রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: মারণ ভাইরাস থাবা বসিয়েছিল বছর ৯৩-এর বিমল রায়ের শরীরে। কিন্তু বিজেপির প্রবীণ কর্মীর মনোবলের কাছে হার মানল অদৃশ্য ভাইরাসও। রবিবারই সুস্থ হয়ে ঘরে ফিরলেন তিনি।
উল্টোডাঙ্গার বিপ্লবী বারীন ঘোষ সরণিতে বাস বিজেপি (BJP) রাজ্য দপ্তরের ওই প্রবীণ কর্মী বিমল রায়ের। বেশ কিছুদিন আগে বার্ধক্যজনিত অসুখের চিকিৎসার জন্য উত্তর কলকাতার একটি হাসপাতালে ভরতি হয়েছিলেন তিনি। এরপর তাঁর শরীরে করোনার একাধিক উপসর্গ দেখা দেয়। সন্দেহ দানা বাঁধতেই নমুনা পাঠানো হয় পরীক্ষার জন্য। রিপোর্ট পজিটিভ আসতেই চিকিৎসার জন্য তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি করা হয়েছিল। দীর্ঘদিন মেডিক্যাল কলেজের গ্রিন বিল্ডিংয়ের চার তলায় চিকিৎসা চলেছে তাঁর। অবশেষে মারণ ভাইরাসের সঙ্গে অদৃশ্য লড়াইয়ে জয়ী হয়েছেন বিমলবাবু।

[আরও পড়ুন: মা ও তার প্রেমিকই খুন করেছে বাবাকে! মৃতের মেয়ের বয়ানে খড়গপুরে যুবক মৃত্যুর রহস্যভেদ]
রবিবারই হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন তিনি। এদিন ভাইপোর হাত ধরে বিমলবাবু এলাকায় ঢুকতেই হাততালি দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানান স্থানীয়রা। ঘরে ফিরে কোভিডজয়ী বৃদ্ধ বলেন, “মনের জোর থাকলে সব কিছুই জয় করা যায়।” প্রসঙ্গত, শরীরে ছোবল বসিয়েছে নোভেল করোনা ভাইরাস, একথা জানার পরও প্রানবন্ত ছিলেন ওই বৃদ্ধ। সম্প্রতি তাঁর ওয়ার্ডের চিকিৎসক, নার্স, অন্যান্য কর্মী ও রোগীদের মিষ্টি খাইয়ে জন্মদিনও পালন করেছিলেন। উল্লেখ্য, জন্মলগ্ন থেকেই প্রতিদিন নিয়ম করে আসেন বিজেপির রাজ্য দপ্তরে আসতেন বিমলবাবু। সেখানে তাঁর বসার নির্দিষ্ট জায়গাও রয়েছে। বিজেপির রাজ্য থেকে কেন্দ্রীয় নেতা, সকলের প্রিয় মানুষ এই বৃদ্ধ।
[আরও পড়ুন: করোনা কালেও পুরোদমে কাজ, ৫১টি ইঞ্জিন তৈরি করে নজির চিত্তরঞ্জন রেল কারখানার]
সর্বশেষ খবর
-
উত্তরপ্রদেশ-পাঞ্জাব-সহ পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন কবে? ইঙ্গিত মিলল কমিশন সূত্রে
-
স্বাধীনতা বিপ্লবে গণেশ চতুর্থীই ছিল লোকমান্য তিলকের অস্ত্র, কীভাবে গণপতি হলেন ‘গণনায়ক’?
-
বাংলায় এসে বাঙালিকেই অপমান! ‘ভণ্ড’ বিতর্কে বাগেশ্বরের বিরুদ্ধে ভবানীপুর থানায় দায়ের অভিযোগ
-
রাস্তায় থুতু ফেললেই হবেন ক্যামেরাবন্দি! আসানসোলে মাত্র ৫ দিনে জরিমানা আদায় এক লক্ষ
-
প্রত্যেক বাড়িতে লাইব্রেরি, মুছে যাবে নিরক্ষরতা! শামুকতলার তিন গ্রাম হবে ‘বইগ্রাম’