২১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৬  রবিবার ৮ ডিসেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

অর্ণব আইচ: জাগুয়ার কাণ্ডে জামিনে মুক্ত আরসালান পারভেজ এবং তার মামা মহম্মদ হামজা৷ জামিনে মুক্তি পেলেও বিদেশে যেতে পারবে না শহরের নামী রেস্তরাঁর মালিকের ছোট ছেলে৷ কারণ তদন্তকারী আধিকারিকের কাছে তাকে জমা রাখতে হবে পাসপোর্ট৷ অন্যদিকে, আগামী ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতেই থাকতে হবে আরসালানের দাদা রাঘিব পারভেজকে৷ বৃহস্পতিবার ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলার পর এই নির্দেশ দেন বিচারক৷ 

[আরও পড়ুন: বিদেশি এজেন্সি দিয়ে প্রাণঘাতী হামলার আশঙ্কা, তড়িঘড়ি বাড়ি বদলালেন দিলীপ ঘোষ]

গত শনিবার রাতে লাউডন স্ট্রিটে বেপরোয়া গতির জাগুয়ার ধাক্কা মারে মার্সিডিজে৷ এরপর পুলিশ কিয়স্কে সজোরে ধাক্কা৷ বৃষ্টির হাত থেকে রেহাই পেতে তখন কিয়স্কের সামনে এসে দাঁড়িয়েছিলেন দু’জন বাংলাদেশি-সহ আরও অনেকেই৷ জাগুয়ারের চাকায় পিষে যান দু’জন বাংলাদেশি৷ তাঁদের এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়৷ তবে চিকিৎসকরা তাঁদের মৃত বলে জানান৷ সিসিটিভি ফুটেজের সূত্র ধরে পুলিশ শহরের নামী রেস্তরাঁর মালিকের ছোট ছেলে আরসালান পারভেজকে গ্রেপ্তার করে৷ তবে সপ্তাহখানেকের মধ্যেই তদন্তে উঠে এল বিস্ফোরক তথ্য৷ বুধবারই জানা গিয়েছে আরসালান নয়, জাগুয়ার দুর্ঘটনা কাণ্ডের নায়ক তার দাদা রাঘিব পারভেজ৷

Raghib-Parvez
অভিযুক্ত রাঘিব পারভেজ

ঘটনার পরই মামার সহায়তায় দুবাইয়ে গিয়ে গা ঢাকা দিয়েছিল সে৷ তাতে অবশ্য শেষরক্ষা হয়নি৷ ওইদিনই শহরে পা রাখামাত্রই রাঘিবকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ৷ ধরা পড়ে তার মামা মহম্মদ হামজাও৷

[আরও পড়ুন: পোশাক পরা কঙ্কাল! নিউটাউনে ড্রামের ভিতর উঁকি মেরে হাড় হিম এলাকাবাসীর]

এর আগে গ্রেপ্তারির দিন থেকেই যদিও নিজের দোষ কবুল করে নিয়েছিল আরসালান৷ বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালিয়েই দুই বাংলাদেশিকে পিষে মেরেছিল বলেই স্বীকার করে নিয়েছিল সে৷ কিন্তু জাগুয়ার কাণ্ডে নয়া মোড়ের পরেই অবস্থান বদল করে আরসালান৷ বাবা আখতার পারভেজের নির্দেশেই দাদার দোষ নিজের ঘাড়ে নিয়ে শাস্তি পাচ্ছিল বলেই জানায় ধৃত৷

arsalan
আরসালান পারভেজকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে পেশ

নয়া তথ্যের ভিত্তিতে বৃহস্পতিবার আরসালান, তার দাদা রাঘিব এবং মামা মহম্মদ হামজাকে ব্যাঙ্কশাল আদালতে তোলা হয়৷ ৫০০০ টাকার বন্ডে শর্তসাপেক্ষে আরসালান এবং তার মামা মহম্মদ হামজাকে জামিনে মুক্তি দেওয়া হয়৷ তার দাদা রাঘিবকে আপাতত ৩ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতে থাকতে হবে বলেই নির্দেশ দেন বিচারক৷ তবে বিচারকের নির্দেশ অনুযায়ী আপাতত তদন্তকারী আধিকারিকের কাছে আরসালান এবং রাঘিবকে তাদের পাসপোর্ট জমা রাখারও নির্দেশ দিয়েছেন বিচারক৷

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং