Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
রাহুল সিনহা

‘মেরে চামড়া গুটিয়ে ডুগডুগি বাজানো হবে’, তৃণমূলকে হুমকি রাহুল সিনহার

তাঁর দাবি, 'তৃণমূলের আয়ূ শেষ হয়ে এসেছে।'

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০১৯, ১৮:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০১৯, ১৮:৫৮

options
link
‘মেরে চামড়া গুটিয়ে ডুগডুগি বাজানো হবে’, তৃণমূলকে হুমকি রাহুল সিনহার zoom

রূপায়ণ গঙ্গোপাধ্যায়: রাজ্যের শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসকে বেনজির আক্রমণ বিজেপি নেতা রাহুল সিনহার। কেন্দ্রীয় সম্পাদক তথা রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতির হুমকি, ‘এখনও সংযত হোন। না হলে চামড়া গুটিয়ে এমন ডুগডুগি বাজানো হবে যে পরিত্রাণের রাস্তা পাবে না।’ এছাড়া আরও বলেন, ‘আগামী ৬ মাস থেকে ১ বছরের মধ্যে বিধানসভা নির্বাচন হবে।’ তাঁর দাবি, ‘তৃণমূলের আয়ূ শেষ হয়ে এসেছে।’

মঙ্গলবার রাজ্য বিজেপির সদর দপ্তরে রাহুল সিনহা সাংবাদিক বৈঠকে তৃণমূল কর্মীদের হুমকি দেন, ‘এখনও সংযত হোন। না হলে চামড়া গুটিয়ে এমন ডুগডুগি বাজানো হবে যে পরিত্রাণের রাস্তা পাবে না। তৃণমূলের হয়ে কাজ করা এবং অতীতে কেলেঙ্কারি আছে এরকম সরকারি অফিসার ও পুলিশ আধিকারিকদের তালিকা তৈরি শুরু হয়ে গিয়েছে। আচার আচরণে পরিবর্তন না করলে তাঁদের বিপদ আছে।’ এদিন তিনি আরও বলেন, ‘উত্তর কলকাতায় গণতন্ত্রের কাছে নয় তৃণমূলের মস্তানতন্ত্রের কাছে হেরেছি। এমন আতঙ্ক সৃষ্টি করেছিল তৃণমূল, বহু মানুষ ভোট দিতে যেতে পারেনি উত্তর কলকাতায়।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: জল্পনার অবসান, বিজেপিতে যোগ দিলেন মুকুলপুত্র শুভ্রাংশু]

প্রসঙ্গত, সপ্তম তথা শেষ দফার ভোটের আগে কলকাতায় বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি অমিত শাহের রোড শো ঘিরে উত্তপ্ত হয় শহর। টিএমসিপি-বিজেপি সংঘর্ষে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন কলেজ স্ট্রিট চত্বর। হামলা চালানো হয় বিদ্যাসাগর কলেজেও। রাজনৈতিক তাণ্ডবে আক্রান্ত হয় বিদ্যাসাগরের মূর্তি। ভাঙা মূর্তি নিয়ে শুরু হয় দুপক্ষের চাপানউতোর, দোষারেপ-পালটা দোষারোপের পালা। তারপরেই দেখা যায়, উত্তর কলকাতায় বিপুল ভোটে জয়ী হন তৃণমূল প্রার্থী সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়। ওয়াকিবহল মহলের অভিমত ছিল, মূর্তি ভাঙার কারণেই বিজেপির উপর ক্ষুব্ধ তিলোত্তমার বাসিন্দারা। এদিন রাহুলের দাবি,’ বিদ্যসাগরের মূর্তি ভাঙার প্রভাব বিজেপির ভোট বাক্সে পড়েনি। কারণ, মানুষের কাছে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল বিদ্যসাগরের মূর্তি তৃণমূল পরিকল্পনা করে ভেঙেছে। এটা তৃণমূলের সাজানো। মূর্তি ভাঙার ঘটনার তদন্তে সরকারের কমিটি তো পুরোটা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য। মূর্তি ভাঙার তদন্ত সিটিং জজকে দিয়ে করানো হোক বা নিরপেক্ষ সংস্থাকে দিয়ে বিদ্যাসাগরের মূর্তি ভাঙার ঘটনার তদন্ত হোক।’

[আরও পড়ুন: ফের শক্তিপ্রমাণ অর্জুন সিংয়ের, ভাটপাড়ায় সংখ্যাগরিষ্ঠ হয়ে পুরবোর্ড দখলের পথে বিজেপি]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.