Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৮ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬

জলকষ্ট মেটাতে কুয়ো খুঁড়ে নজির গ্রামের মহিলাদের

১৯০টিরও বেশি কুয়ো খুঁড়লেন মহিলারা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৭, ১২:০৫

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১০, ২০১৭, ১২:০৫

options
link
জলকষ্ট মেটাতে কুয়ো খুঁড়ে নজির গ্রামের মহিলাদের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: শুখা মরসুমে তো বটেই, বর্ষা বাদ দিয়ে বছরভর জল প্রায় পাওয়াই যায় না বলে চলে এখানে। দূরদূরান্ত থেকে জল আনতে হতো গ্রামের মহিলাদের। কেরলের পালাক্কার জেলার দক্ষিণে অবস্থিত এই গ্রাম কোনও প্রেক্ষাপটেই গুরুত্বপূর্ণ নয়। তবে এখানকার মহিলারা যে নজির তৈরি করলেন, তাতে সবার নজর এখন পোক্কোতকাভু গ্রামের দিকে। জলের চিরস্থায়ী সমস্যা মেটাতে গ্রামের ৩০০ জন মহিলা মিলে খুঁড়ে ফেললেন আস্ত একটা কুয়ো।

women

Advertisement

অক্লান্ত পরিশ্রম করে, ঘন্টার পর ঘন্টা কাজ করে খোঁড়া হয়েছে এই কুয়ো। হাত লাগিয়েছিলেন গ্রামের ৭০ বছরেরও বেশি বয়স্কা থেকে শুরু করে সব বয়েসের মহিলারা। অস্থায়ী মই লাগিয়ে কোদাল, বেলচা, মাটি খোঁড়ার যাবতীয় সরঞ্জাম নিয়ে চলে এই অমানুষিক পরিশ্রম। কাদামাটি সরিয়ে জলের খোঁজ করা নিতান্ত সহজ ছিল না। তবে তা করে দেখালেন তাঁরা। গত আগষ্ট মাস থেকে চলছে এই কুয়ো খোঁড়া। দেখতে দেখতে গ্রাম ও গ্রাম সংলগ্ন এলাকা জুড়ে ১৯০টিরও বেশি কুয়ো খুঁড়ে ফেলেছেন এঁরা। কেন্দ্রীয় প্রকল্প মনরেগার আওতায় এই কাজ করছেন তাঁরা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

তবে বাধা এসেছে প্রতি পদে। প্রশিক্ষণের অভাব, শারীরিক অক্ষমতা প্রধান সমস্যা ছিল তাদের সামনে। তা পেরিয়ে গিয়েছেন তাঁরা। গ্রামের রুক্ষ পাথুরে মাটি খনন করে জল তোলা ছিল আরেক সমস্যা। তবে কথায় বলে না, সবে মিলি করি কাজ !  ঠিক সেভাবেই সবাই মিলে কাঁধে কাঁধ দিয়ে এগিয়ে গেছেন তাঁরা, একসঙ্গে, একপথে। তবেই মিলেছে সাফল্য। ১০-১২ মিটার গভীর কুয়ো খনন করে গিয়েছেন একের পর এক।

women1

পালাক্কার শহর থেকে ৪০ কিমি দূরের এই পোক্কোতকাভু গ্রামে কুড়ি হাজারেরও বেশি বাসিন্দার বাস। কিন্তু গ্রামে কোনও বড় পুকুর বা দিঘি নেই। শুধু আছে ছোট ছোট কিছু পুকুর। বছরের অধিকাংশ সময়েই তাতে জল থাকে না। তাই তাতে দিন গুজরান হয় না এখানকার বাসিন্দাদের। নিজেদের উদ্যোগেই তাই যে কুয়ো খুঁড়েছেন, তাতে সমস্যার সমাধানের পথে এগিয়ে গেছেন নিজেরা। জলের জন্য এবার তাদের আর প্রশাসনের পাঠানো জলের গাড়ির জন্য অপেক্ষা করতে হবে না।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.