Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১১ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২৯ আগস্ট ২০২৬
Yogi Adityanath

‘উত্তরপ্রদেশে এবার ৮০ বনাম ২০’, যোগীর মন্তব্যে সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগ বিরোধীদের

ভোটের এক মাস আগে উত্তরপ্রদেশ সরগরম রাজনৈতিক বিতণ্ডায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২২, ১৯:১৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ১০, ২০২২, ১৯:১৯

options
link
‘উত্তরপ্রদেশে এবার ৮০ বনাম ২০’, যোগীর মন্তব্যে সাম্প্রদায়িকতার অভিযোগ বিরোধীদের zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ওমিক্রনের (Omicron) দাপটের মাঝেও উত্তরপ্রদেশে (Uttar Pradesh)যথাসময়েই নির্বাচন হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ১০ ফেব্রুয়ারি দেশের বৃহত্তম রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। সময়ের হিসেবে আর এক মাস বাকি। স্বাভাবিক ভাবেই ভোটের দামামা যে পুরোদস্তুর বেজে গিয়েছে, তা বলাই বাহুল্য। আর এই আবহে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হল মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের (Yogi Adityanath) এক মন্তব্যে। তাঁর দাবি, এবারের নির্বাচনে ৮০ বনাম ২০-র লড়াই হবে। তাঁর এই মন্তব্যের তীব্র বিরোধিতা করতে দেখা গিয়েছে বিরোধী দলগুলিকে।

বিরোধীদের অভিযোগ, যোগী নির্বাচনের আগে ধর্মের তাস খেলতেই এমন মন্তব্য করেছেন। ৮০ ও ২০ বলে তিনি রাজ্যের হিন্দু ও সংখ্যালঘু মুসলিমদের দিকেই ইঙ্গিত করেছেন। রবিবার এক অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেছিলেন যোগী। তাঁকে বলতে শোনা গিয়েছিল, ‘‘প্রতিযোগিতা অনেকটাই এগিয়ে গিয়েছে। এবারের লড়াই ৮০ বনাম ২০।’’ তাঁর এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে অনুষ্ঠানের সঞ্চালক মনে করিয়ে দেন, আসাদুদ্দিন ওয়েইসির দেওয়া তথ্য অনুসারে সঠিক সংখ্যাটা ১৯ শতাংশ।

Advertisement

[আরও পড়ুন: Coronavirus Update: করোনা আক্রান্ত প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, রয়েছেন কোয়ারেন্টাইনে]

কিন্তু যোগী তখন তাঁর মন্তব্যকে আরও বিস্তৃত করে বলতে শুরু করেন। তিনি বলেন, ‘‘৮০ শতাংশ তাঁরা, যাঁরা জাতীয়তাবাদের সমর্থক। সুশাসন, উন্নয়নের সমর্থক। এই মানুষরা বিজেপিকেই ভোট দেবেন। আর যাঁরা এর বিরোধী, মাফিয়া ও অপরাধীদের সমর্থক, কৃষক-বিরোধী তাঁরা অর্থাৎ ১৫-২০ শতাংশ মানুষ ভিন্ন পথ বেছে নেবেন। তাই এই লড়াই ৮০-২০’র। এই কারণেই রাজ্যে শেষ পর্যন্ত পদ্মই ফুটবে।’’

তবে যোগী যেভাবেই বলুন, তাঁর মন্তব্যে ধর্মীয় মেরুকরণের সুরই লক্ষ্য করছেন বিরোধীরা। প্রসঙ্গত, এর আগেও তাঁকে এই তাস খেলতে দেখা গিয়েছে। অতীতে তিনি বলেছিলেন, ‘‘প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নেতৃত্বে তোষণের রাজনীতির কোনও জায়গাই নেই। ২০১৭ সালের আগে সকলে রেশন পেতেন কি? কেবল তাঁরাই বলতেন যাঁরা আব্বাজান বলতেন।’’

[আরও পড়ুন: তেলেঙ্গানায় নরবলি! মন্দিরে দেবীমূর্তির পায়ের নিচে রাখা কাটা মুন্ডু ঘিরে চাঞ্চল্য মন্দিরে]

দেশে করোনার (Coronavirus) তৃতীয় ঢেউয়ের মধ্যেই শনিবার নির্বাচন উত্তরপ্রদেশ-সহ পাঁচ রাজ্যের নির্বাচন নির্ঘণ্ট ঘোষণা করেছে কমিশন। এই পরিস্থিতিতে এবার যোগীরাজ্য সরগরম ভোটের উত্তেজনায়।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.