১ কার্তিক  ১৪২৬  শনিবার ১৯ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

১ কার্তিক  ১৪২৬  শনিবার ১৯ অক্টোবর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: যাদবপুর কাণ্ডে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়৷ সাফ জানালেন, অভিভাবক হিসাবে যা করা উচিত ছিল, তাই করেছেন৷ তা না হলে আরও বড় ধরনের ঘটনা ঘটতে পারত৷ ছাত্রদের সঙ্গে কানেক্টেড হতেই হবে, তিনি তাই করেছেন৷

[ আরও পড়ুন: ‘ছাত্ররা একশো বার ভুল করবে’, বাবুলের সুরে শোধরানোর বার্তা লকেটের ]

রবিবার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সেখানে যাদবপুর প্রসঙ্গে মুখ খোলেন রাজ্যপাল৷ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাবুল সুপ্রিয়কে বামপন্থী পড়ুয়াদের নিগ্রহ এবং রাজ্যপালের সেখানে গিয়ে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে উদ্ধার করা ইস্যুতে, রাজ্য রাজনীতিতে যেভাবে বিতর্ক তৈরি হয়েছে৷ এদিন সেই বিষয়ে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করেন রাজ্যপাল৷ দ্ব্যর্থহীন ভাষায় ঘটনার নিন্দা করেন তিনি৷ এবং বলেন, ‘‘সংবিধানকে রক্ষা করা আমার শপথ আমি নিয়েছি৷ তা আমি করবই৷ ছাত্রদের সঙ্গে আমাদের কানেক্টেড হতেই হবে৷ অভিভাবক হিসাবে তাই করেছি৷’’

[ আরও পড়ুন: উসকানির অভিযোগ, যাদবপুর কাণ্ডে বাবুলের বিরুদ্ধে FIR পড়ুয়াদের ]

যদিও রাজ্যপালের এহেন আচরণের বিরোধিতা করেছে নবান্ন৷ চরমে উঠেছে রাজভবন-নবান্ন দ্বৈরথ৷ রাজ্যপালের এই ভূমিকার তীব্র নিন্দা করেছিলেন রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রী তথা তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তাঁর বক্তব্য ছিল, সরকারকে না জানিয়ে ধনকড় চলে গিয়েছিলেন যাদবপুরে। সরকারকে পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার সময় দেওয়া হয়নি। এই আচরণ সাংবিধানিক প্রধানের মতো একেবারেই নয়। শুক্রবার বেলা একটু বাড়তেই পার্থ চট্টোপাধ্যায়ের অভিযোগের পালটা দিয়ে রাজভবন থেকে জারি হয় দ্বিতীয় বিবৃতি। তাতে মুখ্যমন্ত্রীর ভূমিকা নিয়ে পালটা প্রশ্ন তোলা হয়। বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, রাজ্যপাল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে যাওয়ার আগে মুখ্যমন্ত্রীকে ফোন করেন। তারপরও সমস্যা সমাধান নিয়ে কোনও ইতিবাচক ইঙ্গিত তিনি পাননি। এরপর মুখ্যসচিব ও রাজ্য পুলিশের ডিজির সঙ্গে কথা বলে তিনি যাদবপুরের উদ্দেশে রওনা দেন। বিবৃতিতে অভিযোগ করা হয়, তৃণমূলের মহাসচিব প্রকৃত ঘটনা না জেনেই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন।

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং