Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
এটিএম প্রতারণা

এক ফোনে ফাঁকা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, যাদবপুর থেকে ধৃত আর্থিক প্রতারণা চক্রের পাণ্ডা

এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২০, ১৯:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২০, ১৯:৫২

options
link
এক ফোনে ফাঁকা ব্যাংক অ্যাকাউন্ট, যাদবপুর থেকে ধৃত আর্থিক প্রতারণা চক্রের পাণ্ডা zoom

দেবব্রত মণ্ডল, বারুইপুর: এক ফোনে সর্বস্বান্ত হয়েছে বহু পরিবার। এটিএমের পিন জেনে অথবা এটিএমের কার্ডে থাকা নম্বর কৌশলে হাতিয়ে প্রতারণা করেছে দীর্ঘদিন ধরে। শুধু তাই নয় প্রতারণা চক্র চালানোর জন্য ঝাঁ চকচকে অফিস খুলে বসে ছিল প্রতারকরা। আর এই কাজ করার জন্য নিয়োগ করা হয়েছিল বেশ কয়েকজন কর্মী। কম্পিউটার বসিয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হত তাদের। মোটা মাইনেও দেওয়া হত। লকডাউনের সময়ও দিব্যি চালিয়ে গেছে এই কারবার। আর্থিক মন্দার কারণেও ঘাটতি পাড়েনি তাদের এই চক্রের। উলটে বেড়েছে ব্যবসা। অবশেষে এটিএম চক্রের কিংপিন ধরা পরল পুলিশের জালে। সোমবার সকালে যাদবপুরের (Jadavpur) একটি কল সেন্টারে হানা দিয়ে এই কাজের মাস্টারমাইন্ড রাহুল যাদবকে গ্রেপ্তার করেছে সোনারপুর থানার পুলিশ। রাহুলের বাড়ি ভিনরাজ্যে বলে জানিয়েছে পুলিশ। 

জেলা পুলিশ সূত্রে খবর, গত কয়েকদিন আগে সোনারপুরের এক ব্যক্তি থানাতে অভিযোগ জানান তাঁর ব্যাংক থেকে ৯০ হাজার টাকা তুলে নেওয়া হয়েছে। সেই ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ। আর সেই ঘটনার তদন্তে নেমে সোমবার সকালে যাদবপুরের একটি কল সেন্টারে অভিযান চালায় সোনারপুর থানার পুলিশ। সেখান থেকেই রাহুল কুমার সিং নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশের ধারণা রাহুলের নেতৃত্বেই ওই কল সেন্টার থেকে এটিএম প্রতারণা চক্র চালানো হত। বেশ কিছু নথিও উদ্ধার হয়েছে ওই কলসেন্টার থেকে।

Advertisement

[আরও পড়ুন: পুরনো সৈনিকেই ভরসা বঙ্গ বিজেপির! একুশের আগে বড় পদ পেতে পারেন তথাগত]

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বেশ কিছুদিন ধরেই সোনারপুরের বিভিন্ন এলাকার মানুষ পুলিশের কাছে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ জানাচ্ছিলেন। পুলিশ সেই ঘটনার তদন্ত নেমে জানতে পারে প্রতারিতদের প্রতারিত হওয়ার পদ্ধতিটা প্রায় একইরকম। পুলিশি জেরায় ধৃত স্বীকার করেছে শুধু সোনারপুর নয়। কলকাতা এবং আশেপাশের এলাকা থেকে তারা বিভিন্নভাবে ব্যাংকে রাখা গ্রাহকদের টাকা প্রতারণা করেছে। ধৃতকে এদিন বারুইপুর মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক তার পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন। এই ঘটনায় আর কেউ জড়িত কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

[আরও পড়ুন: ‘কাজে স্বচ্ছতা আছে, তবু কিছু লোক ঘেউঘেউ করছে’, নাম না করে ধনকড়কে কড়া আক্রমণ মমতার]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.