Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১০ আগস্ট ২০২৬

সবরীমালায় প্রবেশের ‘শাস্তি’, হুমকির জেরে বাড়ি ফেরা বন্ধ বিন্দু ও কনকদুর্গার

গোপন ডেরায় তাঁদের রেখেছে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০১৯, ০৯:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১১, ২০১৯, ০৯:৪৩

options
link
সবরীমালায় প্রবেশের ‘শাস্তি’, হুমকির জেরে বাড়ি ফেরা বন্ধ বিন্দু ও কনকদুর্গার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সবরীমালা মন্দিরে ঢোকার পরও রোষের হাত থেকে অব্যাহতি পেলেন না বিন্দু ও কনকদুর্গা। তাঁরা কেন মন্দিরে প্রবেশ করেছেন এই নিয়ে ক্রমাগত হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাঁদের। সেই কারণে এখনও বাড়ি ফিরতে পারেননি দু’জনের একজনও। গোপন ডেরায় তাঁদের লুকিয়ে রাখা হয়েছে।

কিছুদিন আগে সবরীমালা মন্দিরে ঢুকে ইতিহাস তৈরি করেন দুই মহিলা। নাম বিন্দু আম্মিনি ও কনকদুর্গা। প্রথমজনের বয়স ৪০ বছর, দ্বিতীয়জনের ৩৯। চলতি মাসের প্রথমদিকে মন্দিরে প্রবেশ করেন ওই দুই মহিলা। সূর্য ওঠার বেশ খানিকটা আগেই পুলিশের ঘেরাটোপে সবার নজর এড়িয়ে সবরীমালা মন্দিরের পাশের একটি দরজা দিয়ে ভেতরে ঢোকেন কনকদুর্গা এবং বিন্দু।  প্রার্থনা সেরে দিনের আলো ফোটার আগেই চলে যান তাঁরা। কিন্তু যতক্ষণে ঘটনাটি বাকিদের নজরে আসে, ততক্ষণে তাঁদের প্রার্থনা করা হয়ে গিয়েছিল। যদিও তাঁদের বেরিয়ে যাওয়ার পরেই মন্দিরের দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়৷ ‘অশুচি’-রা প্রবেশের পর পবিত্র করা হয় মন্দির। তারপর ফের খোলে সবরীমালার দরজা। এই ঘটনার দিন দুই পর ৪৬ বছরের আরও এক শ্রীলঙ্কান মহিলা সবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ করেন। এই খবর প্রকাশ্যে আসতেই উত্তেজনা ছড়ায়। আয়াপ্পার ভক্তরা বিক্ষোভে শামিল হয়। একের পর এক মহিলা মন্দিরে প্রবেশের পর হিন্দু সংগঠনগুলি প্রতিবাদে গর্জে ওঠে৷ দক্ষিণপন্থী বিভিন্ন সংগঠন তাঁদের মন্দিরে প্রবেশের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানায়। আন্দোলনের বিরোধিতা করে বামপন্থী কিছু সংগঠন। বিভিন্ন জায়গায় সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে সিপিএম এবং আরএসএস৷

Advertisement

নাগরিকত্ব সংশোধনী বিল নিয়ে উত্তপ্ত অসম, মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি উলফা প্রধানের  ]

কিন্তু ঘটনার যে এখানেই শেষ হবে না, বুঝে উঠতে পারেননি কনকদুর্গা বা বিন্দু কেউই। সেদিন কেন তাঁরা শতাব্দীপ্রাচীন প্রথা ভেঙে মন্দিরে প্রবেশ করলেন, তা নিয়ে এখন হুমকির মুখে পড়তে হচ্ছে তাঁদের। তাঁরা নিরাপদে বাড়িও ফিরতে পারছেন না। তবে এনিয়ে ঘাবড়াবার পাত্রী নন বিন্দু বা কনকদুর্গা। তাঁরা জানিয়েছেন, কেরল সরকার ও পুলিশ প্রশাসনের উপর তাঁদের ভরসা রয়েছে। সর্বোপরি দেশের গণতন্ত্রের উপর ভরসা করেন তাঁরা। তাঁদের একটাই লক্ষ্য ছিল সবরীমালা মন্দিরে প্রবেশ। তা তাঁরা করেছেন। এখন আর কোনও ভয় নেই তাঁদের। কিন্তু দুই মহিলা অকুতোভয় হলেও শান্তিতে নেই প্রশাসন। বিক্ষোভকারীরা ক্রমাগত দু’জনকে হুমকি দিচ্ছে। ফলে এতদিন পরও তাঁদের পুলিশি নিরাপত্তায় লুকিয়ে রাখা হয়েছে। কোচির বাইরে একটি গোপন ডেরায় রাখা হয়েছে তাঁদের। পরের সপ্তাহে তাঁরা বাড়ি ফিরতে পারেন বলে খবর।

পুনর্বহালের ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ফের অপসারিত সিবিআই প্রধান অলোক ভার্মা ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.