Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Fake Passport

জাল পাসপোর্ট কাণ্ডে ধৃত বাংলাদেশি আসলে পাকিস্তানি! পহেলগাঁও আবহে ইডির দাবিতে চাঞ্চল্য

রয়েছে বাংলাদেশ-পাকিস্তানের ড্রাইভিং লাইসেন্স।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৫, ২০:০৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৯, ২০২৫, ২০:০৪

options
link
জাল পাসপোর্ট কাণ্ডে ধৃত বাংলাদেশি আসলে পাকিস্তানি! পহেলগাঁও আবহে ইডির দাবিতে চাঞ্চল্য zoom
Advertisement

অর্ণব আইচ: পহেলগাঁও হামলার আবহে বাংলায় পাক নাগরিকের খোঁজ! জাল পাসপোর্ট কাণ্ডে ধৃত আজাদ মল্লিক আদপে বাংলাদেশি নয়, পাকিস্তানি নাগরিক। নাম-পরিচয় ভাঁড়িয়ে এদেশে জাল পাসপোর্টের ব্যবসা ফেঁদে বসেছিল সে। এমনই দাবি করল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট। সূত্রের দাবি, আজাদের বাড়ি থেকে পাকিস্তানি ড্রাইভিং লাইসেন্স উদ্ধার হয়েছে। সে দেশবিরোধী কার্যকলাপ বা সন্ত্রাসবাদীদের সঙ্গে জড়িত কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

বিরাটি বাঁকড়া এলাকার বাসিন্দা আজাদ মল্লিক। নিজেকে বাংলাদেশি হিসেবে পরিচয় দিত সে। জাল পাসপোর্ট কাণ্ডের তদন্তে নেমে আজাদকে গ্রেপ্তার করেছিল ইডি। আজাদ নিজে জাল পাসপোর্ট তৈরি করে সীমান্ত পেরিয়ে এদেশে এসেছিল বলে অভিযোগ। আর এই চক্রের খুঁটিনাটি সম্পর্কে সমস্ত তথ্য ছিল তার হাতের মুঠোয়। সেই ক্ষমতা কাজে লাগিয়ে মোটা টাকার বিনিময়ে ভুয়ো পাসপোর্ট বানাত। সেই তদন্ত এগোতেই চাঞ্চল্যকর তথ্য পেল ইডি। তারা আদালতে জানাল, ধৃত আজাদ মল্লিক পাকিস্তানের নাগরিক। পাকিস্তানের পরিচয় গোপন করতেই নিজেকে বাংলাদেশি নাগরিক বলে দাবি করত।

Advertisement

গ্রেপ্তারির পর টানা জেরা ও তদন্তে উঠে আসে আজাদ আদতে পাকিস্তানের নাগরিক। সূত্রের দাবি, আজাদের বাড়িতে তল্লাশি চালিয়ে পাকিস্তানি ড্রাইভিং লাইসেন্স উদ্ধার হয়। সেখানে নাম লেখা হয়েছে আজাদ হোসেন। তদন্তকারীদের দাবি, আজাদের প্রকৃত নাম আহমেদ হোসেন আজাদ ওরফে আজাদ হোসেন। পৃথক পৃথক তথ‍্য দিয়ে দুটো ভোটার, দুটো আধার কার্ড ও ড্রাইভিং লাইসেন্স তৈরি করে সে। সবমিলিয়ে পাকিস্তানি-বাংলাদেশি ড্রাইভিং লাইসেন্সের পাশাপাশি ভারতের লাইসেন্সও ছিল তার কাছে। বিদেশে যাওয়ার জন্য ভিসার আবেদনও করেছিল আজাদ, বলে আদালতে দাবি ইডির।

তদন্তকারী সংস্থা জানিয়েছে, এটা দেশের সুরক্ষার‍ জন‍্য উদ্বেগের। আজাদ দেশবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতিমধ্যে তার অ্যাকাউন্টে ২ কোটি ৬২ লক্ষ টাকার হদিশ মিলেছে। আরও একটি প্রতারণা মামলায় তার নাম উঠে এসেছে। তাই নতুন ইসিআইআর করে তাকে ফের হেফাজতে নিয়েছে ইডি। উল্লেখ্য, ২০২২ সালে ফরেনার্স অ্যাক্টে রাজ্য পুলিশের জালে ধরা পড়েছিল আজাদ। পরে জামিন পেয়ে যান। তারপর সে বাংলাদেশও গিয়েছিল।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.