৩১ ভাদ্র  ১৪২৬  বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

অর্ণব আইচ: মহিলাকে খুন করে চাদরে মোড়া দেহ লোপাটের চেষ্টা৷ তবে ফ্ল্যাটের নীচে দেহ ফেলে রেখেই বেপাত্তা অভিযুক্তরা৷ বেহালার বাসুদেবপুর রোডে চাদরে মোড়া মহিলার দেহ উদ্ধারের ঘটনায় রহস্যের ভিড়৷ মেয়ে-জামাইয়ের চক্রান্তে ওই মহিলা খুন হয়েছেন বলেই অনুমান পুলিশের৷ যদিও ঘটনার পর থেকে ফেরার তাঁর স্বামীও৷ মহিলার রহস্যমৃত্যুর ঘটনায় তথ্যের খোঁজে আপাতত প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলছে পুলিশ৷

[আরও পডু়ন: দুর্ঘটনাগ্রস্ত জাগুয়ার থেকে উদ্ধার রাঘিবের মোবাইল, কললিস্টে নজর পুলিশের]

রবিবার সকালে বেহালার বকুলতলার বাসুদেবপুর রোডে ফ্ল্যাটের নীচে কাপড়ে মোড়া একটি বস্তু পড়ে থাকতে দেখেন স্থানীয়রা৷ তাতেই সন্দেহ হয়৷ তবে প্রথমে তা নিয়ে বিশেষ মাথাব্যথা করেননি কেউই৷ কিছুক্ষণের মধ্যে বেশ কয়েকটি কুকুর কাপড়ে মোড়া বস্তুটি নিয়ে টানাটানি করতে শুরু করে৷ তাতেই চাদর বাঁধা অবস্থা থেকে এক মহিলার দু’টি পা বাইরে বেরিয়ে আসে৷ তা দেখে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন স্থানীয়রা৷ খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পর্ণশ্রী থানার পুলিশ৷ দেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তে পাঠানো হয়৷

স্থানীয়দের দাবি, নিহত ওই মহিলার নাম শম্পা চক্রবর্তী৷ তিনি ৪২ বছর বয়সি৷ তাঁর স্বামী রাতপ্রহরীর কাজ করেন৷ মেয়ে এবং জামাইও রয়েছে শম্পার৷ বকুলতলার অনিন্দিতা অ্যাপার্টমেন্টের তিন তলার ফ্ল্যাটের বাসিন্দা ছিলেন তিনি৷ দেহ উদ্ধারের সময় মহিলার গলার নলিকাটা ছিল৷ এছাড়াও মুখে জড়ানো ছিল প্লাস্টিক৷ এছাড়া মৃতদেহের পাশ থেকে একটি ট্রলি ব্যাগও উদ্ধার করা হয়েছে৷ দেহ উদ্ধারের পর থেকেই ওই মহিলার স্বামী, মেয়ে এবং জামাইয়ের কোনও খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না৷ প্রাথমিক তদন্তে পুলিশের অনুমান, খুন করে দেহ লোপাটের চেষ্টা করা হচ্ছিল৷ পরিবারের লোকেদের খোঁজ না মেলায় পুলিশের সন্দেহ তারা এই ঘটনায় জড়িত৷

[আরও পড়ুন: পাওনা টাকা চেয়ে মিলল সপাটে চড়, মৃত্যু যুবকের]

ওই ফ্ল্যাটেরই এক বাসিন্দা বলেন, ‘‘প্রতিদিনের মতো শনিবার গভীর রাতে অফিস সেরে স্বামীর বাড়ি ফেরার অপেক্ষা করছিলাম৷ রাত তিনটে নাগাদ স্বামীর জন্য ফ্ল্যাটের দরজা খুলি৷ তখন দেখি তিনতলা থেকে একটি কাপড়ে মোড়া ভারী জিনিস নিয়ে নামছেন শম্পার মেয়ে এবং জামাই৷ তাদের হাতে একটি ট্রলি ব্যাগও ছিল৷ ভেবেছিলাম হয়তো কোথাও বেড়াতে যাচ্ছে৷ তবে তাদের কিছু জিজ্ঞাসা করিনি৷ এরপর স্বামীও ঘরে ঢুকে পড়েন তাই দরজা বন্ধ করে দিয়েছিলাম৷’’ প্রতিবেশী মহিলার দাবি ঘিরে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা৷ তাঁর বয়ানের ভিত্তিতেই পুলিশ নিশ্চিত যে মেয়ে-জামাই খুন করেছে শম্পাকে৷ কিন্তু কী কারণে খুন করা হল মহিলাকে? মেয়ে-জামাইয়ের চক্রান্তে কি তাঁর স্বামীও শামিল? খুনের নেপথ্যে সম্পত্তিগত বিবাদ নাকি অন্য কোনও কারণ রয়েছে, এমনই নানা প্রশ্ন ভাবাচ্ছে পুলিশ আধিকারিকদের৷ 

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং