BREAKING NEWS

১২ কার্তিক  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ২৯ অক্টোবর ২০২০ 

Advertisement

পুজোর আগে সুখবর, পর্যটকদের জন্য আগামী মাসেই রাজ্যে খুলছে চিড়িয়াখানা

Published by: Sayani Sen |    Posted: September 18, 2020 4:15 pm|    Updated: September 18, 2020 6:56 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:  আনলক ফোরে (Unlock 4) ফের স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে গোটা দেশ। ব্যতিক্রম নয় বাংলাও। এবার পুজোর আগেই আমজনতাকে সুখবর শোনাল রাজ্য সরকার। কারণ, আগামী ২ অক্টোবর থেকে খুলছে রাজ্যের সমস্ত চিড়িয়াখানা (Zoo)। তার আগে চলতি মাসেই খুলছে বিভিন্ন পার্ক এবং উদ্যানের দরজা। তবে চিড়িয়াখানা, পার্ক কিংবা উদ্যানে যাতায়াতের ক্ষেত্রে অবশ্যই কিছু কোভিডবিধি মানতে হবে পর্যটকদের। 

করোনা (Coronavirus) পরিস্থিতিতে গত ১৭ মার্চ থেকেই চিড়িয়াখানা, পার্ক এবং একাধিক উদ্যানে সাধারণ মানুষের আনাগোনা বন্ধ হয়ে যায়। প্রায় ছ’মাস পর আবারও স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে এই সমস্ত পর্যটন কেন্দ্র। তবে সংক্রমণ যাতে না হয়, তাই সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। ঠিক কী কী নিয়ম মানতে হবে, তা জানিয়েছে রাজ্য সরকার।
সেগুলি হল:
১. এবার থেকে যেকোনও জায়গায় প্রবেশের টিকিট বুকিং করতে হবে অনলাইনে। 
২. ১০ বছরের নিচে এবং ৬৫ বছরের উপরে কাউকে নিয়ে ভ্রমণ করলে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
৩. পর্যটকদের অবশ্যই মাস্ক (Mask) ব্যবহার করতে হবে।
৪. বোটিং কিংবা পার্কে কোনও প্রমোদমূলক সামগ্রী ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্যানিটাইজার (Sanitizer) সবসময় ব্যবহার করতে হবে।
৫. আপাতত হাতি সাফারি বন্ধ থাকবে।
৬. কোভিড সংক্রমণের আশঙ্কা দেখা দিলে যেকোনও সময় পার্ক কিংবা চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ তা আংশিকভাবে বন্ধ করতে পারেন।

[আরও পড়ুন: পাহাড়ে ঘেরা এই রেলপথগুলির ভারচুয়াল সফর ছুঁয়ে যাবে ভ্রমণপিপাসু মনকে]

প্রবেশের ক্ষেত্রে বেশ কিছু বিধিনিষেধ জারি করা হয়েছে। চিড়িয়াখানা কিংবা পার্কে ঢোকার ক্ষেত্রে প্রত্যেকের থার্মাল চেকিং করা হবে। এছাড়াও সকলকে হাত জীবাণুমুক্ত করেই ঢুকতে হবে। জাতীয় উদ্যান কিংবা অভয়ারণ্যের ক্ষেত্রে আধিকারিক ছাড়া অন্য কারও গাড়ি ভিতরে ঢুকতে পারবে না। জিপ সাফারির ক্ষেত্রে একজন যাত্রীর পাশের আসন ফাঁকা রেখে বসতে হবে। ওয়াচ টাওয়ারে একসঙ্গে ২০ জনের বেশি কাউকে ঢুকতে দেওয়া হবে না। প্রত্যেক জায়গা দিনে কমপক্ষে দু’বার করে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। ইকো ট্যুরিজম ক্ষেত্রগুলির ক্ষেত্রেও রয়েছে কিছু সুনির্দিষ্ট কোভিডবিধি। ইকো টুরিজম যেকোনও আবাসস্থল দিনে দু’বার করে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। যাঁরা অতিথি আপ্যায়ণের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত তাঁদেরও সমস্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। মাত্র ৩০ শতাংশ পর্যটকের বুকিংই নিতে হবে। চিড়িয়াখানা খোলার আগে তা সম্পূর্ণ জীবাণুমুক্ত করতে হবে। যেকোনও পার্কের ভিতরে ফুড কর্নার থাকলে একসঙ্গে মাত্র ৩০ শতাংশ পর্যটককেই বসতে দেওয়া যাবে। সকলেই সামাজিক দূরত্ববিধি আদৌ মানছেন কিনা, সেদিকে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে খেয়াল রাখতে হবে।

দেখুন ভিডিও:

[আরও পড়ুন: করোনাতঙ্ক কাটিয়ে পর্যটকদের জন্য দরজা খুলছে সিকিম, তবে রয়েছে একাধিক নিয়মকানুন]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement