Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৩১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৫ জুন ২০২৬
CM Suvendu Adhikari

শুভেন্দুর ‘জনতার দরবারে’ আয়ুষের মা, বাঁশদ্রোণীর স্কুলের বিরুদ্ধে তদন্তের আর্জি

সূত্র মারফত খবর, সব কিছু শুনে প্রয়োজনীয় পুলিশি পদক্ষেপ ও তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

Advertisement
বিধান নস্কর
বিধান নস্কর

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৬, ১৭:০৮

link
বিধান নস্কর
বিধান নস্কর

শেষ আপডেট: জুন ১৩, ২০২৬, ১৭:০৮

options
link
শুভেন্দুর ‘জনতার দরবারে’ আয়ুষের মা, বাঁশদ্রোণীর স্কুলের বিরুদ্ধে তদন্তের আর্জি zoom
১৩ জুন, শনিবার। সল্টলেকে 'জনতার দরবারে' মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নিজস্ব চিত্র ।

ছেলের মৃত্যুর বিচার ও দোষীদের শাস্তি চেয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর ‘জনতার দরবারে’ হাজির বাঁশদ্রোণীর আয়ুষকুমার নাথের মা। শনিবার মুখ্যমন্ত্রীর কাছে স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতি অভিযোগ তুলেছেন তিনি। অসুস্থ অবস্থায় আয়ুষকে দীর্ঘক্ষণ বসিয়ে রেখে পুরো ক্লাস করানোর পিছনে যে বা যারা যুক্ত তাঁদের শাস্তির দাবিতে সরব হয়েছেন তিনি। জানা গিয়েছে, সব কিছু শুনে প্রয়োজনীয় পুলিশি পদক্ষেপ ও তদন্তের আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু।

শনিবার সল্টলেকে মুখ্যমন্ত্রীর জনতার দরবারে পৌঁছন বাঁশদ্রোণীর মর্হিষবিদ্যা মন্দির স্কুলের মৃত তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র আয়ুষের মা। ঘটনায় স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ উঠলেও এখনও কাউকে গ্রেপ্তার করা হয়নি। এ দিন বিচার চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে যান তিনি। ছেলের স্কুলের ব্যাগ ও ছবি নিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন তিনি সন্তানহারা মা। তাঁর সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু। জানা গিয়েছে, সব কিছু খতিয়ে দেখার আশ্বাস দিয়েছেন তিনি। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

উল্লেখ্য, ১৩ মে অন্যান্যদিনের মতোই স্কুলে যায় তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র আয়ুষ। সে অসুস্থ বোধ করে। অভিযোগ, তারপরও তাকে ছুটি দেওয়া হয়নি। এমনকী বাড়িতে ফোন করেও জানানো হয়নি। নিয়ম মেনে স্কুল ছুটি হয়। শ্রেণিকক্ষ থেকে বেরিয়ে সিঁড়ি দিয়ে নামার সময় পড়ে যায় শিশু। গুরুতর আঘাত লাগে। নির্দিষ্ট সময়ে ছেলেকে আনতে যান বাবা। সেই সময় তাঁকে ফোন করে টিচার্স রুমে যাওয়ার জন্য বলা হয়। সেখানে গিয়ে দেখেন, আয়ুষ অচৈতন্য অবস্থায় রয়েছে। সঙ্গে সঙ্গে ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে ছোটেন তিনি। সেখানে একরত্তির শারীরিক অবস্থার আরও অবনতি হতে শুরু করে। এরপরেই কোমায় চলে যায় সে। ১২দিন কোমায় থাকার পর হাসপাতালেই মৃত্যু হয় শিশুটির। চিকিৎসকদের দাবি, মাথায় রক্তক্ষরণ হয়ে মৃত্যুই হয়েছে তার। তাতেই বিক্ষোভে উত্তাল হয় এলাকা। শিশুটির মা স্কুল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে গাফিলতির অভিযোগ তুলে থানায় অভিযোগ দায়ের হয়। কিন্তু এই ঘটনায় এখনও কেউ গ্রেপ্তার হয়নি। সেই দাবিতে জনতার দরবারে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে। 

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.