Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ১২ জুলাই ২০২৬

‘কিছুই ভুল বলিনি’, মুণ্ডচ্ছেদ বিতর্কে অনড় রামদেব

আদালত থেকে কোনও সমন আসেনি, জানিয়েছেন যোগগুরু।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০১৭, ০৪:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১৬, ২০১৭, ০৪:১৪

options
link
‘কিছুই ভুল বলিনি’, মুণ্ডচ্ছেদ বিতর্কে অনড় রামদেব zoom
ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: “দেশদ্রোহীদের মুণ্ডচ্ছেদ করা হোক। আইনকে সম্মান করি নইলে যারা ভারত মাতা কি জয় বলতে অস্বীকার করে তাদের মাথা নিজের হাতে কেটে ফেলতাম।” প্রকাশ্যে এমনটাই হুঙ্কার দিয়েছিলেন যোগগুরু বাবা রামদেব। তারপর শুরু হয় বিতর্ক। মামলা গড়ায় আদালত পর্যন্ত। এমনকি বুধবার তাঁর বিরুদ্ধে একটি জামিনঅযোগ্য পরোয়ানাও জারি করে আদালত। তবে হাজতবাসের আশঙ্কা থাকলেও নিজের অবস্থানে অনড় যোগগুরু বাবা রামদেব। তাঁর বক্তব্য, ‘আমি কিছুই ভুল বলিনি’।

বৃহস্পতিবার, এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে রামদেব সাফ জানিয়েছেন, তিনি যা বলেছেন ঠিক বলেছেন। তবে তিনি দেশের আইন মেনে চলেন। তাই এবিষয়ে কোনও বিতর্ক তৈরি হওয়ার প্রশ্নই উঠে না। গ্রেপ্তারি পরোয়ানা নিয়ে প্রশ্ন করা হলে, যোগগুরু স্পষ্ট জানিয়েছেন তিনি কোনও সমন পাননি। সমস্তই গুজব মাত্র।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[ম্যাচ হেরে ফেসবুক পোস্টে বিরাটকে অপমান বাংলাদেশি ফ্যানের]

উল্লেখ্য, ‘ভারত মাতা কি জয়’ না বললে মুণ্ডচ্ছেদ করা হবে বলে প্রকাশ্যে জনসভায় হুঙ্কার দিয়েছিলেন রামদেব। তারই জেরে তাঁর বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করা হয়। এর আগে মে মাসের ১২ তারিখ যোগগুরুর বিরুদ্ধে একটি জামিনযোগ্য পরোয়ানা জারি করেছিল আদালত। এদিনের শুনানির পর মামলাকারীর আইনজীবী জানিয়েছেন, বেশ কয়েকবার সমন পাঠানো সত্বেও আদালতে হাজিরা দেননি রামদেব তাই তাঁর বিরুদ্ধে এই পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। গতবছর, এপ্রিল মাসে জাট বিক্ষোভের পর রোহতকে আয়োজিত ‘সদ্ভাবনা সম্মেলনের’ আয়োজন করা হয়েছিল। ওই অনুষ্ঠানে বাবা রামদেব প্রকাশ্যে হুঙ্কার দিয়েছিলেন, “ভারত মাতা কি জয় বলতেই হবে। এর অন্যথা হলে মুণ্ডচ্ছেদ করা হবে। আইনকে সম্মান করি নইলে দেশদ্রোহীদের গলা নিজের হাতে কেটে ফেলতাম।” ওই ঘটনার পরই রামদেবের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন কংগ্রেস নেতা সুভাষ বাত্রা।

প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালে হরিয়ানায় ক্ষমতায় আসে বিজেপি সরকার। ওই সরকারের সঙ্গে সুসম্পর্ক রয়েছে যোগগুরুর। এমনকি তাঁকে রাজ্যের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসাডর হিসেবেও নিযুক্ত করা হয়।

[গোপন ডেরা থেকে নেপালি চ্যানেলে সাক্ষাৎকার গুরুংয়ের]

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.