Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
সরকারি হাসপাতাল

৪টি হাসপাতাল ঘুরেও মেলেনি বেড, আরজি করের বারান্দায় ঠাঁই রোগীর

চূড়ান্ত হয়রানির শিকার রোগীর পরিজনেরা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০১৯, ১২:৩৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০১৯, ১২:৩৮

options
link
৪টি হাসপাতাল ঘুরেও মেলেনি বেড, আরজি করের বারান্দায় ঠাঁই রোগীর zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রোগীর শারীরিক অবস্থা গুরুতর। কিন্তু হাসপাতালে যে বেড খালি নেই! শহর ও জেলার তিনটি সরকারি হাসপাতালে ঘুরে শেষ পর্যন্ত জায়গা মিলল আরজি কর হাসপাতালের বারান্দায়। চূড়ান্ত হয়রানির শিকার রোগীর পরিজনেরা।

[ আরও পড়ুন: বিমানবন্দরে মহিলার শ্লীলতাহানির অভিযোগ, গ্রেপ্তার যুবক]

রোগীর নাম সঞ্জয় নাগ। বাড়ি, হাওড়ার রাজচন্দ্রপুরে। বেসরকারি বাসের কডাক্টর সঞ্জয়। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, শনিবার রাতে তাঁকে বেধড়ক মারধর করেন বাসের চালক। গুরুতর আহত হন সঞ্জয়। প্রথমে তাঁকে নিয়ে যাওয়া হয় উত্তরপাড়া স্টেট জেনারেল হাসপাতালে। কিন্তু বেড খালি না থাকায় গুরুতর আহত ওই ব্যক্তিকে পাঠিয়ে দেওয়া হয় এসএসকেম হাসপাতালে। সঞ্জয় নাগের বাড়ির লোকেরা জানিয়েছেন, এসএসকেএম হাসপাতালেও বেড খালি ছিল না, তাই সেখানেও ভরতি করা যায়নি সঞ্জয়কে। এরপর রোগীকে নিয়ে যাওয়া হয় এনআরএসে। কিন্তু, হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ রোগীকে ফিরিয়ে দেয় বলে অভিযোগ। পরিবারের লোকেরা জানিয়েছেন, এনআরএস হাসপাতাল থেকে যখন সঞ্জয়কে ফিরিয়ে দেওয়া হয়, তখন তাঁর শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি ঘটেছে। অগত্যা ওই যুবককে নিয়ে কাছেই আরজি কর হাসপাতালে নিয়ে যান পরিবারের লোকেরা। কিন্তু, সেখানেও বেড পাওয়া যায়নি। বাড়ির লোকেরা জানিয়েছেন,  আরজি কর হাসপাতালে বারান্দায় এখন পড়ে রয়েছেন সঞ্জয় নাগ, তাঁর কার্যত কোনও চিকিৎসাই হচ্ছে না।

Advertisement

রাজ্যের সরকারি হাসপাতালে রোগীর চাপ যথেষ্টই। তাই একান্তই রোগীকে যদি ভরতি না করা যায়, অন্তত তাঁর শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল করার ব্যবস্থা করতে হবে সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসকদের। তারপরই রোগীকে অন্য হাসপাতালে রেফার করা যাবে। এমনই নির্দেশ দিয়েছেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু এক্ষেত্রে তেমনটা হয়নি বলে অভিযোগ। ভরতি নেওয়া তো হয়নি, চারটি সরকারি হাসপাতালে সঞ্জয় নাগের প্রাথমিক চিকিৎসাটুকুও করা হয়নি বলে অভিযোগ পরিবারের।

[ আরও পড়ুন: আগুনের স্মৃতি অতীত, ৭ মাস পর বাগরি মার্কেট খোলায় স্বস্তিতে ব্যবসায়ীরা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.