সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বাংলায় ১০৫ জন করোনা পজিটিভের মৃত্যু হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৩৩ জনের করোনার কারণেই মৃত্যু হয়েছে। বাকিদের কো-মর্ডিবিটিতে মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে জানালেন রাজ্যের মুখ্য সচিব রাজীব সিনহা। তিনি জানান, মোট ১০৫টি মৃত্যু এখনও পর্যন্ত স্টাডি করেছে অডিট কমিটি। তারপরই এই রিপোর্ট দিয়েছে তারা। এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে আক্রান্তের সংখ্যাও।
সাংবাদিক বৈঠকে রাজ্যের মুখ্য সচিব জানিয়েছেন, গতকাল (২৯ এপ্রিল) পর্যন্ত করোনার অ্যাকটিভ কেস ছিল ৫৫০টি। ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫৭২টি। মুখ্য সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গিয়েছেন ১৫ জন। এদিকে এ পর্যন্ত রাজ্যে করোনা যুদ্ধে জয়ী হয়েছেন মোট ১৩৯ জন। সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্য সচিব বলেন, “আজ যত জন পজিটিভ এসেছেন তার মধ্যে কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা থেকে এসেছেন বেশিরভাগ। মোট আক্রান্তের ৮০ শতাংশই এই তিন জেলার বাসিন্দা। হুগলি থেকেও কয়েক জন আক্রান্ত এসেছেন।”
[আরও পড়ুন : সরকারি অনুমতি ছাড়াই নার্সিংহোমে করা যাবে করোনা রোগীর চিকিৎসা, কড়া নির্দেশিকা রাজ্যের]
এদিন মুখ্য সচিব রাজ্যের রেড জোন, গ্রিন জোন, কনটেইনমেন্ট জোনের হিসেবও দেন। তাঁর কথায়, “এখনও রেড জ়োন রয়েছে কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর। এর মধ্যে কলকাতায় ২৬৪টি কনটেনমেন্ট জোন আছে। এর পরে হাওড়ায় ৭২টি এবং উত্তর ২৪ পরগনায় ৭০টি কনটেনমেন্ট জোন রয়েছে।” এদিকে রাজ্যে করোনা হাসপাতালের সংখ্যা বাড়ল। মুখ্য সচিবে্র দেয়া তথ্য অনুযায়ী, রাজ্যে কোভিড হাসপাতালের সংখ্যা ৬৬ থেকে বেড়ে ৬৭ হল। কলকাতাতে আগে কোভিড হাসপাতাল ছিল চারটি। এখন তা বেড়ে হল পাঁচ।
[আরও পড়ুন : করোনা সংক্রমণ রুখতে কড়া প্রশাসন, রাস্তায় থুতু ফেলায় গ্রেপ্তার নিউ আলিপুরের বাসিন্দা]
সর্বশেষ খবর
-
মমতার তিরস্কার, শুভেন্দুর পুরস্কার! দময়ন্তী সেন-সহ ৬ আইপিএসকে স্বাধীনতা দিবসে সম্মান মুখ্যমন্ত্রীর
-
কলকাতা মেডিক্যালে মহিলা কর্মীর আত্মহত্যার চেষ্টা! নেপথ্যে কী কারণ?
-
কার্যালয়ে কার্তুজ, গোপন ডেরায় ইসিএলের নথি! দেড় মাস পর পুলিশের জালে বিধায়ক পুত্র ‘বাহুবলী’ প্রেমপাল
-
দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বাড়িতে ‘তিজ’ উদযাপনে কাকলি-শতাব্দী-রচনারা, মেহেন্দি-সেলফিতে হুল্লোড়, শামিল কঙ্গনাও
-
অনুশীলন সমিতি থেকে হিন্দুস্তান রিপাবলিকান আর্মির সদস্য! ফিরে দেখা ঝাড়গ্রামের বিস্মৃতপ্রায় বিপ্লবীকে