Advertisement
Advertisement
Delhi

প্রতিহিংসার রাজনীতি!‌ ‌দিল্লি হিংসার ঘটনায় চার্জশিটে নাম যোগেন্দ্র যাদব–ইয়েচুরির

তাঁদের বিরুদ্ধে হিংসায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়েছে।

Yechury, Yadav, 2 professors, filmmaker named in Delhi Police violence chargesheet
Published by: Abhisek Rakshit
  • Posted:September 13, 2020 10:03 am
  • Updated:September 13, 2020 10:03 am

স্টাফ রিপোর্টার: দিল্লির হিংসার (Delhi Violence) ঘটনায় এবার পুলিশের চার্জশিটে নাম উঠল CPIM-এর সাধারণ সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি (Sitaram Yechury), স্বরাজ অভিযানের নেতা যোগেন্দ্র যাদবের (Yogendra Yadav)। চার্জশিটে তাঁদের বিরুদ্ধে হিংসায় প্ররোচনার অভিযোগ আনা হয়েছে। এছাড়া চার্জশিটে নাম রয়েছে অর্থনীতিবিদ জয়তী ঘোষ (Jayati Ghosh), দিল্লি বিশ্ববিদ‌্যালয়ের অধ‌্যাপক অপূর্বানন্দ এবং তথ‌্যচিত্র নির্মাতা রাহুল রায়ের। দিল্লি পুলিশের দাবি, এঁরা ভারত সরকারের ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করেছেন।

[আরও পড়ুন:‌ ফের শ্বাসকষ্ট! মাঝরাতে দিল্লির এইমসে ভরতি হলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ]

২৩ থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি উত্তর-পূর্ব দিল্লির (North-East Delhi) হিংসায় ৫৩ জনের মৃত্যু হয় এবং ৫৮১ জন আহত হন। এই ঘটনার এক সাপ্লিমেন্টারি চার্জশিটে দিল্লি পুলিশ এই নামগুলি যুক্ত করেছে বলে সংবাদসংস্থা সূত্রের খবর। তাতে নাম রয়েছে ভীম আর্মির প্রধান চন্দ্রশেখর, উমর খালিদ-সহ আরও কিছু নেতারও। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীন দিল্লি পুলিশের পক্ষ থেকে দু’দিন আগে বলা হয়, ঘটনায় ধৃত দেবাঙ্গনা কলিতা ও নাতাশা নারওয়াল নাকি জিজ্ঞাসাবাদের সময় জানিয়েছেন, জয়তী ঘোষ, অপূর্বানন্দ এবং রাহুল রায় তাঁদের মেন্টর এবং তাঁরাই নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন (সিএএ) বিরোধী ধরনা চালিয়ে যেতে বলেছিলেন। দিল্লি পুলিশের অভিযোগ, “সিএএ বিরোধী এইসব সমাবেশে বড় বড় রাজনৈতিক নেতৃত্ব আসতেন, মানুষকে উত্তেজিত করতেন। মানুষ জড়ো করতেন।”

Advertisement

এদিকে, সংসদের বাদল অধিবেশন (Monsoon Session) শুরুর ঠিক দু’দিন আগে এই চার্জশিট ঘিরে রাজনৈতিক আলোড়ন শুরু হয়েছে। বিরোধীদের অভিযোগ, রাজনৈতিক প্রতিহিংসা থেকেই বিরোধীদের ‘টার্গেট’ করা হয়েছে। ইয়েচুরি বলেন, “দিল্লি পুলিশ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের অধীন এবং এটা বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের রাজনীতির বেআইনি পদক্ষেপের প্রত‌্যক্ষ ফল।” তিনি আরও বলেন, “মূলধারার রাজনৈতিক দলগুলির বৈধ শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ দেখে ওরা ভয় পেয়েছে এবং বিরোধীদের লক্ষ্য করার জন্য রাষ্ট্রীয় শক্তির অপব্যবহার করছে।” সিপিএমের পলিটব্যুরো সদস্য মহম্মদ সেলিম বলেন, “সরকার বিরোধী যে কোনও মতকে দমন করতে গুজরাত মডেলকে কৌশল হিসেবে ব্যবহার করছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। ২০১৬ সাল থেকে শিক্ষার্থী, কৃষক, শ্রমিক, সাংবাদিক, সমাজকর্মী, বুদ্ধিজীবীদের কণ্ঠস্বর কঠোরভাবে দমন করা হচ্ছে। এখন বিরোধী দলের নেতাদের গায়েও দাঙ্গাকারীর তকমা লাগিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

Advertisement

[আরও পড়ুন:‌ দিল্লি হিংসার ঘটনায় দায়ী ফেসবুকও! এবার‌ সংস্থাকে তলব করল দিল্লি বিধানসভা]

কংগ্রেস নেতা জয়রাম রমেশ বলেন, “এটা নৃশংসতার চেয়েও খারাপ। আমি তাঁদের পাশে আছি। তাঁরা ক্ষমতায় থাকা জালিয়াতদের চেয়ে বড় দেশভক্ত।” আইনজীবী প্রশান্ত ভূষণ বলেন, “এই ঘটনাই দিল্লি হিংসায় দিল্লি পুলিশের যুক্ত থাকা ও বিশ্বাসঘাতকতাকে সামনে আনে। ইয়েচুরি, যোগেন্দ্র যাদব, জয়তী ঘোষদের এই ঘটনায় অভিযুক্ত করা অসম্ভব ছাড়া কিছু নয়। কপিল মিশ্র এবং সহযোগীদের এরা বাদ দিয়েছে। সিপিএম রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র রবিবার থেকে রাজ্যব্যাপী প্রতিবাদ কর্মসূচিতে নামার কথা জানিয়েছেন।

Sangbad Pratidin News App

খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ