Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
শচীন

মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের থেকে কোনও অর্থ নেন না, স্বার্থের সংঘাত নিয়ে মুখ খুললেন শচীন

ওম্বুডসম্যানের নোটিসের জবাবে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন মাস্টার ব্লাস্টার।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০১৯, ১৭:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০১৯, ১৭:০৩

options
link
মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের থেকে কোনও অর্থ নেন না, স্বার্থের সংঘাত নিয়ে মুখ খুললেন শচীন zoom
ফাইল ছবি
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের পর স্বার্থের সংঘাতের অভিযোগ উঠেছিল শচীন তেণ্ডুলকর এবং ভি ভি এস লক্ষ্মণের বিরুদ্ধেও। ইতিমধ্যেই ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ডের ওম্বুডসম্যান ডিকে জৈনকে নোটিসের উত্তর দিয়েছেন দিল্লি ক্যাপিটালসের উপদেষ্টার ভূমিকায় থাকা সৌরভ। জানিয়েছিলেন, এই পদের জন্য তিনি ফ্র্যাঞ্চাইজির থেকে কোনও অর্থ নিচ্ছেন না। এবার ওম্বুডসম্যানের নোটিসের জবাবে একই কথা বললেন মাস্টার ব্লাস্টারও। তিনি স্পষ্ট করে দিয়েছেন, মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের মেন্টর হিসেবে কোনও অর্থ নেন না তিনি। পাশাপাশি ফ্র্যাঞ্চাইজির কোনওরকম সিদ্ধান্তেও তাঁর কোনও ভূমিকা নেই।

[আরও পড়ুন: বদলাচ্ছে আইপিএল ম্যাচের সময়! কখন শুরু হবে খেলা?]

৪৬তম জন্মদিনেই বোর্ডের ওম্বুডসম্যানের নোটিস পেয়েছিলেন শচীন। ডিকে জৈনের নোটিসে উল্লেখ ছিল স্বার্থ সংঘাতের। আইপিএল থেকে অবসরের পরই মুম্বই দলের মেন্টর মাস্টার ব্লাস্টার। একইসঙ্গে তিনি ক্রিকেট উপদেষ্টা কমিটির সদস্যও। প্রশ্ন ওঠে, একসময়ে দুটি পদে কীভাবে থাকতে পারেন তিনি। শচীনের পাশাপাশি সানরাইজার্স হায়দরাবাদের মেন্টর লক্ষ্মণকেও একই নোটিস পাঠান ওম্বুডসম্যান। দুই কিংবদন্তির বিরুদ্ধে অভিযোগটি করেন মধ্যপ্রদেশ ক্রিকেট সংস্থার সদস্য সঞ্জীব গুপ্ত। বিচারপতি জৈন তাঁর নোটিসে শচীন ও লক্ষ্মণকে ২৮ এপ্রিলের মধ্যে জবাব দিতে বলেছিলেন। তারই জবাবে কিংবদন্তি তারকা নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন।

Advertisement

[আরও পড়ুন: প্রতারিত ধোনি! নামী সংস্থার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে মামলা দায়ের মাহির]

রবিবার একটি লিখিত ফাইল জমা দিয়েছেন ডিকে জৈনকে। যেখানে ১৪টি পয়েন্টের উল্লেখ রয়েছে। শচীন লেখেন, অবসরের পর থেকে আইপিএল ফ্র্যাঞ্চাইজি মুম্বই ইন্ডিয়ান্সের থেকে কোনও সুবিধা বা ক্ষতিপূরণ পান না তিনি। শচীন দলের আইকন মাত্র। কোনও পদে নেই তিনি। দল বা ক্রিকেটারদের বিষয়ে ম্যানেজমেন্ট সংক্রান্ত কোনও সিদ্ধান্তও নেন না তিনি। তাঁর কাজ শুধুমাত্র তরুণদের উদ্বুদ্ধ করা, ক্রিকেটারদের পরামর্শ দেওয়া, তাঁদের ক্রিকেট সংক্রান্ত প্রশিক্ষণ দেওয়া। তাই স্বার্থের সংঘাতের কোনও প্রশ্ন উঠছে না। সঙ্গে তিনি এও জানান, ২০১৫ সালে বিসিসিআই তাঁকে উপদেষ্টা কমিটির সদস্য করেছিল। কিন্তু তার আগে থেকেই মুম্বই দলের সঙ্গে জড়িত তিনি। তাই বিসিসিআই সবটা জেনেই তাঁকে উপদেষ্টা হিসেবে নিযুক্ত করেছিল। ওম্বুডসম্যানের এনিয়ে আরও কোনও বক্তব্য থাকলে, শচীনের অনুরোধ তা ব্যক্তিগত শুনানির মাধ্যমে হোক। যেখানে হাজির থাকবেন তাঁর আইনজীবীরা।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.