Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ২৮ আগস্ট ২০২৬
আনন্দপুর

জট বাড়ছে আনন্দপুরে গাড়িতে তরুণীর শ্লীলতাহানির ঘটনায়, ২৪ ঘণ্টা পরও অধরা অভিযুক্ত

হাতে আসা নতুন কয়েকটি সূত্র ধরে এগোচ্ছে পুলিশ।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২০, ১০:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ৭, ২০২০, ১০:৪৬

options
link
জট বাড়ছে আনন্দপুরে গাড়িতে তরুণীর শ্লীলতাহানির ঘটনায়, ২৪ ঘণ্টা পরও অধরা অভিযুক্ত zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ: রাতের অন্ধকারে আনন্দপুরে (Anandapur) গাড়ির মধ্যে তরুণীর শ্লীলতাহানি, গাড়ি থেকে ফেলে পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এখনও অভিযুক্তের নাগাল পাওয়া গেল না। তবে ঘটনার তদন্তে নেমে বেশ কয়েকটি নতুন তথ্য হাতে এসেছে পুলিশের। তার ভিত্তিতেই তদন্ত এগোচ্ছে। জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত এবং নিগৃহীতা তরুণী একই অফিসে চাকরি করতেন। এদিকে, তরুণীকে বাঁচাতে গিয়ে দুর্ঘটনার শিকার হওয়া মহিলার আজ অস্ত্রোপচার। শনিবার রাতে তাঁর পায়ের উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়েছিল অভিযুক্ত যুবক।

ঘটনার সূত্রপাত শনিবার রাতে, আনন্দপুর এলাকায়। ফেসবুকে আলাপ হওয়া বন্ধুর সঙ্গে পঞ্চসায়রের বাসিন্দা, পেশায় ব্যাংক কর্মী তরুণী দেখা করতে গিয়েছিলেন। কথায় কথায় রাত বাড়তে থাকায় তিনি বাড়ি ফেরার তোড়জোড় করেন। সেইমতো অমিতাভ বসু নামে তাঁর সঙ্গী গাড়িতে তুলে বাড়ি ফেরানোর প্রতিশ্রুতিও দেন। কিন্তু পঞ্চসায়রের দিকে না গিয়ে গাড়ি অন্যদিকে যায়। তাতে প্রতিবাদ জানান তরুণী। এরপর গাড়ির মধ্যেই তাঁর শ্লীলতাহানি করা হয় বলে অভিযোগ। চলে মারধরও। রাস্তায় গাড়ির মধ্যে যখন এই পরিস্থিতি, সেসময় সেখান দিয়ে গাড়িতে যাচ্ছিলেন এক দম্পতি। তাঁরাই এগিয়ে এসে তরুণীকে উদ্ধার করেন। তাতে বেগতিক বুঝে অভিযুক্ত যুবক নিজের গাড়িটি উদ্ধারকারী মহিলার পায়ের উপর দিয়ে চালিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।

Advertisement

[আরও পড়ুন: টাকা-গয়না বাঁচাতে গিয়ে স্বামীর হাতে খুন তরুণী, তিলজলার বাড়ি থেকে উদ্ধার গলা কাটা দেহ]

এরপর পুলিশের সাহায্যে তরুণীকে বাড়ি ফেরানো হয় এবং মহিলার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা হয়। তাঁর পা যেভাবে জখম হয়েছে, তাতে অস্ত্রোপচার ছাড়া সুস্থ করার উপায় নেই। আজ তাঁর অস্ত্রোপচার (Operation)। এদিক, ঘটনার ২৪ ঘণ্টার পেরিয়ে গেলেও যুবকের হদিশ মেলেনি।

[আরও পড়ুন: খাস কলকাতায় কলেজে ভরতির নামে দেড় লক্ষ টাকার জালিয়াতি, দায়ের অভিযোগ]

পুলিশ তদন্তে নেমে জানতে পেরেছে, এই তরুণী এবং অভিযুক্ত একই অফিসের দুটি আলাদা বিভাগে চাকরি করতেন। সেইসূত্রেও তাঁদের আলাপ ছিল। তরুণীর মোবাইল ফোন থেকে ওই যুবক সম্পর্কে কোনও তথ্যই মেলেনি। দেখা গিয়েছে, সেখানে যোগাযোগ নম্বর থেকে শুরু করে হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট – সবই মুছে ফেলা হয়েছে। তরুণীর অভিযোগ, সেদিন গাড়িতেই তাঁর থেকে মোবাইল কেড়ে নিয়ে সব মুছে দেয় অভিযুক্ত যুবক। ফলে তার নাগাল পাওয়া কিছুটা কঠিন হয়ে দাঁড়াচ্ছে পুলিশের কাছে। সূত্রের খবর, পুলিশ তাঁর অফিসে গিয়ে খোঁজখবর চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। সবমিলিয়ে, ঘটনা ঘিরে জটিলতা বাড়ছে। বাড়ছে তরুণীর আশঙ্কাও।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.