৫ আশ্বিন  ১৪২৬  সোমবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: জাগুয়ার দুর্ঘটনা কাণ্ডে পুনর্নির্মাণের সময় ওই গাড়ি থেকে মোবাইল এবং চশমা উদ্ধার করল পুলিশ৷ দুর্ঘটনার পর পালানোর সময় মোবাইলটি রেখে পালিয়ে গিয়েছিল বলেই জেরায় স্বীকার করেছে রাঘিব৷ অভিযুক্তের কললিস্ট খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা৷

[আরও পড়ুন: পাওনা টাকা চেয়ে মিলল সপাটে চড়, মৃত্যু যুবকের]

গত শনিবার রাতে লাউডন স্ট্রিটে বেপরোয়া গতির জাগুয়ার ধাক্কা মারে মার্সেডিজে৷ এরপর পুলিশ কিয়স্কে সজোরে ধাক্কা৷ বৃষ্টির হাত থেকে রেহাই পেতে তখন কিয়স্কের সামনে এসে দাঁড়িয়েছিলেন দু’জন বাংলাদেশি-সহ আরও অনেকেই৷ জাগুয়ারের চাকায় পিষে যান দু’জন বাংলাদেশি৷ দুর্ঘটনা কাণ্ডে প্রথমে নামী রেস্তরাঁর মালিকের ছেলে আরসালান পারভেজকে গ্রেপ্তার করা হয়৷ তবে তদন্তে উঠে আসে বিস্ফোরক তথ্য৷ আরসালান নয় তার দাদা রাঘিবই যে গাড়ি চালাচ্ছিল, সে তথ্য জানা গিয়েছে৷ অভিযুক্ত রাঘিব আপাতত পুলিশ হেফাজতে৷ প্রায় প্রতিদিনই জেরা করা হচ্ছে তাকে৷ এদিন অভিযুক্ত রাঘিবকে নিয়ে শনিবার ঘটনার পুনর্নির্মাণ করা হয়৷ তাতেই উঠে আসে নয়া তথ্য৷

পুনর্নির্মাণের সময় দুর্ঘটনাগ্রস্ত ওই জাগুয়ার থেকে পুলিশ রাঘিবের মোবাইল এবং তার বন্ধুর চশমা উদ্ধার করেছে৷ পুলিশকে রাঘিব জানায়, দুর্ঘটনার পর কোনওক্রমে গাড়ি থেকে নেমে পালিয়ে যায় সে৷ তাই তাড়াহুড়োয় মোবাইল কিংবা চশমা কিছুই আর নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি৷ সে আরও জানায়, দুর্ঘটনার সময় ওই গাড়ির গতিবেগ অত্যন্ত বেশি ছিল৷ স্পিডোমিটারের মাধ্যমে পুলিশ জানতে পেরেছে দুর্ঘটনার সময় গাড়ির গতিবেগ ছিল ঘণ্টায় প্রায় ১০০-১৫০ কিলোমিটার৷ এছাড়াও সেই সময় গাড়ির ভিতরে প্রচণ্ড শব্দে গান বাজছিল৷ তাই দুর্ঘটনার সময় প্রথমে কিছুই বুঝতে পারেনি রাঘিব৷

[আরও পড়ুন: বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্কে বাধা, চায়না টাউনে স্ত্রী-বাবাকে খুন ছেলের]

দুর্ঘটনার আগে একটি জন্মদিনের পার্টিতে গিয়েছিল শহরের নামী রেস্তরাঁর মালিকের বড় ছেলে রাঘিব৷ তাই সে নেশাগ্রস্ত থাকার সম্ভাবনাও উড়িয়ে দিচ্ছেন না তদন্তকারীরা৷ তবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার আগে এখনই নিশ্চিত হয়ে কিছু বলতে নারাজ পুলিশ৷ আপাতত জাগুয়ার দুর্ঘটনা কাণ্ডের মূল অভিযুক্ত রাঘিবের কললিস্টের দিকে নজর তদন্তকারীদের৷ ওইদিন রাতে সে কার কার সঙ্গে কথা বলেছে তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং