Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
জগদীপ ধনকড়

সংঘাত অতীত, আমফান পরবর্তী পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর তহবিলে ৫০ লক্ষ টাকা দান ধনকড়ের

রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২০, ১২:৪০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২২, ২০২০, ১২:৪০

options
link
সংঘাত অতীত, আমফান পরবর্তী পরিস্থিতিতে মুখ্যমন্ত্রীর তহবিলে ৫০ লক্ষ টাকা দান ধনকড়ের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমফানে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে রাজ্যের। বৃহস্পতিবারই টুইট করে ক্ষয়ক্ষতি নিয়ে আশঙ্কা প্রকাশ করেছিলেন বাংলার রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। শুক্রবারই তিনি আমফানে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য মুখ্যমন্ত্রীর তহবিলে ৫০ লক্ষ টাকা দান করলেন তিনি। প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে হেলিকপ্টারে উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার পরিস্থিতি সরেজমিনে খতিয়ে দেখবেন বলেও টুইটে জানিয়েছেন রাজ্যপাল।

বুধবার ১৩৩ কিলোমিটার বেগে আমফান কলকাতার উপর দিয়ে বয়ে গিয়েছে। তার দাপটে ঘটেছে প্রাণহানি। ভেঙে গিয়েছে গাছ এবং বিদ্যুতের খুঁটি। তার ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিভিন্ন এলাকায় ব্যাহত বিদ্যুৎ, জল এবং ইন্টারনেট পরিষেবা। কলকাতার মতো দশা উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুর, হাওড়া, হুগলি, নদিয়া-সহ একাধিক জেলার। আমফানের দাপটে গোটা বাংলাই প্রায় ধ্বংসাবস্তূপে পরিণত হয়েছে বলে আগেই জানিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বৃহস্পতিবার টুইট করে বাংলায় প্রচুর ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়। তাঁর টুইটে থাকা ‘ন্যূনতম’ শব্দ নিয়ে মাথাচাড়া দেয় বিতর্ক। শুক্রবার আবারও টুইট করেন রাজ্যপাল। ৫০ লক্ষ টাকা মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দেবেন বলেই জানান তিনি। সকলকে রাজ্যের পাশে এসে দাঁড়ানোর আবেদনও জানান তিনি।

Advertisement

[আরও পড়ুন: আমফান পরবর্তী বাংলা দেখতে দিল্লি থেকে রওনা মোদির, মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বসবেন বৈঠকে]

এদিকে, শুক্রবার আমফান পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে রাজ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি আকাশপথে উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আকাশপথে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ও। কোন পথে বিপর্যস্ত এলাকা খতিয়ে দেখবেন তার একটি রুটম্যাপও তৈরি করা হয়। ঘূর্ণিঝড়ের অভিঘাতে ঠিক কতটা ক্ষতি হয়েছে তা খতিয়ে দেখার পরই বসিরহাটে প্রধানমন্ত্রী এবং মুখ্যমন্ত্রীর বৈঠক। 

এদিকে, শুক্রবার সকালে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ এবং ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী নবীন পট্টনায়েকের সঙ্গে ফোনে কথা হয় বাংলার মুখ্যমন্ত্রীর। পরিস্থিতি দেখে চোখে জল এসে যাচ্ছে বলে মুখ্যমন্ত্রীকে জানান রাষ্ট্রপতি।

আমফান পরবর্তী বাংলার পরিস্থিতিতে সবরকম সাহায্যের আশ্বাস দেন ওড়িশার মুখ্যমন্ত্রী।

[আরও পড়ুন: আমফানে বিপর্যস্ত বাংলা, উদ্ধারে রাজ্যে আরও ৪ দল বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.