BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

‘বিকাশবাবু জিতলে খুশি হতাম’, ফেসবুক লাইভেও মিমিকে কটাক্ষ অনুপমের

Published by: Tiyasha Sarkar |    Posted: May 25, 2019 5:19 pm|    Updated: May 25, 2019 5:22 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ভোটপর্বে প্রচারের জন্য বারবার সোশ্যাল মিডিয়াকে ব্যবহার করেছেন যাদবপুরের বিজেপি প্রার্থী অনুপম হাজরা। ফল প্রকাশের পরেও একই ভাবে নিজের মতামত প্রকাশ করলেন বিজেপি প্রার্থী। যাদবপুরের ভাবী সাংসদকে কটাক্ষ করার পাশপাশি, পরাজয় মেনে নিয়ে এলাকার মানুষের পাশে থাকার আশ্বাস দিলেন অনুপম। 

[আরও পড়ুন: ভোট পরবর্তী সন্ত্রাস অব্যাহত, বাঁকুড়ায় তৃণমূল কার্যালয় দখল বিজেপির]

বিপুল ব্যবধানে প্রতিপক্ষকে পরাজিত করে প্রথম বারের মতো সাংসদ নির্বাচিত হয়েছেন তৃণমূলের তারকা প্রার্থী মিমি চক্রবর্তী। ইঁদুর দৌঁড়ে বেশ অনেকটাই পিছিয়ে পড়েছেন বিজেপির অনুপম হাজরা। ভোটের ফলাফল প্রকাশ্যে আসার পর সোশ্যাল মিডিয়ায় লাইভে এসে পরাজয় নিয়ে দু:খপ্রকাশ করেন তিনি। স্পষ্ট ভাষায় তিনি বলেন, “বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য যদি জিততেন সেটাও খুশি মনে মেনে নিতাম। কিন্তু যাদবপুরবাসীর কাছে এই বিচার মানতে পারছি না।” যাদবপুরের ভাবী সাংসদ মিমি চক্রবর্তীকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “মিমি, যিনি গ্লাভস পরে ভোট প্রচারে বের হয়েছিলেন, তিনি কীভাবে মানুষের পাশে থাকবেন?” এর পাশাপাশি তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোটে কারচুপির অভিযোগও তোলেন তিনি। এর আগেও ভোট প্রচারে নেমে একাধিকবার মিমি চক্রবর্তীর যোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন অনুপম। এদিনের তাঁর মন্তব্যও পরোক্ষভাবে সেই বক্তব্যকেই সমর্থন করে।

[আরও পড়ুন: মেয়ের অত্যাচারে আত্মহত্যার সিদ্ধান্ত, নমাজ পড়া বন্ধ রেখে বৃদ্ধাকে বাঁচালেন টোটোচালক]

এদিন অনুপম জানান, যাদবপুরের দায়িত্ব না পেলেও কেন্দ্রে মোদি রয়েছেন, তাই তাঁর হয়েই যাদবপুরবাসীর পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। অনুপম জানিয়েছেন, সকলের পাশে থাকার জন্য যাদবপুর এলাকাতেই একটি অফিস করবেন তিনি। যে কোনও মানুষ যে কোনও প্রয়োজনে তাঁকে পাশে পাবেন। মিমি চক্রবর্তী প্রসঙ্গে তিনি বলেন, যাদবপুরের সাংসদকে তো মানুষের প্রয়োজনে দেখা যাবে না। তাই আমিই তাঁদের পাশে দাঁড়াব। বিপুল ব্যবধানে পরাজিত হওয়ার পর এভাবেই যাদবপুরবাসীর চিন্তাভাবনা ও তাঁদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন তুললেন অনুপম হাজরা। তবে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের জয়ে অনুপমের খুশি হওয়ার বিষয়টি নিয়ে জল্পনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।       

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement