Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু, জরিমানা শহরের দুই নামী হাসপাতালকে

দীর্ঘ এক যুগ লড়াই শেষে মিলল জয়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯, ১৫:৩০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৬, ২০১৯, ১৫:৩০

options
link
ভুল চিকিৎসায় রোগীর মৃত্যু, জরিমানা শহরের দুই নামী হাসপাতালকে zoom
Advertisement

স্টাফ রিপোর্টার: দীর্ঘ এক যুগ লড়াই শেষে মিলল জয়। ছেলের মৃত্যুর বিচার পেলেন বাবা। চিকিৎসায় গাফিলতির জেরে ২১ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হল শহরের দুই বেসরকারি হাসপাতালকে। রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা কমিশনের আদেশ আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে ক্ষতিপূরণের টাকা তুলে দিতে হবে মৃতের পরিবারের হাতে। ২০০৬ এর মে মাসে জ্বর নিয়ে বিশুদ্ধানন্দ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন বছর সতেরোর মণীশকুমার সিং। অভিযোগ হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পরেই অবস্থার অবনতি হতে থাকে একাদশ শ্রেণির ছাত্র মণীশের। তাঁর দাদা বিবেক সিংয়ের দাবি, ‘আমার ভাইয়ের টিবি ছিল না। চিকিৎসকরা ওকে টিবির ওষুধ দিয়েছিল। দীর্ঘদিন এই ওষুধ নেওয়ার ফলেই ওর শরীরের অবস্থা আরও খারাপ হতে থাকে।’ তিন সপ্তাহেও জ্বর না কমায় চিকিৎসক এন আর বনশালির কাছে ছেলেকে নিয়ে যান রাজেন্দ্র সিং। বেশ কিছুদিন বিশুদ্ধানন্দ হাসপাতালে চিকিৎসা হওয়ার পরেও আরোগ্য না মিললে অসুস্থ ছেলেকে কোঠারি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করতে বলেন ডাঃ বনশালি। কোঠারিতে রোগীকে চিকিৎসা করছিলেন ডাঃ এস পট্টনায়ক। বিবেকের অভিযোগ, ‘কোঠারিতে আনার সঙ্গে সঙ্গে ভাইকে আইসিসিইউতে ঢুকিয়ে দেওয়া হয়। সাতদিন আইসিসিইউ থাকার পর ভাইকে যখন বের করা হয় তখনও ওর অবস্থা অত্যন্ত সঙ্গীন।’

[তালা পড়তে চলেছে এবার আলিপুর-প্রেসিডেন্সি জেলে]

২০০৬ সালের মে মাসে মৃত্যু হয় মণীশের। বিবেক জানিয়েছেন, ‘দুই চিকিৎসক আর দুই হাসপাতাল কেউই ভাইয়ের অসুখ ধরতে পারেনি। উলটে ভুল ওষুধ দিয়ে অসুখটা আরও বাড়িয়ে দিয়েছিল। এরপরেই আমরা ঠিক করি রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা কমিশনে যাব। লাখ লাখ টাকা খরচ করে চিকিৎসাই পেলাম না। এর বিচার হওয়ার প্রয়োজন ছিল।’ লড়াই সোজা ছিল না। চিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত কাগজ পত্র জমা দেওয়া হয় রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা কমিশনে। দীর্ঘ ১২ বছর শুনানির শেষে অবশেষে রাজ্য ক্রেতা সুরক্ষা কমিশন দোষী সাব্যস্ত করল দুই চিকিৎসক ও দুই হাসপাতালকেই। রায়ে বলা হয়েছে ডাঃ বনশালি ও ডাঃ পট্টনায়েককে যথাক্রমে ১০ লক্ষ ও ৫ লক্ষ টাকা দিতে হবে। মাত্র ১৭ বছর বয়সে ছেলেকে হারিয়ে মানসিক ভাবে ভেঙে পড়েছিলেন বাবা। তাদের এই মানসিক ক্ষতির জন্য বিশুদ্ধানন্দ ও কোঠারিকেও ৪ লক্ষ ও ২ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে এই টাকা তুলে দিতে বলা হয়েছে রাজেন্দ্র সিংয়ের হাতে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

[গরমে গরম হবে পিঁয়াজের বাজারও, মাথায় হাত মধ্যবিত্তর]

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.