Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Cyclone Yaas

কোন ক্ষতিতে কত আর্থিক সাহায্য? ‘দুয়ারে ত্রাণ’ নিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে জানাল রাজ্য সরকার

দেখে নিন তালিকা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২১, ১৯:১৪

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২৮, ২০২১, ১৯:১৪

options
link
কোন ক্ষতিতে কত আর্থিক সাহায্য? ‘দুয়ারে ত্রাণ’ নিয়ে বিজ্ঞপ্তিতে জানাল রাজ্য সরকার zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় ‘যশ’ বা ইয়াসের (Cyclone Yaas) তাণ্ডবে রাজ্যে যে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে, তা পুনর্গঠনের জন্য ‘দুয়ারে ত্রাণ’ নামে নতুন প্রকল্প ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (CM Mamata Banerjee)। এর জন্য প্রাথমিকভাবে ১হাজার কোটি টাকা অর্থ বরাদ্দ করার কথাও জানিয়েছিলেন তিনি। সেই টাকায় ক্ষতিপূরণ, পুনর্গঠনের কাজ দ্রুতই শুরু করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। শুক্রবার দুর্যোগ কবলিত এলাকায় ঘুরে প্রশাসনিক বৈঠকে তার খুঁটিনাটি জানান তিনি।আর এবার ‘দুয়ারে ত্রাণ’ প্রকল্পের বিজ্ঞপ্তি জারি করে রাজ্য সরকার জানিয়ে দিল, কোন খাতে কত আর্থিক সাহায্য মিলবে। 

কৃষি থেকে পশুপালন ক্ষেত্র, ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি – সবকিছুর পুনর্গঠনেই আর্থিক সাহায্য করবে রাজ্য সরকার। রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তর বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী কোন খাতে কত টাকা মিলবে, দেখে নিন –

Advertisement
  • কৃষিজমির ক্ষতি – ১০০০ থেকে ২৫০০০ টাকা
  • পানচাষের ক্ষতি – ৫০০০ টাকা
  • কাঁচা বাড়ি ক্ষতি – ৫০০০ টাকা
  • সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত বাড়ি – ২০,০০০ টাকা
  • গবাদি পশুর মৃত্যুতে ক্ষতি – ৩০,০০০ টাকা

কীভাবে মিলবে ক্ষতিপূরণের এই অঙ্ক? তার খুঁটিনাটিও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এবার ত্রাণবণ্টন, ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কাজ এবার সরকারি আধিকারিকদের হাতেই ছেড়েছেন তিনি। আগামী ৩ জুন থেকে ১৮ জুন – এই ১৫ দিন ক্ষতিপূরণ পাওয়ার জন্য আবেদনপত্র জমা দিতে হবে। ১৯ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সেসব আবেদনপত্র খুঁটিয়ে দেখা হবে। এরপর ১ থেকে ৮ জুলাইয়ের মধ্যে সরাসরি ক্ষতিগ্রস্তদের ব্যাংক অ্যাকাউন্টে টাকা পৌঁছে যাবে। 

[আরও পড়ুন: ভবানীপুরে ত্রাণ বিলি করতে গিয়ে ‘চড়’ খেলেন রুদ্রনীল, পুলিশের দ্বারস্থ অভিনেতা]

‘যশ’ পরবর্তী সময়ে মুখ্যমন্ত্রী বৈঠক করতে গিয়ে একাধিকবার উল্লেখ করেছেন, এখনই সমস্ত ক্ষতির খতিয়ান নিখুঁতভাবে পাওয়া সম্ভব না। কারণ, এখনও বহু এলাকা জলের নিচে। সেই জল না সরলে ঠিক কতটা ক্ষতি হয়েছে, তা ঠিকমতো বোঝা যাবে না। সেক্ষেত্রে পরবর্তী সময়ে ক্ষতিপূরণের জন্য বরাদ্দ অঙ্কও বাড়তে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। তার আগে এ মাস পেরলেই ‘দুয়ারে ত্রাণ’-এর মতো নতুন পদ্ধতিতে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কাজ কতটা দ্রুত ও সফল হয়, তা দেখার। 

[আরও পড়ুন: নারদ কাণ্ডে ধৃত ৪ হেভিওয়েট নেতা-মন্ত্রীর অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করল কলকাতা হাই কোর্ট]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.