স্টাফ রিপোর্টার: অক্ষরে অক্ষরে মানতে হবে অগ্নিনির্বাপণ বিধি। রীতিমতো এই শর্তেই মুচলেকা দিয়ে টানা চারমাস বন্ধ থাকার পর খুলে গেল ছাদ রেস্তরাঁ। পুরসভা থেকে এনওসি (নো অবজেকশন সার্টিফিকেট) পাওয়ার পরই জওহরলাল নেহরু রোডের ওই ছাদ রেস্তরাঁটি ফের খোলার নির্দেশ দেওয়া হয়। বিধি মানার শর্তে শহরের বাকি ছাদ রেস্তরাগুলিও খোলা যাবে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে পুরসভা।

বড়বাজারের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডে ১৪ জনের মৃত্যুর পর কঠোর পদক্ষেপ নেয় রাজ্য সরকার ও পুরসভা। পুরসভা বিধিসম্মত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা নেই এমন প্রায় ৮৪টি ছাদ রেস্তরাঁ গত ২ মে বন্ধ করে দেয় পুরসভা। পুরসভার এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানায় হোটেল অ্যান্ড রেস্টুরেন্ট অ্যাসোসিয়েশন অফ ইস্টার্ন ইন্ডিয়ার মতো সংগঠন। তারপর, দিনকয়েক আগে কলকাতার মেয়র তথা পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিম অগ্নিনির্বাপণ সংক্রান্ত এসওপি (স্ট্যান্ডার্ড অপারেটিং প্রসিডিওর) প্রকাশের সময় জানিয়েছিলেন, পুজোর আগে ছাদ রেস্তরাঁ খুলে গেলে আয় বাড়বে। কারণ এগুলির সঙ্গে অসংখ্য কর্মী জড়িত। তাঁদের আয় হবে। তবে অগ্নিনির্বাপণ বিধি মানা হবে এই শর্তে পুরসভাকে মুচলেখা দিতে হবে। যেখানে প্রায় ২৩ দফা নিয়মের কথা বলা হয়েছে।
নিয়ম মেনে জওহরলাল নেহরু রোডের ছাদ রেস্তরাঁ দিন পাঁচেক আগে খুলে গিয়েছে। আরও একটি রেস্তরাঁ খোলার অপেক্ষায়। পুরসভা এই সংক্রান্ত যাবতীয় নথি খতিয়ে দেখছে। যেসব ছাদ রেস্তরাঁ বন্ধ, সেগুলি পুনরায় চালু করার জন্য ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় ধার্য করা হয়েছে। তিনমাসের জন্য মুচলেখা দিতে হচ্ছে। এরপর পুলিশ, পুরসভা ও দমকল একযোগে পরিদর্শন করবে। বিচ্যুতি হলে সেই রেস্তরাঁর লাইসেন্স বাতিল করা হবে।
সর্বশেষ খবর
-
ধর্মতলা চত্বরে সম্ভব নয় ২১ জুলাইয়ের সভা! ৬০ দিন জারি ১৬৩ ধারা, কী করবে কালীঘাট তৃণমূল?
-
জামিন মিলল না, হাজতে রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী উদয়ন ও উজ্জ্বল বিশ্বাস!
-
পুলিশের কাজে বাধা! এবার অপরূপার বিরুদ্ধে মামলা, মঙ্গলেই যেতে হবে থানায়
-
‘এই ভূখণ্ড পাকিস্তানের নয়, ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ করব’, শাহবাজের বুক কাঁপিয়ে হুঁশিয়ারি পিওকে-বাসীর
-
চুরিতে সাহায্য! রাম মন্দির কাণ্ডে এবার নজরে ব্যাঙ্কও, কতটা গভীরে শিকড়?