Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২ আশ্বিন ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Hearing screening

প্রতি এক হাজারে ৯ শিশুর শ্রবণ সমস্যা! ‘উজ্জ্বল শৈশব’ প্রকল্পে জেলায় শুরু হচ্ছে হিয়ারিং স্ক্রিনিং

প্রিম্যাচিওর বেবিদের মধ্যে প্রতি হাজারে ৫০ জন শিশুর শ্রবণ শক্তির সমস্যা দেখা যায়। তবে দ্রুত শনাক্ত করা গেলে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব।

স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ০৯:০৪

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২৬, ০৯:০৪

options
link
প্রতি এক হাজারে ৯ শিশুর শ্রবণ সমস্যা! ‘উজ্জ্বল শৈশব’ প্রকল্পে জেলায় শুরু হচ্ছে হিয়ারিং স্ক্রিনিং zoom
ছবি: সংগৃহীত।
Advertisement

গড়ে হাজারে ৯ জন শিশু ভূমিষ্ঠ হয় শ্রবণশক্তির সমস্যা নিয়ে। তার মধ্যে ৪ জনের সমস্যা অত্যন্ত প্রগাঢ় হতে পারে। প্রিম্যাচিওর ‘বেবি’-দের মধ্যে এই সমীক্ষা সামনে এনেছে আরও সাঙ্ঘাতিক তথ্য। কান, নাক গলা বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. এন ভি কে মোহন জানিয়েছেন, প্রিম্যাচিওর বেবিদের মধ্যে প্রতি হাজারে ৫০ জন শিশুর শ্রবণ শক্তির সমস্যা দেখা যায়। তবে দ্রুত শনাক্ত করা গেলে এই সমস্যা সমাধান সম্ভব।

শুধু তাই নয়, শ্রবণ শক্তির সমস্যা কাটিয়ে সেরার সেরা হতে পারেন এ হেন শিশুরা। যেমনটা হয়েছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার জয়নগরের বাসিন্দা সৌমিতা প্রামাণিক। ছ’মাস বয়স থেকে পরিবারের লোকেরা বুঝতে পারেন সৌমিতা শুনতে পান না। হিয়ারিং এড পরানো হয়েছিল। কিন্তু তাতেও কাজ হয়নি। শেষমেশ ককলিয়ার ইমপ্ল্যান্ট হয় তাঁর। জয়নগরের বাসিন্দা সৌমিতা সর্বভারতীয় নিট পরীক্ষায় ২ হাজার ১৯১ র‍্যাঙ্ক করেছেন। এই মুহূর্তে তিনি এমবিবিএস পড়ছে এসএসকেএম হাসপাতালে। শুক্রবার তাঁকে সংবর্ধনা দেন রাজ্যের ক্রীড়া-যুবকল্যাণ মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, যে বধির হয়ে জন্মাচ্ছে তাকে যদি চিকিৎসা দিয়ে স্বাভাবিক জীবন দেওয়া যায়, তবে সে সমাজকেও কিছু ফিরিয়ে দিতে পারে। এই জন্যই শুরু হচ্ছে রাজ্যজুড়ে ‘নিওনেটাল হিয়ারিং স্ক্রিনিং’।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নতুন প্রকল্পের নাম ‘উজ্জ্বল শৈশব।’ সিএমআরআই হাসপাতাল মহাবীর সেবা সদন, অন্বেষা আর সোসাইটি ফর দ্য মেনস্ট্রিম ইন্টিগ্রেশন অফ দ্য ডেফ যৌথভাবে শুরু করছে এই প্রকল্প। মন্ত্রী ইন্দ্রনীল খাঁ জানিয়েছেন, রাজ্য সরকারও তাদের সহায়তা করবে এখানে। প্রতিটি গ্রামে গ্রামে গিয়ে নবজাতকদের শ্রবণশক্তির স্ক্রিনিং করা হবে। শুক্রবার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় সরকারের স্বাস্থ্যদপ্তরের প্রাক্তন উপদেষ্টা, অধ্যাপক (নিওনেটোলজি বি সি রায় ইনস্টিটিউট অফ চাইল্ড অ্যান্ড ফ্যামিলি ওয়েলফেয়ার) ডা. অরুণকুমার সিং, যিনি পুরো প্রকল্পটায় রয়েছেন উপদেষ্টা হিসেবে।

ডা. অরুণকুমার সিং জানিয়েছেন, সমস্ত সন্তানসম্ভবা মা চায় লম্বা, ফরসা শিশু। কিন্তু একজন শিশুর পরিচিতি তাঁর মস্তিষ্ক দিয়ে। পৃথিবীর যে কোনও প্রান্তের একজন শিশুর মস্তিষ্কে ১০ হাজার কোটি নিউরোন থাকে। একজন শিশুর মস্তিষ্কের বিকাশ হয় জ্ঞানেন্দ্রিয়র মাধ্যমে। শ্রবণশক্তি তেমনই গুরুত্বপূর্ণ একটি জ্ঞানেন্দ্রিয়। তাকে পূর্ণ ক্ষমতা দিতে হবে। এ দিন অনুষ্ঠানে ছিলেন সোমব্রত রায়, ডা. অমিতাভ চন্দ।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.