২৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

২৩ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  মঙ্গলবার ১০ ডিসেম্বর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পানশালার গায়কের রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়াল বরাহনগর এলাকায়। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে পানশালার কর্মীরাই ট্যাক্সি করে বাড়ি পৌঁছে দেয় ওই যুবকের দেহ। পরিবারের অভিযোগ, পানশালার কর্মীরাই খুন করেছে দেবাশিস নামে ওই পানশালার গায়ককে। ইতিমধ্যেই ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্দেহে পানশালার মালিক-সহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করেছে বরাহনগর থানার পুলিশ।

[আরও পড়ুন: জল্পনার অবসান, বুধবারই বিজেপিতে যোগ দিচ্ছেন শোভন-বৈশাখী]

দেবাশিস বিশ্বাস উত্তর ২৪ পরগনার বরাহনগরের বাসিন্দা। বউবাজারের একটি পানশালায় গান করতেন তিনি। অন্যান্যদিনের মতো মঙ্গলবারও কাজে গিয়েছিলেন ওই যুবক। বিকেল ৫ টা নাগাদ বাড়িতে ফোনও করেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই কথা বলেছিলেন। এরপর রাতের দিকে একটি ট্যাক্সিতে করে দেবাশিসবাবুর দেহ বাড়িতে নিয়ে যায় তাঁর সহকর্মীরা। জানানো হয়, মৃত্যু হয়েছে দেবাশিসের৷ সেই সময়ই তাঁর  সহকর্মীদের কথায় সন্দেহ হয় ওই যুবকের পরিবারের সদস্যদের। এরপর রাতেই গোটা ঘটনাটি জানিয়ে বরাহনগর থানায় অভিযোগ জানান মৃতের বাড়ির সদস্যরা। থানার তরফে বউবাজার থানায়ও একটি অভিযোগ দায়ের করতে বলা হয়।  রাতেই বউবাজার থানায়ও অভিযোগ দায়ের করেন দেবাশিসের পরিজনেরা৷ এরপরই ওই খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে পানশালার মালিক সামশের শেখ-সহ ২ জনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।

জানা গিয়েছে, দেবাশিসের দেহে আঘাতের চিহ্ন মিলেছে। প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, ভারী কোনও বস্তু দিয়ে আঘাত করেই খুন করা হয়েছে দেবাশিস বিশ্বাসকে। তবে পানশালার কর্মীদের দাবি, পানশালায় অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন ওই যুবক। এরপর তাঁকে কলকাতা মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে যাওয়া হলে, সেখানেই মৃত বলে ঘোষণা করা হয়। কিন্তু পরিবারের অভিযোগ, মেডিক্যাল কলেজের কোনও চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হয়নি ওই যুবককে। আর এখানেই ঘনীভূত হচ্ছে রহস্য। কেন চিকিৎসকের কাছে নিয়ে যাওয়া হল না দেবাশিসকে? পরিবারকে হাসপাতালে না ডেকে কেন দেহ নিয়ে যাওয়া হল বাড়িতে?  ধৃতদের জিজ্ঞাসাবাদ করলে এই রহস্যের জট খুলবে বলে মনে করছেন তদন্তকারীরা। 

[আরও পড়ুন:দিদিকে বলেই রক্ষা, বন্যাবিধ্বস্ত কর্ণাটকে উদ্ধার ২০টি বাঙালি পরিবার]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং