চোখ রক্ষা করতে ব্যস্ত, সেই ফাঁকেই পালিয়ে যায় আক্রমণকারী। যদিও পুলিশ পরে তাকে গ্রেপ্তার করেছে। পুলিশ সূত্রে খবর, ওই ব্যক্তির নাম শ্রীনাথ পদ্মনাভন। তিনি কান্নুরের কুদিয়ানমালার বাসিন্দা। বিন্দুকে চিকিৎসার জন্য এরনাকুলামের জেনারেল হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, শবরীমালা যাওয়ার জন্য তিনি ত্রুপ্তি দেশাইয়ের সঙ্গে দেখা করতে দিয়েছিলেন।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: মুম্বই জঙ্গি হামলার ১১ বছর, শহিদদের শ্রদ্ধাজ্ঞাপন মোদি-মমতা-কোবিন্দের ]

কিন্তু মহিলার উপর আক্রমণের ঘটনা ফের শবরীমালা মন্দিরে মহিলাদের প্রবেশাধিকার নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিল। সমাজকর্মী ত্রুপ্তি দেশাই জানিয়েছেন, তাঁরা শবরীমালায় যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন। সরকার বা পুলিশ, কেউ তাদের আটকাতে পারবে না। কোনও নিরাপত্তা থাকুক বা না থাকুক, মন্দিরে তাঁরা যাবেন বলে স্থির করেছেন ত্রুপ্তি দেশাই। ছয় মহিলার সঙ্গে তাঁর শবরীমালা যাওয়ার কথা। তাঁদের উপর যে হামলা হতে পারে, সেই আশঙ্কার কথা জানাতে পুলিশ কমিশনারারে অফিসে গিয়েছিলেন তাঁরা। তাঁরা যখন প্রতিবাদ জানাচ্ছেন, ঠিক কখনই বিন্দুর উপর হামলা হয়।

আইনি নির্দেশ মানতে হলে, মন্দিরে ঢুকতে পারবেন সমস্ত মহিলাই। যার মধ্যে রয়েছে দশ থেকে ৫০, অর্থাৎ রজস্বলা বয়সসীমার মধ্যে থাকা মহিলারাও। তবে দশ হাজার পুলিশ মোতায়েন থাকলেও, মন্দিরে প্রবেশ করতে গেলে মহিলাদের জন্য আলাদা নিরাপত্তা আদৌ মিলবে কি না তা নিয়ে ফয়সালা হয়নি। তাই কিছুদিন আগে মন্দিরে প্রবেশ পথ থেকে ফিরিয়ে দেওয়া হয় অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে আসা ১০ থেকে ৫০ বছর বয়সী দশজন মহিলা দর্শনপ্রার্থীকে। আর এবার পুলিশ কমিশনারের অফিসের বাইরে এক মহিলার উপর হামলা। আদালতের নির্দেশের পরও শবরীমালা যে এখনও মহিলাদের জন্য সুরক্ষিত নয়, তা আরও একবার প্রমাণিত হল।

[ আরও পড়ুন: বড় জয় বিজেপি বিরোধীদের, সুপ্রিম নির্দেশে বুধবারই মহারাষ্ট্রে আস্থা ভোট ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.