১২ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

প্রেমের টান, গুগল ম্যাপ দেখে সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে প্রেমিকার কাছে যাওয়ার চেষ্টা যুবকের

Published by: Paramita Paul |    Posted: July 17, 2020 7:07 pm|    Updated: July 17, 2020 7:31 pm

An Images

ফাইল ছবি

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এ যেন ঠিক Veer-Zara’র গল্প! প্রেমের বাধা সীমান্তের কাঁটাতার। সেই বাধা অতিক্রম করতে ১২০০ কিলোমিটার পথ পেরিয়ে এসেছিলেন মহারাষ্ট্রের যুবক। লক্ষ্য ছিল, পাকিস্তানের (Pakistan) করাচি শহর। কিন্তু শেষরক্ষা হল না। পথের ক্লান্তিতে গুজরাটের (Gujrat) কচ্ছ এলাকায় পাকিস্তান সীমান্তের কাছে জ্ঞান হারিয়ে ফেলেন। শেষপর্যন্ত তাঁকে বিএসএফ জওয়ানরা উদ্ধার করে হাসপাতালে ভরতি করে। ফলে মাঝপথেই থমকে গেল বাস্তবের ভীর-জারার প্রেম কাহিনী। 

মহারাষ্ট্রের ওসামাবাদের বাসিন্দা ২০ বছরের যুবক সিদ্দিক্কি মহম্মদ জিশান। তিনি পাকিস্তানের করাচির এক যুবতীর প্রেমে পড়েছিলেন। ফেসবুকে দুজনের পরিচয় হয়। হোয়াটসঅ্যাপেও দিনভর কথা হত। কিন্তু চোখের দেখা হয়নি। সেই দূরত্ব ঘোচাতে বাইক নিয়ে বেরিয়ে পড়েছিল মহারাষ্ট্রের যুবক। ভরসা গুগল ম্যাপ। ১২০০ কিলোমিটার পথ উজিয়ে এসে হাজিরও হয়েছিলেন গুজরাটের কচ্ছ এলাকায়। পরিকল্পনা ছিল সীমান্ত পেরিয়ে পাকিস্তানে পৌঁছে যাওয়ার। কিন্তু শরীর সাথ দিল না। দীর্ঘ রাস্তা পেরিয়ে আসার পর এই এলাকায় যুবকের শরীরে ডি-হাইড্রেট হয়ে যায়। তিনি জ্ঞান হারান। জওয়ানরা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভরতি করেছেন।

[আরও পড়ুন : ‘বিকাশ দুবের এনকাউন্টার ভুয়ো নয়’, সুপ্রিম কোর্টে দাবি উত্তরপ্রদেশের পুলিশের]

কয়েকদিন ধরে নিখোঁজ থাকায় জিশানের বাবা-মা মহারাষ্ট্র পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছিলেন। যুবকের মোবাইল ফোনের সূত্র ধরে খোঁজ শুরু হয়। দেখা যায়, যুবকের মোবাইল নেটওয়ার্ক গুজরাটের ভারত-পাকিস্তান সীমান্তের কাছাকাছি রয়েছে। এরপরই বিএসএফের সাহায্য চাওয়া হয়। এলাকায় নিয়মমাফিক তল্লাশি চালানোর সময় অচেতন অবস্থায় জিশানকে উদ্ধার করা হয়। তার থেকে দেড় কিলোমিটার দূরে মিলেছে জিশানের মোটর বাইক। জিশানের কাছে থাকা আধার কার্ড থেকে তাঁর পিরচয় জানতে পেরে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে বিএসএফ। রুটিন জেরার পর তাঁকে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

[আরও পড়ুন : নেই পানীয় জল-খাবার, রাস্তায় বিক্ষোভ কোভিড রোগীদের, অসমের মন্ত্রী বললেন, ‘বাড়িতে থাকুন’]

এদিকে করাচির কোনও শহরে হয়তো জারা এখনও তাঁর ভীরের অপেক্ষায় বসে রয়েছেন। তাঁদের কি আর দেখা হবে! সময়ই এর উত্তর দেবে।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement